
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

টানা ভারী বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই আজ সোমবার সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলায় এ দিন পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়। দেশের অন্য অনেক এলাকায় চরম দুর্ভোগের মধ্যেও পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে যেতে হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা কর্তৃপক্ষের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সমালোচনা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুরু হয়েছে আলোচনা। অনেকেই আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। কোথাও কোমরসমান পানি পেরিয়ে, কোথাও নৌকায়, আবার কোথাও ভ্যানগাড়িতে করে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হয়েছে তাদের। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ ও মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন।
এদিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ক্লাস কার্যক্রম চালু রাখা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক অভিভাবক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাদের একজন বলেন, ‘এমন বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পাবলিক পরীক্ষা স্থগিত করা প্রয়োজন ছিল। এটা সত্য যে, যেহেতু এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের সময় এমন পরিস্থিতির কথা ধারণা করা সম্ভব ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃপক্ষও হয়তো মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি যথাযথভাবে অনুমান করতে পারেনি। আবার পরীক্ষা স্থগিত বা বাতিল করা যে বড় ধরনের প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, সেটিও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কারণ শিক্ষা প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে এ বিষয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব পালন করতে হয়।’
তবে এসব বাস্তবতা স্বীকার করেও ওই অভিভাবক মনে করেন, পরীক্ষার্থীদের স্বার্থকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। তার ভাষায়, ‘পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে গিয়ে অনেকের পোশাক ভিজে গেছে, প্রবেশপত্র ভিজেছে। এতে জ্বর বা ঠান্ডা লাগলে পরবর্তী পরীক্ষাগুলো দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানসিক চাপ।’
তিনি আরও বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে একজন পরীক্ষার্থী কীভাবে কেন্দ্রে পৌঁছাবে, কীভাবে স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষায় অংশ নেবে— সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। আর এসব পরীক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ অনেকাংশেই এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। তাই সব ধরনের ঝামেলা ও জটিলতা মেনে নিয়েও পরীক্ষা স্থগিত করা উচিত ছিল। আজ যা হয়েছে, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।’
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। অনেক নেটিজেনের মতে, দেশের একাধিক অঞ্চলে বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য সমান পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তাই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা কর্তৃপক্ষের আরও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।

টানা ভারী বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই আজ সোমবার সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলায় এ দিন পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়। দেশের অন্য অনেক এলাকায় চরম দুর্ভোগের মধ্যেও পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে যেতে হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা কর্তৃপক্ষের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সমালোচনা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুরু হয়েছে আলোচনা। অনেকেই আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। কোথাও কোমরসমান পানি পেরিয়ে, কোথাও নৌকায়, আবার কোথাও ভ্যানগাড়িতে করে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হয়েছে তাদের। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ ও মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন।
এদিকে টানা ভারী বৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ক্লাস কার্যক্রম চালু রাখা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক অভিভাবক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাদের একজন বলেন, ‘এমন বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পাবলিক পরীক্ষা স্থগিত করা প্রয়োজন ছিল। এটা সত্য যে, যেহেতু এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের সময় এমন পরিস্থিতির কথা ধারণা করা সম্ভব ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃপক্ষও হয়তো মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি যথাযথভাবে অনুমান করতে পারেনি। আবার পরীক্ষা স্থগিত বা বাতিল করা যে বড় ধরনের প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, সেটিও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কারণ শিক্ষা প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে এ বিষয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব পালন করতে হয়।’
তবে এসব বাস্তবতা স্বীকার করেও ওই অভিভাবক মনে করেন, পরীক্ষার্থীদের স্বার্থকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। তার ভাষায়, ‘পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে গিয়ে অনেকের পোশাক ভিজে গেছে, প্রবেশপত্র ভিজেছে। এতে জ্বর বা ঠান্ডা লাগলে পরবর্তী পরীক্ষাগুলো দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানসিক চাপ।’
তিনি আরও বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে একজন পরীক্ষার্থী কীভাবে কেন্দ্রে পৌঁছাবে, কীভাবে স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষায় অংশ নেবে— সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। আর এসব পরীক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ অনেকাংশেই এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। তাই সব ধরনের ঝামেলা ও জটিলতা মেনে নিয়েও পরীক্ষা স্থগিত করা উচিত ছিল। আজ যা হয়েছে, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।’
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছে। অনেক নেটিজেনের মতে, দেশের একাধিক অঞ্চলে বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য সমান পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তাই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা কর্তৃপক্ষের আরও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।

এদিকে, হলে ঢুকতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাওহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবারের সংঘর্ষের সময় তিনি হল ছেড়ে বেরিয়ে যান।
১৮ ঘণ্টা আগে
শহিদ মিনারের সমাবেশে আন্দোলনকারীদের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, ‘এ সরকারের কোনোভাবেই আর এক মিনিট ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করলেই হবে না; বরং খুন, লুটপাট, দুর্নীতি এদেশে হয়েছে তার বিচার হতে হবে। আমরা পদত্যাগ দিয়ে তাকে এক্সিট রুট দিতে চাই না। তাকে পদত্যাগও করতে হবে, বিচা
১৮ ঘণ্টা আগে
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যরা দ্রুত মঞ্চের সামনে অবস্থান নেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্
২০ ঘণ্টা আগে