
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া কমাতে এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে সরকার শিশুদের জন্য মিড ডে মিল ও স্কুল ড্রেস প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা) জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ড্রপ আউটের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সবার আগে শিশুদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে শিশুদের স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা হবে এবং এ বছরের মধ্যে সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হবে।’
মন্ত্রী বলেন, আমাদের যে পরিকল্পনা, সে অনুযায়ী একটি স্কুলও খাবারবিহীন থাকবে না। একটি স্কুলও টেবিল ছাড়া থাকবে না। কোনো শিক্ষার্থী স্কুল ড্রেস ছাড়া থাকবে না। শিক্ষাকে আনন্দময় করতে খেলাধুলাকে কারিকুলামে যুক্ত করা হবে, শিক্ষার্থীরা যাতে হাসতে হাসতে শিখতে পারে সেজন্য সকল পদক্ষেপ নেবে সরকার।
তিনি আরও বলেন, সামনের দিনে তারা এগিয়ে যাবে। আমরা দেখতে চাই না, তারা ব্যাগভর্তি বই নিয়ে শিশুরা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। তারা হাসতে হাসতে খেলতে খেলতে প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে আগামী দিনের বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। শিশুরাই আগামীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ববি হাজ্জাজ। মাহদী আমিন বলেন, সরকার এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেন শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমত বিষয় নিয়ে নিজেকে তৈরি করতে পারে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া কমাতে এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে সরকার শিশুদের জন্য মিড ডে মিল ও স্কুল ড্রেস প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা) জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ড্রপ আউটের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সবার আগে শিশুদের শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে শিশুদের স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করা হবে এবং এ বছরের মধ্যে সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হবে।’
মন্ত্রী বলেন, আমাদের যে পরিকল্পনা, সে অনুযায়ী একটি স্কুলও খাবারবিহীন থাকবে না। একটি স্কুলও টেবিল ছাড়া থাকবে না। কোনো শিক্ষার্থী স্কুল ড্রেস ছাড়া থাকবে না। শিক্ষাকে আনন্দময় করতে খেলাধুলাকে কারিকুলামে যুক্ত করা হবে, শিক্ষার্থীরা যাতে হাসতে হাসতে শিখতে পারে সেজন্য সকল পদক্ষেপ নেবে সরকার।
তিনি আরও বলেন, সামনের দিনে তারা এগিয়ে যাবে। আমরা দেখতে চাই না, তারা ব্যাগভর্তি বই নিয়ে শিশুরা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। তারা হাসতে হাসতে খেলতে খেলতে প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে আগামী দিনের বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। শিশুরাই আগামীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ববি হাজ্জাজ। মাহদী আমিন বলেন, সরকার এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেন শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমত বিষয় নিয়ে নিজেকে তৈরি করতে পারে।

সংসদ নেতা বলেন, ‘বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক একটি পরিবেশ বিরাজ করছে, বাক্স্বাধীনতা অবারিত। কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার, বাক্স্বাধীনতা যেন বাক্শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে।’
১৪ ঘণ্টা আগে
তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর পানি নিয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিস্তা সমস্যার সমাধান না হলে উত্তরবঙ্গের মানুষের কষ্ট দূর হবে না। তিনি দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি ন্যায়সংগত ও টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বা
১৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এ অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন হয়েছে এবং ছয়টি বিল পাসও করা হয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়। এ ছাড়া একটি বিশেষ কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১৫ ঘণ্টা আগে