
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধিনিষেধের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটি এই সিদ্ধান্তকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর ‘নগ্ন ও অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, আধুনিক যুগে মোবাইল ফোন ছাড়া সাংবাদিকতা অসম্ভব এবং এই নিষেধাজ্ঞার ফলে নির্বাচনের অনিয়ম আড়াল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং এটি নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার একটি অপরিহার্য উপাদান।
সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ করার এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে। অবিলম্বে এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা না হলে সারা দেশের সাংবাদিকদের নিয়ে কঠোর কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
ডিআরইউ স্পষ্টভাবে বলতে চায়—মোবাইল ফোন ছাড়া আধুনিক সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। তথ্য সংগ্রহ, তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন, ছবি ও ভিডিও ধারণ, অনিয়ম নথিভুক্ত করা এবং জরুরি যোগাযোগ—সবই মোবাইল ফোননির্ভর।
সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে বাধা দেওয়া মানে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জনসমক্ষে অস্বচ্ছ করে তোলা।
ডিআরইউ গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, নির্বাচন কমিশনের কিছু নির্দেশনা ও তার মাঠপর্যায়ের প্রয়োগ সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে পরিকল্পিত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এটি কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করে কোনোভাবেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
ডিআরইউ নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোরালো ও কঠোর দাবি জানাচ্ছে— অবিলম্বে নির্বাচনকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই ধরনের বিধিনিষেধকে গণমাধ্যমবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করে ডিআরইউ সারাদেশের সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।
ডিআরইউ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, স্বাধীন সাংবাদিকতার মৌলিক প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সংগঠনটি রাজপথে এবং নীতিগতভাবে সর্বদা সোচ্চার থাকবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধিনিষেধের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটি এই সিদ্ধান্তকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর ‘নগ্ন ও অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, আধুনিক যুগে মোবাইল ফোন ছাড়া সাংবাদিকতা অসম্ভব এবং এই নিষেধাজ্ঞার ফলে নির্বাচনের অনিয়ম আড়াল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের সুযোগ দেওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ নয়; বরং এটি নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার একটি অপরিহার্য উপাদান।
সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ করার এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে। অবিলম্বে এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা না হলে সারা দেশের সাংবাদিকদের নিয়ে কঠোর কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
ডিআরইউ স্পষ্টভাবে বলতে চায়—মোবাইল ফোন ছাড়া আধুনিক সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। তথ্য সংগ্রহ, তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন, ছবি ও ভিডিও ধারণ, অনিয়ম নথিভুক্ত করা এবং জরুরি যোগাযোগ—সবই মোবাইল ফোননির্ভর।
সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনে বাধা দেওয়া মানে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জনসমক্ষে অস্বচ্ছ করে তোলা।
ডিআরইউ গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, নির্বাচন কমিশনের কিছু নির্দেশনা ও তার মাঠপর্যায়ের প্রয়োগ সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে পরিকল্পিত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এটি কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করে কোনোভাবেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
ডিআরইউ নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোরালো ও কঠোর দাবি জানাচ্ছে— অবিলম্বে নির্বাচনকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই ধরনের বিধিনিষেধকে গণমাধ্যমবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করে ডিআরইউ সারাদেশের সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।
ডিআরইউ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, স্বাধীন সাংবাদিকতার মৌলিক প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সংগঠনটি রাজপথে এবং নীতিগতভাবে সর্বদা সোচ্চার থাকবে।

দেশ জুড়ে শুরু হওয়া ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাঁচ জেলায় বন্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্থা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
৯ ঘণ্টা আগে
২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মুক্তিযোদ্ধা এই মন্ত্রী বলেন, সাফমা কনফারেন্সে পাকিস্তানে গিয়েছিলাম। সেখানে এক পাকিস্তানি এমপি আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় জেনে জামায়াতে ইসলামীর এমপির সামনেই আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল। সেই অপমান আমি ভুলিনি। যখন বেশি বাড়াবাড়ি করা হয়, তখন মনে
১০ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, গণভোটকে জাতীয় সংসদে শপথের আওতায় এনে কার্যকর করা না হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট বাতিল হলে সংসদ সদস্যদের পদও আইনি ঝুঁকিতে পড়তে পারে—শেষ পর্যন্ত আমও যাবে, ছালাও যাবে।
১১ ঘণ্টা আগে