
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া ছয় নবজাতকের প্রত্যেকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৮০ লাখ টাকা করে পরিশোধ করতে সম্মত হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিবারগুলোর সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ আলোচনায় ক্ষতিপূরণের এ অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির।
এদিকে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছিল, তার জবাব দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও ৪৮ ঘণ্টা, তথা আগামী ৯ জুন পর্যন্ত সময় চেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালের অনুরোধে নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তাদের বাড়তি এ সময় দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সুপ্রিম কোর্টে নিজ চেম্বারে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান আইনজীবী শিশির মনির। এর আগে গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগের দিন ভোরে এই হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে থাকা ছয় শিশু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। সকাল নাগাদ একে একে তাদের সবার মৃত্যু হয়।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেন তিনি।
এরই মধ্যে ক্ষতিপূরণের অংশ হিসেবে ১০ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান শিশির মনির। যমজ সন্তান হারানো একটি পরিবারকে ৮০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ঈদুল আজহার আগের দিনের মর্মান্তিক এ ঘটনায় সারা দেশে শোক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠন করা তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়।
৪ জুন জমা দেওয়া ওই প্রতিবেদনে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা ও কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা এবং বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ভিকটিমদের পরিবার, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের বক্তব্য পর্যালোচনা এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় তদন্ত কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে গত ২৭ মে ভোরে আনুমানিক ৫টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ওই সময়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকা এবং নার্স-স্টাফ ও সর্বোপরি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অবহেলাজনিত বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। অবহেলাজনিত কারণে ছয় নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এই নোটিশের জবাব দিতেই আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া ছয় নবজাতকের প্রত্যেকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৮০ লাখ টাকা করে পরিশোধ করতে সম্মত হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিবারগুলোর সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যৌথ আলোচনায় ক্ষতিপূরণের এ অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির।
এদিকে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছিল, তার জবাব দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও ৪৮ ঘণ্টা, তথা আগামী ৯ জুন পর্যন্ত সময় চেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালের অনুরোধে নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তাদের বাড়তি এ সময় দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সুপ্রিম কোর্টে নিজ চেম্বারে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান আইনজীবী শিশির মনির। এর আগে গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগের দিন ভোরে এই হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে থাকা ছয় শিশু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। সকাল নাগাদ একে একে তাদের সবার মৃত্যু হয়।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেন তিনি।
এরই মধ্যে ক্ষতিপূরণের অংশ হিসেবে ১০ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান শিশির মনির। যমজ সন্তান হারানো একটি পরিবারকে ৮০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ঈদুল আজহার আগের দিনের মর্মান্তিক এ ঘটনায় সারা দেশে শোক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠন করা তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়।
৪ জুন জমা দেওয়া ওই প্রতিবেদনে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা ও কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা এবং বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ভিকটিমদের পরিবার, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের বক্তব্য পর্যালোচনা এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় তদন্ত কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে গত ২৭ মে ভোরে আনুমানিক ৫টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ওই সময়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকা এবং নার্স-স্টাফ ও সর্বোপরি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অবহেলাজনিত বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের দিনই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। অবহেলাজনিত কারণে ছয় নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এই নোটিশের জবাব দিতেই আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জৈন ধর্ম মানুষের মুক্তির জন্য নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই ধর্ম অনুযায়ী, বন্দি অবস্থা থেকে আত্মার মুক্তির উপায় তিনটি— সম্যগ দর্শন বা সত্যের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, সম্যগজ্ঞান বা সংশয়শূন্য ও ভ্রমমুক্ত বিশদ জ্ঞান এবং সম্যগ চারিত্র বা হিত আচরণে প্রবৃত্ত হওয়া এবং অহিতকর আচরণ থেকে সম্প
৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেল এবং আত্মীয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় নবগঠিত কয়েকটি ইউনিয়নের নামকরণের অভিযোগের পর এবার তার নামে একটি স্কুলের নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা সচিবের কাছে পাঠানো এক পত্রে এই প্রস্তাব নাকচ করেছেন তিনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ পারস্পরিক আলোচনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছা
১৫ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত ১৫ জুন বগুড়া প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এবং ‘দ্য নিউ নেশন’ পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশকসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন। পরে বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সদর থ
১৬ ঘণ্টা আগে