
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী-শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং বৃত্তি কার্যক্রম চালু হলে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত ‘পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ১১৬টির মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমও মানসম্মত। তবে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের শিক্ষা সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ সহযোগিতা এবং এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু করা যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকারও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি দিয়ে থাকে। তবে পাকিস্তানের এ বৃত্তি কার্যক্রমটি ভিন্ন, কারণ এখানে পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হচ্ছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের আরও বেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে।’
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া একটি বড় সম্ভাবনা। সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এ সুযোগ কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডর’ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০টি বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ইমরান হায়দার বলেন, প্রথম ধাপে বাংলাদেশের ৭৪ জন শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শুরু করেছেন। তাঁরা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানোপ্রযুক্তি, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান ও উদীয়মান প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
তিনি আরও বলেন, এসব বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের পূর্ণ টিউশন ফি, আবাসন সুবিধা, মাসিক ভাতা, এককালীন সহায়তা ও যাতায়াত ব্যয় বহন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, আগামী ১০ দিনে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশন ও অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে শিক্ষা মেলার আয়োজন করবে। এ ছাড়া দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, গবেষণা সহযোগিতা, সম্মেলন ও শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী-শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং বৃত্তি কার্যক্রম চালু হলে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত ‘পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ১১৬টির মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমও মানসম্মত। তবে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের শিক্ষা সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ সহযোগিতা এবং এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু করা যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকারও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি দিয়ে থাকে। তবে পাকিস্তানের এ বৃত্তি কার্যক্রমটি ভিন্ন, কারণ এখানে পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হচ্ছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের আরও বেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে।’
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া একটি বড় সম্ভাবনা। সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এ সুযোগ কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডর’ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০টি বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ইমরান হায়দার বলেন, প্রথম ধাপে বাংলাদেশের ৭৪ জন শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শুরু করেছেন। তাঁরা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানোপ্রযুক্তি, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান ও উদীয়মান প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
তিনি আরও বলেন, এসব বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের পূর্ণ টিউশন ফি, আবাসন সুবিধা, মাসিক ভাতা, এককালীন সহায়তা ও যাতায়াত ব্যয় বহন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, আগামী ১০ দিনে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশন ও অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে শিক্ষা মেলার আয়োজন করবে। এ ছাড়া দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, গবেষণা সহযোগিতা, সম্মেলন ও শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এ দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এস কে সুরকে কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজতখানা থেকে তাকে পৌনে ১১টার দিকে এজলাসে তুলে আসামির কাঠগড়ায় রাখা হয়। পরে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
৩৩ মিনিট আগে
পরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ে দিনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ও কার্যক্রমে যেন কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে, সে লক্ষ্যেই স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে বঙ্গভবনের কার্যক্রম।
৪১ মিনিট আগে
বিআরটিএ জানিয়েছে, জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি মানদণ্ড সংস্থাটির স্থানীয় কার্যালয় ও ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। নতুন রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেস সনদ নবায়নের আবেদন করার সময় সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ কার্যালয়ে জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিভাইসটির কার্যকারিতা দেখাতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সারা দেশে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব উদ্যোগের আওতায় কঠোর আইন প্রয়োগ, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং, পেশাগত সংস্কার এবং একাধিক সংস্থার সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে