
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ জনকে ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা এবং দেশ গঠনে সামগ্রিক অবদানের জন্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্য ১৪ জন ব্যক্তি হলেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
এ ছাড়া পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো— মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
উল্লেখ্য, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’ বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ব্যক্তি ছাড়াও বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ জনকে ২০২৬ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা এবং দেশ গঠনে সামগ্রিক অবদানের জন্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্য ১৪ জন ব্যক্তি হলেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
এ ছাড়া পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো— মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
উল্লেখ্য, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’ বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ব্যক্তি ছাড়াও বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ‘অবৈধ’ বাংলাদেশি সন্দেহে ধড়পাকড় ও ক্রমাগত ‘পুশব্যাক’ ও ‘পুশব্যাকের হুমকি’র মধ্যেই এই সীমান্ত সম্মেলন হতে যাচ্ছে। চলমান এসব ঘটনাসহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে বিজেপির অভিষেকের প্রেক্ষাপটে এবারের এই সম্মেলন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই দেশের সব দোকানপাট, শপিং মল ও মার্কেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। গত এপ্রিলের শুরুতেই একই নির্দেশনা কার্যকর হয়েছিল। পরে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এলে আমরাও দ্রুত সমন্বয় করার চেষ্টা করবো। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে। মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বন কর্মকর্তারা জানান, পর্যটক ও বনজীবীদের নৌযান চলাচলের কারণে বন্য প্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজনন ব্যাহত হয়। তিন মাস বনকে নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশ দেয়া গেলে মাছ, গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য আরও সমৃদ্ধ হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে