
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের শৌচাগার থেকে প্রায় ১৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত জোরদার করেছে পুলিশ। স্বর্ণ চোরাচালান চক্রকে শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের পাইলট, কেবিন ক্রু, টেকনিক্যাল স্টাফ, ক্লিনিং কর্মীসহ সব যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য তলব করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ফ্লাইটের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ, বোর্ডিং ব্রিজ ও রানওয়ে এলাকার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব তথ্য হাতে এলে চোরাচালান চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা সহজ হবে।
বিমানবন্দর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা ৮ মিনিটে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৪৮ ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সি-০২ বোর্ডিং ব্রিজে অবস্থান নেওয়ার পর বিমানে তল্লাশি চালিয়ে শৌচাগার থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কাইয়ুম বলেন, “এটি একটি গুরুতর ঘটনা। এত বড় পরিমাণ স্বর্ণ কীভাবে বিমানে প্রবেশ করল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা উদঘাটনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।”
তিনি জানান, তদন্তের স্বার্থে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার তথ্য চাওয়া হয়েছে। তবে এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ হাতে পাওয়া যায়নি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, চিঠিতে ফ্লাইটের পাইলট ও কেবিন ক্রুদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং বায়োডাটা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এয়ারক্রাফটের টেকনিক্যাল মেকানিক, হেলপার ও ক্লিনিং স্টাফদের তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এ ছাড়া যাত্রীদের তালিকা, পাসপোর্ট নম্বর এবং ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যও চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ হাতে এলে স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের মূল সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত আরও দ্রুত অগ্রসর হবে।

দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটের শৌচাগার থেকে প্রায় ১৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত জোরদার করেছে পুলিশ। স্বর্ণ চোরাচালান চক্রকে শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের পাইলট, কেবিন ক্রু, টেকনিক্যাল স্টাফ, ক্লিনিং কর্মীসহ সব যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য তলব করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ফ্লাইটের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ, বোর্ডিং ব্রিজ ও রানওয়ে এলাকার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব তথ্য হাতে এলে চোরাচালান চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা সহজ হবে।
বিমানবন্দর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা ৮ মিনিটে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৪৮ ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সি-০২ বোর্ডিং ব্রিজে অবস্থান নেওয়ার পর বিমানে তল্লাশি চালিয়ে শৌচাগার থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কাইয়ুম বলেন, “এটি একটি গুরুতর ঘটনা। এত বড় পরিমাণ স্বর্ণ কীভাবে বিমানে প্রবেশ করল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা উদঘাটনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।”
তিনি জানান, তদন্তের স্বার্থে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার তথ্য চাওয়া হয়েছে। তবে এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ হাতে পাওয়া যায়নি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, চিঠিতে ফ্লাইটের পাইলট ও কেবিন ক্রুদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং বায়োডাটা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এয়ারক্রাফটের টেকনিক্যাল মেকানিক, হেলপার ও ক্লিনিং স্টাফদের তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এ ছাড়া যাত্রীদের তালিকা, পাসপোর্ট নম্বর এবং ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যও চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ হাতে এলে স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের মূল সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত আরও দ্রুত অগ্রসর হবে।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে