
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মাহফুজ আলম। এই পদে তিনি সদ্য পতদ্যাগ করা নাহিদ ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এদিকে নাহিদ ইসলাম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। এই দপ্তরটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন ও মাহফুজকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার দায়িত্ব নিতে গতকাল মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মো. নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তখন থেকেই গুঞ্জন ছিল মাহফুজ আলম তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আজকের প্রজ্ঞাপনে সেটিই সত্য প্রমাণিত হলো।
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে জায়গা পান নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। পরে উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হন আরেক ছাত্র প্রতিনিধি মাহফুজ আলম।
গত বছরের ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে মাহফুজ শপথ নেন। তবে তাকে কোনো দপ্তর দেওয়া হয়নি এতদিন। দপ্তরবিহীন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। নাহিদ ইসলামের পদত্যাগে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন তিনি।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ন্যস্ত ছিল পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ— মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি বিমান পরিবহণ ও পর্যটন বিভাগ।
নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর প্রাথমিকভাবে তার দুটি মন্ত্রণালয়ই প্রধান উপদেষ্টাকে ন্যস্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মাহফুজ আলমকে দেওয়ায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকলো প্রধান উপদেষ্টার অধীনে। সব মিলিয়ে তার অধীন দপ্তরের সংখ্যা এখন ছয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মাহফুজ আলম। এই পদে তিনি সদ্য পতদ্যাগ করা নাহিদ ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এদিকে নাহিদ ইসলাম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। এই দপ্তরটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন ও মাহফুজকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার দায়িত্ব নিতে গতকাল মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মো. নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তখন থেকেই গুঞ্জন ছিল মাহফুজ আলম তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আজকের প্রজ্ঞাপনে সেটিই সত্য প্রমাণিত হলো।
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে জায়গা পান নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। পরে উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হন আরেক ছাত্র প্রতিনিধি মাহফুজ আলম।
গত বছরের ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে মাহফুজ শপথ নেন। তবে তাকে কোনো দপ্তর দেওয়া হয়নি এতদিন। দপ্তরবিহীন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। নাহিদ ইসলামের পদত্যাগে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন তিনি।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ন্যস্ত ছিল পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ— মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি বিমান পরিবহণ ও পর্যটন বিভাগ।
নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর প্রাথমিকভাবে তার দুটি মন্ত্রণালয়ই প্রধান উপদেষ্টাকে ন্যস্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মাহফুজ আলমকে দেওয়ায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকলো প্রধান উপদেষ্টার অধীনে। সব মিলিয়ে তার অধীন দপ্তরের সংখ্যা এখন ছয়।

ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা ওই একই গান ব্যবহার করে নিজেদের প্রোফাইলে ভিডিও পোস্ট করা শুরু করেন মিজ পালের প্রতি সমর্থনের অংশ হিসেবে।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই কমিটিকে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে