
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সপ্তম জাতীয় উপদেষ্টা সম্মেলন কলম্বো নিরাপত্তা কনক্লেভে বক্তব্যকালে এ কথা জানান তিনি।
উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার মূল্যবোধকে সমর্থন করে। সেই সঙ্গে উন্মুক্ত, শান্তিপূর্ণ, সুরক্ষিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত মহাসাগরের মূল্যবোধ ও নীতিমালাকেও সমর্থন করে বাংলাদেশ। এজন্য আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে টেকসই উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবিক পদক্ষেপ এবং মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ভুয়া ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের (মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন) হুমকির সম্মুখীন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অঙ্গীকার হলো নিজস্ব সাইবারস্পেস, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও প্রযুক্তিকে সুরক্ষিত রাখা। শুধু নাগরিকদের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যই নয়, বরং এটিও নিশ্চিত করার জন্য যে, বাংলাদেশ থেকে কোনো কর্মকাণ্ড যেন আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য হুমকিস্বরূপ না হয়।

ঢাকা সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সপ্তম জাতীয় উপদেষ্টা সম্মেলন কলম্বো নিরাপত্তা কনক্লেভে বক্তব্যকালে এ কথা জানান তিনি।
উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার মূল্যবোধকে সমর্থন করে। সেই সঙ্গে উন্মুক্ত, শান্তিপূর্ণ, সুরক্ষিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত মহাসাগরের মূল্যবোধ ও নীতিমালাকেও সমর্থন করে বাংলাদেশ। এজন্য আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে টেকসই উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, মানবিক পদক্ষেপ এবং মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ভুয়া ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের (মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন) হুমকির সম্মুখীন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অঙ্গীকার হলো নিজস্ব সাইবারস্পেস, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও প্রযুক্তিকে সুরক্ষিত রাখা। শুধু নাগরিকদের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যই নয়, বরং এটিও নিশ্চিত করার জন্য যে, বাংলাদেশ থেকে কোনো কর্মকাণ্ড যেন আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য হুমকিস্বরূপ না হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট— দুটিই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সমর্থন দিয়েছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে তারা প্রচার চালাবে বলে তার বিশ্বাস। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে।”
৭ ঘণ্টা আগে
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যদি অতীতের মতো শাসন দেখতে না চাই, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-সূচক ভোট দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। যখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠবে, তখন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, দেশের মর্যাদা এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা—এসব বিষয়ে আমরা কোনো আপস করব না। আমরা অবশ্যই ক্রিকেট খেলতে চাই, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। অন্য একটি আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কাও আছে, সেখানে আমরা খেলতে ইচ্ছুক।’
৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশের ১৪ জন কর্মকর্তার পদায়ন ও বদলি করা হয়েছে। আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
৯ ঘণ্টা আগে