
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকার পেছনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ‘ভুল নীতি’র দায় রয়েছে বলে মনে করছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। অন্তর্বর্তী সরকার এটি নিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা এ কথা বলেন। যেসব দেশের জন্য ভিসা বন্ড শর্ত প্রযোজ্য, মঙ্গলবার সেসব দেশের তালিকা প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ভিসা বন্ডের সেই তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। এই শর্তের ফলে বাংলাদেশ থেকে পর্যটক বা ব্যবসার কাজে যুক্তরাষ্ট্র যেতে হলে বি-১ বা বি-২ ক্যাটাগরির ভিসা আবেদনের জন্য ৫ হাজার ডলার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত অঙ্ক বন্ড বা জামানত হিসেবে গুণতে হবে। ফলে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত রাখতে হবে ভিসার জন্য।
তৌহিদ হোসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা গ্রহণের তালিকায় বাংলাদেশিরা শীর্ষে রয়েছেন। সে কারণেই ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশের নাম এসেছে। দেশটির এমন সিদ্ধান্তের দায় অন্তর্বর্তী সরকার নেবে না।
তিনি আরও বলেন, আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং ইমিগ্রেশনে যাদের সমস্যা আছে তাদের সবার জন্য। এটি অস্বাভাবিক না হলেও দুঃখজনক ও কষ্টদায়ক। বন্ডের তালিকায় নাম ওঠার পেছনে পূর্ববর্তী সরকারের দায় রয়েছে; তারা সঠিক নীতিনির্ধারণ করতে পারেনি। বর্তমান সরকার এটি সমাধানের চেষ্টা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড মূলত আর্থিক জামানত, যা কিছু নির্দিষ্ট দেশের উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ বি-১ বা বি-২ ক্যাটাগরিতে ভিসা আবেদনকারীদের জন্য শর্ত হিসেবে প্রযোজ্য হয়। সাধারণত ভ্রমণ বা ব্যবসায় কাজে ভিসা নিতে হলে এসব ক্যাটাগরির ভিসা প্রয়োজন হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, ভিসা বন্ডের মাধ্যমে ভুসা পাওয়া ব্যক্তি ভিসার শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ না করলে বন্ড বা জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হতে পারে। শর্ত পূরণ করলে এই বন্ড বা জামানতের অর্থ ফেরতযোগ্য।
যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসা ওভারস্টে বা ভিসার মেয়াদের চেয়ে বেশি দিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার প্রবণতা রয়েছে, সেসব দেশের জন্য ভিসা বন্ডের শর্ত আরোপ করে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করলে সেগুলোকেও ভিসা বন্ডের শর্তের জন্য বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা বন্ডের তালিকায় থাকা দেশের নাগরিকদের বি-১ বা বি-২ ক্যাটাগরির মার্কিন ভিসার জন্য পাঁচ হাজার, ১০ হাজার বা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত দিতে হবে। বন্ডের অঙ্ক ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারিত হবে।
পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ নির্ধারিত বৈধ অবস্থান মেয়াদের মধ্যে ভিসাধারীর যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের রেকর্ড পেলে, অথবা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভিসাধারী যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করলে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশবন্দরে ভিসাধারী প্রবেশের আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হলে বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এবং অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
অন্যদিকে অনুমোদিত অবস্থান মেয়াদ অতিক্রম করার পর যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের রেকর্ড পাওয়া গেলে, অনুমোদিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে প্রস্থান না করলে কিংবা নন-ইমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাস থেকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনাসহ স্ট্যাটাস সমন্বয়ের জন্য আবেদন করলে বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন হবে বলে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে বন্ড বা জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা বন্ড শর্ত কার্যকর হবে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকার পেছনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ‘ভুল নীতি’র দায় রয়েছে বলে মনে করছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। অন্তর্বর্তী সরকার এটি নিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা এ কথা বলেন। যেসব দেশের জন্য ভিসা বন্ড শর্ত প্রযোজ্য, মঙ্গলবার সেসব দেশের তালিকা প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ভিসা বন্ডের সেই তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। এই শর্তের ফলে বাংলাদেশ থেকে পর্যটক বা ব্যবসার কাজে যুক্তরাষ্ট্র যেতে হলে বি-১ বা বি-২ ক্যাটাগরির ভিসা আবেদনের জন্য ৫ হাজার ডলার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত অঙ্ক বন্ড বা জামানত হিসেবে গুণতে হবে। ফলে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত রাখতে হবে ভিসার জন্য।
তৌহিদ হোসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা গ্রহণের তালিকায় বাংলাদেশিরা শীর্ষে রয়েছেন। সে কারণেই ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশের নাম এসেছে। দেশটির এমন সিদ্ধান্তের দায় অন্তর্বর্তী সরকার নেবে না।
তিনি আরও বলেন, আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং ইমিগ্রেশনে যাদের সমস্যা আছে তাদের সবার জন্য। এটি অস্বাভাবিক না হলেও দুঃখজনক ও কষ্টদায়ক। বন্ডের তালিকায় নাম ওঠার পেছনে পূর্ববর্তী সরকারের দায় রয়েছে; তারা সঠিক নীতিনির্ধারণ করতে পারেনি। বর্তমান সরকার এটি সমাধানের চেষ্টা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড মূলত আর্থিক জামানত, যা কিছু নির্দিষ্ট দেশের উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ বি-১ বা বি-২ ক্যাটাগরিতে ভিসা আবেদনকারীদের জন্য শর্ত হিসেবে প্রযোজ্য হয়। সাধারণত ভ্রমণ বা ব্যবসায় কাজে ভিসা নিতে হলে এসব ক্যাটাগরির ভিসা প্রয়োজন হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, ভিসা বন্ডের মাধ্যমে ভুসা পাওয়া ব্যক্তি ভিসার শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ না করলে বন্ড বা জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হতে পারে। শর্ত পূরণ করলে এই বন্ড বা জামানতের অর্থ ফেরতযোগ্য।
যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসা ওভারস্টে বা ভিসার মেয়াদের চেয়ে বেশি দিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার প্রবণতা রয়েছে, সেসব দেশের জন্য ভিসা বন্ডের শর্ত আরোপ করে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করলে সেগুলোকেও ভিসা বন্ডের শর্তের জন্য বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা বন্ডের তালিকায় থাকা দেশের নাগরিকদের বি-১ বা বি-২ ক্যাটাগরির মার্কিন ভিসার জন্য পাঁচ হাজার, ১০ হাজার বা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত দিতে হবে। বন্ডের অঙ্ক ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারিত হবে।
পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ নির্ধারিত বৈধ অবস্থান মেয়াদের মধ্যে ভিসাধারীর যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের রেকর্ড পেলে, অথবা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভিসাধারী যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করলে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশবন্দরে ভিসাধারী প্রবেশের আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হলে বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এবং অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
অন্যদিকে অনুমোদিত অবস্থান মেয়াদ অতিক্রম করার পর যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের রেকর্ড পাওয়া গেলে, অনুমোদিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে প্রস্থান না করলে কিংবা নন-ইমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাস থেকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনাসহ স্ট্যাটাস সমন্বয়ের জন্য আবেদন করলে বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন হবে বলে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে বন্ড বা জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা বন্ড শর্ত কার্যকর হবে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে।

যারা এই গণভোটে ‘না’ ভোটের পক্ষে থাকবে তাদের ফ্যাসিস্টের দোসর বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, গণভোটকে যারা ‘না’ বলবে, তাদের ঠিকানা এই বাংলাদেশে হবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক রকমের চেষ্টা হতে পারে। হুট করে যেন কেউ হাজির হতে না পারে এছাড়া নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তাহীনতা ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র
১১ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের পলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট মারসেল নেগি এবং ইলেকশন অ্যানালিস্ট ভাসিল ভাসচেনকা।
১২ ঘণ্টা আগে