
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় কোনো নিরীহ সমালোচনাকারীকে গ্রেপ্তার বা নির্যাতন করা যাবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে হেফাজত আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে থাকা নিরীহ ব্যক্তিদের মুক্তি দাবি জানান। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে একজনের পরিচয়ে মাদরাসার নাম উল্লেখ করার বিষয়টিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে নিন্দা জানান।
তারা দাবি জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে যারা নিরীহ সমালোচনাকারী, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় ভারতপন্থি পত্রিকা দুটির ওপর বাংলাদেশপন্থি ছাত্র-জনতার ক্ষোভ বাড়বে বৈ কমবে না।
তারা আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান গ্রেপ্তার হলে প্রথম আলো সেটির ‘ন্যায্যতা’ উৎপাদনে সম্পাদকীয় ছাপিয়েছিল। ২০১৩ সালে শাহবাগের ফ্যাসিবাদের পক্ষে দালালি করা পত্রিকাটির সম্পাদক মতিউর রহমান সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াকে ‘চ্যালেঞ্জ’ বলে উল্লেখ করেছেন। কারণ, সম্ভবত সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তার পত্রিকা ওয়ান ইলেভেনের মতো গণবিরোধী ফ্রেমিং ও বয়ান প্রতিষ্ঠা করতে এখন ব্যর্থ হচ্ছে। কৌতুকের বিষয়, চব্বিশের ২৬ জুলাই ডেইলি স্টারে এক কলামে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে দমনে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে সহায়তা করতে উদগ্রীব সম্পাদক মাহফুজ আনাম আজ কোনো কোনো জুলাই নায়কের ‘কমরেড’ বনে গেছেন!
হেফাজত নেতারা বলেন, নিকট অতীতে দিগন্ত টিভি বন্ধ করে শত শত সাংবাদিককে নিমিষে বেকার করে দেয়া হয়েছিল; সংগ্রাম পত্রিকার অফিস ভাঙচুর করে প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদকে লাঞ্ছিত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল; নয়া দিগন্তের অফিসে আগুন লাগানো হয়েছিল। সেসময় সুশীল নাগরিক সমাজ প্রতিবাদে রাস্তায় নামলে আজকে তারা নৈতিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতেন না।
তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে ‘জঙ্গি’ ন্যারেটিভের গডফাদার প্রথম আলো। আর তার দোসর ডেইলি স্টার সেসব ন্যারেটিভ বিদেশিদের গলাধঃকরণ করিয়েছে। এভাবে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে এদেশের অগণিত আলেম, মাদরাসাছাত্র ও ধর্মপ্রাণ তরুণকে ‘জঙ্গিবাদে’র তকমা দিয়ে জেল-জুলুমের সম্মতি উৎপাদন করা হয়েছিল। এর দায় পত্রিকা দুটি কখনো এড়াতে পারে না। ওয়ান ইলেভেনের সময় পত্রিকা দুটির গণবিরোধী ভূমিকা আজও আমাদের জন্য সতর্কতা। প্রথম আলো-ডেইলি স্টার নিছক গণমাধ্যম নয়, বরং এদেশে দিল্লির সাউথ ব্লকের এজেন্ডা ও বিশেষ মতাদর্শিক রাজনীতির ফুটসোলজার হিসেবে ভাড়া খাটা প্রতিষ্ঠান। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশপন্থি ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জারি থাকবে ইনশাআল্লাহ।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় কোনো নিরীহ সমালোচনাকারীকে গ্রেপ্তার বা নির্যাতন করা যাবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে হেফাজত আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে থাকা নিরীহ ব্যক্তিদের মুক্তি দাবি জানান। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে একজনের পরিচয়ে মাদরাসার নাম উল্লেখ করার বিষয়টিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে নিন্দা জানান।
তারা দাবি জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে যারা নিরীহ সমালোচনাকারী, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় ভারতপন্থি পত্রিকা দুটির ওপর বাংলাদেশপন্থি ছাত্র-জনতার ক্ষোভ বাড়বে বৈ কমবে না।
তারা আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান গ্রেপ্তার হলে প্রথম আলো সেটির ‘ন্যায্যতা’ উৎপাদনে সম্পাদকীয় ছাপিয়েছিল। ২০১৩ সালে শাহবাগের ফ্যাসিবাদের পক্ষে দালালি করা পত্রিকাটির সম্পাদক মতিউর রহমান সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াকে ‘চ্যালেঞ্জ’ বলে উল্লেখ করেছেন। কারণ, সম্ভবত সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তার পত্রিকা ওয়ান ইলেভেনের মতো গণবিরোধী ফ্রেমিং ও বয়ান প্রতিষ্ঠা করতে এখন ব্যর্থ হচ্ছে। কৌতুকের বিষয়, চব্বিশের ২৬ জুলাই ডেইলি স্টারে এক কলামে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে দমনে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে সহায়তা করতে উদগ্রীব সম্পাদক মাহফুজ আনাম আজ কোনো কোনো জুলাই নায়কের ‘কমরেড’ বনে গেছেন!
হেফাজত নেতারা বলেন, নিকট অতীতে দিগন্ত টিভি বন্ধ করে শত শত সাংবাদিককে নিমিষে বেকার করে দেয়া হয়েছিল; সংগ্রাম পত্রিকার অফিস ভাঙচুর করে প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদকে লাঞ্ছিত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল; নয়া দিগন্তের অফিসে আগুন লাগানো হয়েছিল। সেসময় সুশীল নাগরিক সমাজ প্রতিবাদে রাস্তায় নামলে আজকে তারা নৈতিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতেন না।
তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে ‘জঙ্গি’ ন্যারেটিভের গডফাদার প্রথম আলো। আর তার দোসর ডেইলি স্টার সেসব ন্যারেটিভ বিদেশিদের গলাধঃকরণ করিয়েছে। এভাবে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে এদেশের অগণিত আলেম, মাদরাসাছাত্র ও ধর্মপ্রাণ তরুণকে ‘জঙ্গিবাদে’র তকমা দিয়ে জেল-জুলুমের সম্মতি উৎপাদন করা হয়েছিল। এর দায় পত্রিকা দুটি কখনো এড়াতে পারে না। ওয়ান ইলেভেনের সময় পত্রিকা দুটির গণবিরোধী ভূমিকা আজও আমাদের জন্য সতর্কতা। প্রথম আলো-ডেইলি স্টার নিছক গণমাধ্যম নয়, বরং এদেশে দিল্লির সাউথ ব্লকের এজেন্ডা ও বিশেষ মতাদর্শিক রাজনীতির ফুটসোলজার হিসেবে ভাড়া খাটা প্রতিষ্ঠান। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশপন্থি ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জারি থাকবে ইনশাআল্লাহ।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৫ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১০ ঘণ্টা আগে