
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবসের ১২ দিনের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে আজ রোববার (২৯ মার্চ) থেকে রাজধানী ঢাকা চিরচেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে। তবে রাজপথে এখনও সেই চেনা উন্মাদনা-স্থবিরতা দেখা যায়নি। নাড়ির টানে শিকড়ের কাছে ফেরা মানুষগুলো ব্যস্ত ঢাকায় ফিরতে শুরু করলেও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে ব্যস্ততা ফেরেনি এখনও।
সাধারণত ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। তবে এবারের চিত্র কিছুটা ভিন্ন— যেখানে কর্মব্যস্ততার আভাস থাকলেও যানজটের চিরচেনা দৃশ্য এখনও চোখে পড়ছে না। সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশমুখে লক্ষ্য করা গেছে এক ভিন্নধর্মী শান্ত আবহ।

সরেজমিনে বাবুবাজার ব্রিজ এলাকায় দেখা যায়, বুড়িগঙ্গার ওপার থেকে আসা দক্ষিণবঙ্গের মানুষের অন্যতম প্রধান এই প্রবেশপথে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক। কিছু বাস ও ছোট যানবাহন ঢাকায় প্রবেশ করলেও দীর্ঘ যানজটের দেখা মেলেনি। গুলিস্তান, মতিঝিল, পল্টন হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকামুখী মানুষের ঢল সচল থাকলেও চিরচেনা সেই দমবন্ধ করা যানজট দানা বাঁধেনি এখনও।
বাবুবাজার মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের একজন সদস্য রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘এবার দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ধাপে ধাপে ফিরছে। আজ অফিস খুললেও এখনও বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকার বাইরে রয়েছেন। আমরা চেষ্টা করছি, এই স্বস্তির ট্রাফিক ব্যবস্থা দিনভর বজায় রাখার। ধারণা করছি, বিকেলের দিকে চাপ কিছুটা বাড়বে, কারণ অনেকেই ব্যক্তিগত গাড়িতে ফিরছেন।’
বাবুবাজার ব্রিজ পার হয়ে নয়াবাজার হয়ে গুলিস্তানের দিকে এগোলে জনস্রোতে কিছুটা বাড়লেও তা তেমন অসহনীয় ছিল না। বিশেষ করে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় দূরপাল্লার বাস থেকে যাত্রীরা নামলেও ভিড় জমছে না। পর্যাপ্ত লোকাল বাস থাকায় তারা দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।

ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালে রাজিব হাসান নামের একজন বেসরকারি চাকুরিজীবীর সঙ্গে কথা হয় রাজনীতি ডটকমের। তিনি বলেন, ‘ঈদের পর প্রথম দিন অফিসে যাওয়ার জন্য যে পরিমাণ ধকল সহ্য করতে হয়, আজ তার ছিটেফোঁটাও নেই। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় দ্রুত ঢাকায় পৌঁছাতে পেরেছি। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ঢাকা তার পূর্ণ ব্যস্ততায় ফিরবে বলে আমি মনে করি।’
গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ও পল্টন মোড়ে সিগন্যালে কিছু গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও তা ছিল স্বাভাবিক সময়ের মতোই।
ঢাকার বাণিজ্যিক হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত মতিঝিলেও এখনও ফেরেনি চিরচেনা রূপ। ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অফিস খুললেও উপস্থিতির হার ছিল তুলনামূলক কম। শাপলা চত্বর এলাকায় রিকশা ও মোটরসাইকেলের চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো, তবে গাড়ির সেই দীর্ঘ সারি-যানজট দেখা যায়নি আজ।

মতিঝিলের একজন ব্যাংক কর্মকর্তা শিবাজি ধর বলেন, ‘টানা ১২ দিনের ছুটির পর প্রথম দিন কাজে গতি আসতে সময় লাগে। অনেক সহকর্মী এখনও গ্রামে আছেন। আমার মনে হয়, আগামী কাল বা পরশু থেকে মতিঝিল তার পুরনো ব্যস্ততা ফিরে পাবে। আজ যাতায়াতে যে স্বস্তি পেয়েছি, গত কয়েক বছরে ঈদের পর প্রথম দিনে কল্পনাও করা যেত না।’
দীর্ঘ ছুটির পরে প্রিয়জনদের ছেড়ে আসার বিষণ্ণতা ও যান্ত্রিক শহরের বাস্তবতাকে মেনে মানুষ আবারও তাদের জীবন সাজাতে শুরু করেছেন। তবে আজ প্রথম কার্যদিবসেও ঢাকা যে তার চিরচেনা ব্যস্ততায় ফেরেনি, এই চিত্র বেমানান। রাজধানীর চিরচেনা রূপ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এই ফাঁকা চিত্র কেবল সাময়িক; দু-এক দিনের মধ্যে ঢাকা ফিরবে তার স্বাভাবিক ব্যস্ততায়।

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবসের ১২ দিনের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে আজ রোববার (২৯ মার্চ) থেকে রাজধানী ঢাকা চিরচেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে। তবে রাজপথে এখনও সেই চেনা উন্মাদনা-স্থবিরতা দেখা যায়নি। নাড়ির টানে শিকড়ের কাছে ফেরা মানুষগুলো ব্যস্ত ঢাকায় ফিরতে শুরু করলেও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে ব্যস্ততা ফেরেনি এখনও।
সাধারণত ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। তবে এবারের চিত্র কিছুটা ভিন্ন— যেখানে কর্মব্যস্ততার আভাস থাকলেও যানজটের চিরচেনা দৃশ্য এখনও চোখে পড়ছে না। সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশমুখে লক্ষ্য করা গেছে এক ভিন্নধর্মী শান্ত আবহ।

সরেজমিনে বাবুবাজার ব্রিজ এলাকায় দেখা যায়, বুড়িগঙ্গার ওপার থেকে আসা দক্ষিণবঙ্গের মানুষের অন্যতম প্রধান এই প্রবেশপথে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক। কিছু বাস ও ছোট যানবাহন ঢাকায় প্রবেশ করলেও দীর্ঘ যানজটের দেখা মেলেনি। গুলিস্তান, মতিঝিল, পল্টন হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকামুখী মানুষের ঢল সচল থাকলেও চিরচেনা সেই দমবন্ধ করা যানজট দানা বাঁধেনি এখনও।
বাবুবাজার মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের একজন সদস্য রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘এবার দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ধাপে ধাপে ফিরছে। আজ অফিস খুললেও এখনও বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকার বাইরে রয়েছেন। আমরা চেষ্টা করছি, এই স্বস্তির ট্রাফিক ব্যবস্থা দিনভর বজায় রাখার। ধারণা করছি, বিকেলের দিকে চাপ কিছুটা বাড়বে, কারণ অনেকেই ব্যক্তিগত গাড়িতে ফিরছেন।’
বাবুবাজার ব্রিজ পার হয়ে নয়াবাজার হয়ে গুলিস্তানের দিকে এগোলে জনস্রোতে কিছুটা বাড়লেও তা তেমন অসহনীয় ছিল না। বিশেষ করে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় দূরপাল্লার বাস থেকে যাত্রীরা নামলেও ভিড় জমছে না। পর্যাপ্ত লোকাল বাস থাকায় তারা দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।

ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালে রাজিব হাসান নামের একজন বেসরকারি চাকুরিজীবীর সঙ্গে কথা হয় রাজনীতি ডটকমের। তিনি বলেন, ‘ঈদের পর প্রথম দিন অফিসে যাওয়ার জন্য যে পরিমাণ ধকল সহ্য করতে হয়, আজ তার ছিটেফোঁটাও নেই। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় দ্রুত ঢাকায় পৌঁছাতে পেরেছি। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ঢাকা তার পূর্ণ ব্যস্ততায় ফিরবে বলে আমি মনে করি।’
গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ও পল্টন মোড়ে সিগন্যালে কিছু গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও তা ছিল স্বাভাবিক সময়ের মতোই।
ঢাকার বাণিজ্যিক হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত মতিঝিলেও এখনও ফেরেনি চিরচেনা রূপ। ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অফিস খুললেও উপস্থিতির হার ছিল তুলনামূলক কম। শাপলা চত্বর এলাকায় রিকশা ও মোটরসাইকেলের চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো, তবে গাড়ির সেই দীর্ঘ সারি-যানজট দেখা যায়নি আজ।

মতিঝিলের একজন ব্যাংক কর্মকর্তা শিবাজি ধর বলেন, ‘টানা ১২ দিনের ছুটির পর প্রথম দিন কাজে গতি আসতে সময় লাগে। অনেক সহকর্মী এখনও গ্রামে আছেন। আমার মনে হয়, আগামী কাল বা পরশু থেকে মতিঝিল তার পুরনো ব্যস্ততা ফিরে পাবে। আজ যাতায়াতে যে স্বস্তি পেয়েছি, গত কয়েক বছরে ঈদের পর প্রথম দিনে কল্পনাও করা যেত না।’
দীর্ঘ ছুটির পরে প্রিয়জনদের ছেড়ে আসার বিষণ্ণতা ও যান্ত্রিক শহরের বাস্তবতাকে মেনে মানুষ আবারও তাদের জীবন সাজাতে শুরু করেছেন। তবে আজ প্রথম কার্যদিবসেও ঢাকা যে তার চিরচেনা ব্যস্ততায় ফেরেনি, এই চিত্র বেমানান। রাজধানীর চিরচেনা রূপ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এই ফাঁকা চিত্র কেবল সাময়িক; দু-এক দিনের মধ্যে ঢাকা ফিরবে তার স্বাভাবিক ব্যস্ততায়।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৫ ঘণ্টা আগে