
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ে বরিশাল ও খুলনা বিভাগসহ দক্ষিণের ২১ জেলায় ব্ল্যাক আউটের ঘটনায় কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। বুয়েটের উপউপাচার্য ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরীকে এ কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানান, তদন্ত কমিটিতে আটজন সদস্য রাখা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, একটি ফল্ট হলো। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। পরে ভেড়ামারা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ দেওয়া শুরু করল। ৪০ মিনিটের মধ্যে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হলো।
এর আগে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। খুলনা বিভাগের ১০টি ও বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলা ছাড়াও ঢাকা বিভাগের পাঁচটি জেলায় দেখা দেয় ব্ল্যাক আউট।
শনিবারের এ ঘটনায় সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে বলেও জানান উপদেষ্টা। বলেন, এগুলোর বেশির ভাগই কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র। এগুলো একবার বন্ধ হয়ে গেলে চালু হতে সময় লাগে।
এ ছাড়া শনিবার বিকেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্ন হওয়ায় ঢাকায় মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়। এর কারণ খতিয়ে দেখতে অধ্যাপক শামসুল হককে প্রধান করে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
রোববারের সংবাদ সম্মেলনেও বিদ্যুৎ উপদেষ্টা শহর ও গ্রামে সমানভাবে লোডশেডিং দেওয়া ও তা সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টার কথা জানান। তিনি বলেন, আপনার বাড়িতে নানা কারণে বিদ্যুৎ নাও থাকতে পারে। এর একটি কারণ লোডশেডিং হবে। এটা আমি প্রথমেই বলছি। শহরে লোডশেডিং হবে, গ্রামেও হবে।
লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালনে জটিলতার ক্ষেত্রে আগের সরকারের আমলের দুর্নীতির ভূমিকা রয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। বলেন, অনেক সময় কারও বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকার কারণ ট্রান্সমিশনটা ফিউজ হয়ে যাওয়া। আমি তো অস্বীকার করছি না যে লোডশেডিং হচ্ছে না। ব্যাপক যে দুর্নীতি হয়েছে ট্রান্সমিশনে, বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের পণ্য ব্যবহার করেছে, এগুলোর কারণেই হচ্ছে।
এখন সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে জানিয়ে ফাওজুল কবির খান বলেন, পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছি যে লোডশেডিং সমানভাবে করতে হবে। শহর ও গ্রামে সমানভাবে করতে নির্দেশ দিয়েছি। ১৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এখন পর্যন্ত উৎপাদন করছি। এরপরে ডিমান্ড তো আরও বাড়বে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বিপিডিবি আর্থিকভাবে লোকসানি প্রতিষ্ঠান। এর কারণে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কিছুটা চালাচ্ছি, সবগুলো চালাচ্ছি না। ডিমান্ড বাড়লে হয়তো আরও তেলভিত্তিক কেন্দ্র চালু করব। উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও আমাদের আর্থিক সক্ষমতা নেই।

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ে বরিশাল ও খুলনা বিভাগসহ দক্ষিণের ২১ জেলায় ব্ল্যাক আউটের ঘটনায় কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। বুয়েটের উপউপাচার্য ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরীকে এ কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানান, তদন্ত কমিটিতে আটজন সদস্য রাখা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, একটি ফল্ট হলো। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। পরে ভেড়ামারা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ দেওয়া শুরু করল। ৪০ মিনিটের মধ্যে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হলো।
এর আগে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। খুলনা বিভাগের ১০টি ও বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলা ছাড়াও ঢাকা বিভাগের পাঁচটি জেলায় দেখা দেয় ব্ল্যাক আউট।
শনিবারের এ ঘটনায় সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে বলেও জানান উপদেষ্টা। বলেন, এগুলোর বেশির ভাগই কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র। এগুলো একবার বন্ধ হয়ে গেলে চালু হতে সময় লাগে।
এ ছাড়া শনিবার বিকেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্ন হওয়ায় ঢাকায় মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়। এর কারণ খতিয়ে দেখতে অধ্যাপক শামসুল হককে প্রধান করে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
রোববারের সংবাদ সম্মেলনেও বিদ্যুৎ উপদেষ্টা শহর ও গ্রামে সমানভাবে লোডশেডিং দেওয়া ও তা সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টার কথা জানান। তিনি বলেন, আপনার বাড়িতে নানা কারণে বিদ্যুৎ নাও থাকতে পারে। এর একটি কারণ লোডশেডিং হবে। এটা আমি প্রথমেই বলছি। শহরে লোডশেডিং হবে, গ্রামেও হবে।
লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালনে জটিলতার ক্ষেত্রে আগের সরকারের আমলের দুর্নীতির ভূমিকা রয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। বলেন, অনেক সময় কারও বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকার কারণ ট্রান্সমিশনটা ফিউজ হয়ে যাওয়া। আমি তো অস্বীকার করছি না যে লোডশেডিং হচ্ছে না। ব্যাপক যে দুর্নীতি হয়েছে ট্রান্সমিশনে, বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের পণ্য ব্যবহার করেছে, এগুলোর কারণেই হচ্ছে।
এখন সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে জানিয়ে ফাওজুল কবির খান বলেন, পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছি যে লোডশেডিং সমানভাবে করতে হবে। শহর ও গ্রামে সমানভাবে করতে নির্দেশ দিয়েছি। ১৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এখন পর্যন্ত উৎপাদন করছি। এরপরে ডিমান্ড তো আরও বাড়বে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বিপিডিবি আর্থিকভাবে লোকসানি প্রতিষ্ঠান। এর কারণে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কিছুটা চালাচ্ছি, সবগুলো চালাচ্ছি না। ডিমান্ড বাড়লে হয়তো আরও তেলভিত্তিক কেন্দ্র চালু করব। উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও আমাদের আর্থিক সক্ষমতা নেই।

সংবিধান অনুযায়ী যেহেতু রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকার বরাবরই পদত্যাগপত্র দিতে হয় এবং রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করতে হয় সেই স্পিকারকেই, এ অবস্থায় চিকিৎসা-সফর সংক্ষিপ্ত করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের তড়িঘড়ি করে দেশে ফেরার খবরে দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন অনেকেই।
১১ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। এ ছাড়া নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত স্পিকারকেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বও পালন করতে হয়। ফলে স্পিকারের তড়িঘড়ি করে দেশে ফেরার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
১৬ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং পরে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন।
১৮ ঘণ্টা আগে