স্থলপথে বস্ত্র-পাটজাত আরও ৪ পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৫, ২২: ২৫
বেনাপোল স্থলবন্দরে অপেক্ষমাণ ট্রাকের সারি। ফাইল ছবি

আগের ৯ ধরনের পণ্যের পর এবার বাংলাদেশ থেকে বস্ত্র ও পাটজাত আরও চার ধরনের পণ্য স্থলপথে আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। বাংলাদেশ থেকে এসব পণ্য রপ্তানি করতে চাইলে কেবল ভারতের নভোসেবা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করা যাবে।

সোমবার (১১ আগস্ট) ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে।

নতুন যে চার ধরনের পণ্য স্থলপথে আমদানিতে ভারত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেগুলো হলো— পাট কিংবা অন্য কোনো ধরনের উদ্ভিজ্জ তন্তু থেকে উৎপাদিত কাপড়; পাট দিয়ে তৈরি দড়ি, রশি, সুতলি ইত্যাদি; অন্য তন্তু দিয়ে তৈরি দড়ি, রশি, সুতলি ইত্যাদি; এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ।

ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক অধিদপ্তর ডিজিএফটির অতিরিক্ত সচিব অজয় ভাদুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব পণ্য বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কোনো স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে না। এগুলো আমদানি করতে চাইলে কেবল মহারাষ্ট্রের নভোসেবা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করা যাবে।

এর আগে গত ২৭ জুন বাংলাদেশ থেকে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ করা পণ্যের তালিকায় রাখা হয় মূলত বস্ত্র ও পাটজাত পণ্য। এর মধ্যে রয়েছে— কাঁচা পাট, পাটের রোল, পাটের সুতা, একাধিক ভাঁজের বোনা কাপড়, একক শণ সুতা, পাটের একক সুতা ও ওভেন কাপড়।

ওই নিষেধাজ্ঞার বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়, দুই দেশের সীমান্তের কোনো স্থলবন্দর দিয়েই পণ্যগুলো আমদানি করা যাবে না। আমদানি করা যাবে কেবল নভোসেবা সমুদ্রবন্দর দিয়ে।

ভারতের ডিজিএফটি আরও জানায়, বাংলাদেশ থেকে ভারত হয়ে নেপাল বা ভুটানে এসব পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। তবে নেপাল বা ভুটানের মাধ্যমে আবার এসব পণ্য বাংলাদেশ থেকে পুনরায় ভারতে রপ্তানির সুযোগ থাকবে না।

সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগের বিজ্ঞপ্তির এসব শর্ত নতুন যুক্ত হওয়া চার ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ এসব পণ্যও ভারতকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে স্থলপথে নেপাল বা ভুটানে রপ্তানি করতে পারবে বাংলাদেশ। একইভাবে সেগুলো আবার নেপাল বা ভুটানের মাধ্যমে ভারতে পুনরায় রপ্তানি করা যবে না।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

ভেজাল ওষুধ ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তিনি বলেন, নকল ও ভেজাল ওষুধের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩ ঘণ্টা আগে

বন্যা-ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

দেশে অতি বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢলে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ৭ জেলায় এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে দেড় লাখের বেশি পরিবার। এ ছাড়া বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে।

৪ ঘণ্টা আগে

মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যয় বৃদ্ধির অভিযোগ তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, ইসলামের নাম ব্যবহার করে যারা অনিয়ম করেছে, তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এ জন্য প্রতিটি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ, প্রকল্প ব্যয় ও সংশ্লিষ্ট বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করতে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হবে।

৪ ঘণ্টা আগে

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

৪ ঘণ্টা আগে