
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ ও সাবেক যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি করেন তিনি।
মামলায় ফারুক অভিযোগ করেছেন, ২০১১ সালে হরতাল উপলক্ষে মিছিল করার সময় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ন্যাম ভবনের সামনে এলে তিনিসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যের ওপর হামলা করেন সেই সময়ে তেজগাঁও বিভাগের তৎকালীন এডিসি হারুন অর রশীদ ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (এডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার।
মামলাটি গ্রহণ করেছেন শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজিব দে।
মামলার বিষয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের পক্ষ থেকে ২০১১ সালের দুদিনের জন্য হরতাল কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন। হরতাল চলাকালীন আমার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে ফার্মগেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিলাম। তখন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন-বিপ্লবসহ তার অধীনস্থ সব কর্মকর্তা মিলে মিছিলে বাধা দেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হারুন ও বিপ্লব তাদের ফোর্স নিয়ে আমার ওপর হামলা করে। এ সময় আমার মাথা ফেটে যায় ও নির্যাতনের একপর্যায়ে আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। লাঠি আঘাতে আমার লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় এবং বাম পাশের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে যায়।
এই ঘটনায় বিএনপির সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন নিজাম নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে এই থানায় মামলা করতে এসেছিলেন। তখনকার পুলিশ কর্মকর্তা তাকে থানায় ঢুকতে দেননি। পরবর্তীতে আমরা কোর্টে মামলা করলে সেটির তদন্ত হয়, কিন্তু তিনদিনের মধ্যে মামলা বাতিল করে দেয়। তখন পুলিশ বাদি হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটা মামলা দেয়। সেই মামলায় আজও পর্যন্ত হাজিরা দিতে যাচ্ছি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ ও সাবেক যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি করেন তিনি।
মামলায় ফারুক অভিযোগ করেছেন, ২০১১ সালে হরতাল উপলক্ষে মিছিল করার সময় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ন্যাম ভবনের সামনে এলে তিনিসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যের ওপর হামলা করেন সেই সময়ে তেজগাঁও বিভাগের তৎকালীন এডিসি হারুন অর রশীদ ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (এডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার।
মামলাটি গ্রহণ করেছেন শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজিব দে।
মামলার বিষয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের পক্ষ থেকে ২০১১ সালের দুদিনের জন্য হরতাল কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন। হরতাল চলাকালীন আমার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে ফার্মগেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিলাম। তখন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন-বিপ্লবসহ তার অধীনস্থ সব কর্মকর্তা মিলে মিছিলে বাধা দেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হারুন ও বিপ্লব তাদের ফোর্স নিয়ে আমার ওপর হামলা করে। এ সময় আমার মাথা ফেটে যায় ও নির্যাতনের একপর্যায়ে আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। লাঠি আঘাতে আমার লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় এবং বাম পাশের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অচল হয়ে যায়।
এই ঘটনায় বিএনপির সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন নিজাম নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে এই থানায় মামলা করতে এসেছিলেন। তখনকার পুলিশ কর্মকর্তা তাকে থানায় ঢুকতে দেননি। পরবর্তীতে আমরা কোর্টে মামলা করলে সেটির তদন্ত হয়, কিন্তু তিনদিনের মধ্যে মামলা বাতিল করে দেয়। তখন পুলিশ বাদি হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটা মামলা দেয়। সেই মামলায় আজও পর্যন্ত হাজিরা দিতে যাচ্ছি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ‘অবৈধ’ বাংলাদেশি সন্দেহে ধড়পাকড় ও ক্রমাগত ‘পুশব্যাক’ ও ‘পুশব্যাকের হুমকি’র মধ্যেই এই সীমান্ত সম্মেলন হতে যাচ্ছে। চলমান এসব ঘটনাসহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে বিজেপির অভিষেকের প্রেক্ষাপটে এবারের এই সম্মেলন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই দেশের সব দোকানপাট, শপিং মল ও মার্কেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। গত এপ্রিলের শুরুতেই একই নির্দেশনা কার্যকর হয়েছিল। পরে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এলে আমরাও দ্রুত সমন্বয় করার চেষ্টা করবো। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে। মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বন কর্মকর্তারা জানান, পর্যটক ও বনজীবীদের নৌযান চলাচলের কারণে বন্য প্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজনন ব্যাহত হয়। তিন মাস বনকে নিরবচ্ছিন্ন পরিবেশ দেয়া গেলে মাছ, গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য আরও সমৃদ্ধ হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে