
বিজ্ঞপ্তি

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে অবস্থিত অত্যাধুনিক গোল্ড’স জিম শনিবার দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। যুবসমাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘ডিনার উইথ দ্য স্টারস’ শীর্ষক একটি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের আয়োজন করে গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ।
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির গোল্ড’স জিমের পুলসাইডে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শতাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফিটনেস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। এ সময় গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।
নিত্যদিন শুটিং ও ভিডিও নির্মাণে ব্যস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের শারীরিক ফিটনেস ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আয়োজকরা জানান, এই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শারীরিক সুস্থতা কর্মদক্ষতা বাড়ায়—এই বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এমন আয়োজন।
গত বছরের মে মাসে যাত্রা শুরু করা গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় ও পরিপূর্ণ জিম সেন্টার হিসেবে পরিচিত। এখানে রয়েছে ওয়ার্কআউট সেন্টার, কার্ডিও জোন, ক্রায়ো থেরাপি, কোল্ড প্লাঞ্জ, জাকুজি পুল, হিমালয়ান সল্ট বাথসহ নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা দুটি সুইমিং পুল। আধুনিক ও উন্নতমানের সরঞ্জামের সমন্বয়ে নির্মিত এই জিমটি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
ইতালির বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান টেকনোজিম থেকে আমদানি করা সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে এই জিমে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একসঙ্গে প্রায় ৮০০ জন সদস্য এখানে ওয়ার্কআউট করতে পারবেন। আয়তন ও সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ জিম সেন্টার।
তিনটি ফ্লোরে বিভক্ত এই জিমের নিচতলায় রয়েছে অভ্যর্থনা কক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া, পাশে ১০০ মিটার দীর্ঘ সুইমিং পুল। দ্বিতীয় তলাটি নারীদের জন্য নির্ধারিত, তৃতীয় তলায় কার্ডিও জোন এবং চতুর্থ তলায় ট্রেনিং জোন—যেখানে রয়েছে স্কোয়াট র্যাক, অলিম্পিক বারবেল, ডাম্বেল, রানিং মেশিনসহ নানা আধুনিক সরঞ্জাম। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে হিমালয়ান সল্ট বাথ, যা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় উপকারী বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
২১ জন দক্ষ ট্রেইনারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই জিম সেন্টারে উন্নতমানের সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান আয়োজকরা।
বৃহৎ এই জিম দেখে মুগ্ধ প্রতিক্রিয়া জানান কনটেন্ট ক্রিয়েটর সানজিদা রহমান। তিনি বলেন, প্রথম দেখাতেই আমি অবাক হয়েছি। এত বড় জিম, সঙ্গে সুইমিং, স্পা ও বাথ—সব এক জায়গায়। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এটি খুবই কার্যকর হবে।
গোল্ড’স জিম বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার আনিসুল ইসলাম ববি বলেন, ট্রাভেল, ফুড, ফিটনেস, লাইফস্টাইল কিংবা মেকআপ—যে ধরনের কনটেন্টই হোক না কেন, ফিটনেস সবার জন্য জরুরি। তাই আমরা সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে যুক্ত করেছি, যাতে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে ফিটনেসের গুরুত্ব তুলে ধরা যায়।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে অবস্থিত অত্যাধুনিক গোল্ড’স জিম শনিবার দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। যুবসমাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘ডিনার উইথ দ্য স্টারস’ শীর্ষক একটি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের আয়োজন করে গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ।
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির গোল্ড’স জিমের পুলসাইডে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শতাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফিটনেস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। এ সময় গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।
নিত্যদিন শুটিং ও ভিডিও নির্মাণে ব্যস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের শারীরিক ফিটনেস ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আয়োজকরা জানান, এই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শারীরিক সুস্থতা কর্মদক্ষতা বাড়ায়—এই বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এমন আয়োজন।
গত বছরের মে মাসে যাত্রা শুরু করা গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় ও পরিপূর্ণ জিম সেন্টার হিসেবে পরিচিত। এখানে রয়েছে ওয়ার্কআউট সেন্টার, কার্ডিও জোন, ক্রায়ো থেরাপি, কোল্ড প্লাঞ্জ, জাকুজি পুল, হিমালয়ান সল্ট বাথসহ নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা দুটি সুইমিং পুল। আধুনিক ও উন্নতমানের সরঞ্জামের সমন্বয়ে নির্মিত এই জিমটি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
ইতালির বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান টেকনোজিম থেকে আমদানি করা সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে এই জিমে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একসঙ্গে প্রায় ৮০০ জন সদস্য এখানে ওয়ার্কআউট করতে পারবেন। আয়তন ও সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ জিম সেন্টার।
তিনটি ফ্লোরে বিভক্ত এই জিমের নিচতলায় রয়েছে অভ্যর্থনা কক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া, পাশে ১০০ মিটার দীর্ঘ সুইমিং পুল। দ্বিতীয় তলাটি নারীদের জন্য নির্ধারিত, তৃতীয় তলায় কার্ডিও জোন এবং চতুর্থ তলায় ট্রেনিং জোন—যেখানে রয়েছে স্কোয়াট র্যাক, অলিম্পিক বারবেল, ডাম্বেল, রানিং মেশিনসহ নানা আধুনিক সরঞ্জাম। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে হিমালয়ান সল্ট বাথ, যা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় উপকারী বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
২১ জন দক্ষ ট্রেইনারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই জিম সেন্টারে উন্নতমানের সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান আয়োজকরা।
বৃহৎ এই জিম দেখে মুগ্ধ প্রতিক্রিয়া জানান কনটেন্ট ক্রিয়েটর সানজিদা রহমান। তিনি বলেন, প্রথম দেখাতেই আমি অবাক হয়েছি। এত বড় জিম, সঙ্গে সুইমিং, স্পা ও বাথ—সব এক জায়গায়। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এটি খুবই কার্যকর হবে।
গোল্ড’স জিম বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার আনিসুল ইসলাম ববি বলেন, ট্রাভেল, ফুড, ফিটনেস, লাইফস্টাইল কিংবা মেকআপ—যে ধরনের কনটেন্টই হোক না কেন, ফিটনেস সবার জন্য জরুরি। তাই আমরা সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে যুক্ত করেছি, যাতে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে ফিটনেসের গুরুত্ব তুলে ধরা যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক জাতীয় ঈদগাহে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটো
৪ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতরের দিনক্ষণ ঠিক করতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আহ্বান করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠেয় এই সভায় সারাদেশের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে ঈদের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। দেশের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে তা নির্দিষ্ট টেলিফোন নম্বরে বা স্থান
৫ ঘণ্টা আগে
তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং ডিজিটাল বিভাজন নতুন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, যা বিশেষভাবে গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের নারীদের উপর প্রভাব ফেলে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করণ এবং মানবপাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক ও
৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবারের ঈদে নৌপথে যাত্রীদের যাত্রা অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি স্বস্তিদায়ক ও আনন্দদায়ক হবে। পাশাপাশি, সদরঘাটের যাত্রীচাপ কমাতে বসিলা ও শিমুলিয়া লঞ্চঘাট চালু করা হয়েছে এবং চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতে এসব ঘাট স্থায়ী করার পরিকল্পনা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে