
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে পাপেট চর্চার পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি। জীবনের শেষ কয়েক মাসে কয়েকবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সব্যসাচী এই শিল্পীর।
শিল্পীর পরিবার জানিয়েছে, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুস্তাফা মনোয়ারকে গত ১৪ জুন স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে ভেন্টিলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। পরে আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় তার, আবার নেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে। সে অবস্থাতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের লাল সূর্যের অন্যতম স্থপতি তিনি। আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাপেট শো ‘মনের কথা’ শুরু করেন তিনি। ‘পারুল’, ‘বাঘা’ ও ‘ভুতু’র মতো অমর পাপেট চরিত্রের স্রষ্টা তিনি, যা দশকের পর দশক ধরে দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে একাধারে চিত্রকলা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ, নাট্যনির্দেশনা ও শিশুতোষ শিক্ষামূলক বিনোদন নিয়ে কাজ করেছেন মুস্তাফা মনোয়ার। ইউনিসেফের জনপ্রিয় ‘মীনা’ কার্টুনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়ির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
মুস্তাফা মনোয়ারের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর যশোরের শ্রীপুরে। তার বাবা প্রয়াত কবি গোলাম মোস্তফা। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
নারায়ণগঞ্জ গভার্নমেন্ট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর মুস্তাফা মনোয়ার কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেযে ভর্তি হয়েছিলেম। পরে তিনি ভর্তি হন কলকাতা চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে। সেখানে ফাইন আর্টসে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন তিনি।
পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু হয় মুস্তাফা মনোয়ার। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপমহাপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন ঢাকার মহাব্যবস্থাপক ও চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসির) ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া জনবিভাগ উন্নয়ন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও এডুকেশনাল পাপেট ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রকল্প পরিচালকও ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার।
১৯৯০ সালে টিভি নাটকের জন্য টেনাশিনাস পদক, ১৯৯২ সালে চারুশিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে শিশু শিল্পকলা কেন্দ্র কিডস কালচারাল ইনস্টিটিউটসহ নানা পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হয়েছিলেন তিনি। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০০৪ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে সরকার।

বাংলাদেশে পাপেট চর্চার পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি। জীবনের শেষ কয়েক মাসে কয়েকবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সব্যসাচী এই শিল্পীর।
শিল্পীর পরিবার জানিয়েছে, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুস্তাফা মনোয়ারকে গত ১৪ জুন স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে ভেন্টিলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। পরে আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় তার, আবার নেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে। সে অবস্থাতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের লাল সূর্যের অন্যতম স্থপতি তিনি। আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাপেট শো ‘মনের কথা’ শুরু করেন তিনি। ‘পারুল’, ‘বাঘা’ ও ‘ভুতু’র মতো অমর পাপেট চরিত্রের স্রষ্টা তিনি, যা দশকের পর দশক ধরে দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে একাধারে চিত্রকলা, টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ, নাট্যনির্দেশনা ও শিশুতোষ শিক্ষামূলক বিনোদন নিয়ে কাজ করেছেন মুস্তাফা মনোয়ার। ইউনিসেফের জনপ্রিয় ‘মীনা’ কার্টুনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়ির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
মুস্তাফা মনোয়ারের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর যশোরের শ্রীপুরে। তার বাবা প্রয়াত কবি গোলাম মোস্তফা। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
নারায়ণগঞ্জ গভার্নমেন্ট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর মুস্তাফা মনোয়ার কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেযে ভর্তি হয়েছিলেম। পরে তিনি ভর্তি হন কলকাতা চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে। সেখানে ফাইন আর্টসে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন তিনি।
পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু হয় মুস্তাফা মনোয়ার। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপমহাপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন ঢাকার মহাব্যবস্থাপক ও চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসির) ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া জনবিভাগ উন্নয়ন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও এডুকেশনাল পাপেট ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রকল্প পরিচালকও ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার।
১৯৯০ সালে টিভি নাটকের জন্য টেনাশিনাস পদক, ১৯৯২ সালে চারুশিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে শিশু শিল্পকলা কেন্দ্র কিডস কালচারাল ইনস্টিটিউটসহ নানা পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হয়েছিলেন তিনি। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০০৪ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে সরকার।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। তারপরও তারা কর্মস্থলে যোগ দেননি। এ কারণে তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
১৫ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি এবং এনএসআইয়ের পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে