
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুঝুঁকি মোকাবিলায় দেশব্যাপী বিশেষ গণটিকা কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। গত এক মাসে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দুই শতাধিক শিশুর মৃত্যু ও ২২ হাজারের বেশি শিশুর সংক্রমিত হওয়ার সরকারের পক্ষ থেকে এ জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জিন্দাপার্কে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তৃতীয় দফার এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিটি করপোরেশনগুলোতে আগামী ২০ মে পর্যন্ত ও দেশের অন্যান্য এলাকায় ১২ মে পর্যন্ত এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে। সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি দিনগুলোতে সকাল ৮টা থেকে সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা দেওয়া হবে।
হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল ১৮ জেলার উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে সরকার। পরে ১২ এপ্রিল এ কর্মসূচি ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় সম্প্রসারিত করা হয়। এবার তৃতীয় ধাপে সারা দেশেই শিশুরা পাবে হামের টিকা।
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কেন্দ্রীয় কার্যালয় জানিয়েছে, নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন, ইবতেদায়ি মাদরাসা, মক্তব, এতিমখানা ও শিশু আশ্রমে অধ্যয়নরত পাঁচ বছরের কম বয়সী ছাত্রছাত্রীদের সেখানে গিয়েই টিকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের হাসপাতাল এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্থায়ী কেন্দ্র পরিচালিত হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন এসব কেন্দ্র থেকে শিশুদের রুটিন টিকাও দেওয়া যাবে।
বিশেষ নির্দেশনা

হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুঝুঁকি মোকাবিলায় দেশব্যাপী বিশেষ গণটিকা কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। গত এক মাসে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দুই শতাধিক শিশুর মৃত্যু ও ২২ হাজারের বেশি শিশুর সংক্রমিত হওয়ার সরকারের পক্ষ থেকে এ জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জিন্দাপার্কে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তৃতীয় দফার এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিটি করপোরেশনগুলোতে আগামী ২০ মে পর্যন্ত ও দেশের অন্যান্য এলাকায় ১২ মে পর্যন্ত এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে। সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি দিনগুলোতে সকাল ৮টা থেকে সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা দেওয়া হবে।
হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল ১৮ জেলার উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে সরকার। পরে ১২ এপ্রিল এ কর্মসূচি ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় সম্প্রসারিত করা হয়। এবার তৃতীয় ধাপে সারা দেশেই শিশুরা পাবে হামের টিকা।
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কেন্দ্রীয় কার্যালয় জানিয়েছে, নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন, ইবতেদায়ি মাদরাসা, মক্তব, এতিমখানা ও শিশু আশ্রমে অধ্যয়নরত পাঁচ বছরের কম বয়সী ছাত্রছাত্রীদের সেখানে গিয়েই টিকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের হাসপাতাল এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্থায়ী কেন্দ্র পরিচালিত হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন এসব কেন্দ্র থেকে শিশুদের রুটিন টিকাও দেওয়া যাবে।
বিশেষ নির্দেশনা

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৭ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে