
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে আরও চার দিন দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ জুনের মধ্যে এই কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে বুধবার ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে থাকা ছয় শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে একে একে ছয়জনেরই মৃত্যু হয়। সেদিনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিবকে (বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা) সভাপতি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালককে (হাসপাতাল-১) সদস্য সচিব ও অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালককে (আইন শাখা) সদস্য হিসেবে রেখে এ কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে শিশুদের মুত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং প্রতিকারের জন্য করণীয় নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। সে হিসাবে আজ শনিবার কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। সে সময় আরও বাড়ল চার দিন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালের ওই পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এক থেকে তিন দিন বয়সী ছয় নবজাতক ছাড়াও ছিলেন ১১ জন প্রসূতি। ঠান্ডা লাগলে জানিয়ে গভীর রাতে এক মা সেখানকার এসি বন্ধ রাখতে বলেন। তার অনুরোধে নার্স ঘণ্টাখানেকের জন্য এসি বন্ধ রেখে পরে আবার চালু করেন। পরে ভোরের দিকে শিশুদের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। সেখান থেকে তাদের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) নেওয়া হলেও অসুস্থতা কমেনি। বরং একে একে সবগুলো শিশুরই মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. জাহিদ রায়হান ওই দিন গণমাধ্যমকে বলেন, চিকিৎসাজনিত কোনো জটিলতায় নয়, কোনো এক কারিগরি ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
অধিদপ্তর সূত্র বলছে, চিকিৎসা অব্যবস্থাপনা, কারিগরি ত্রুটি ও গ্যাস লিকেজের সম্ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে এ ঘটনার তদন্ত চলছে।
এদিকে মৃত ওই ছয় নাবজাতকের মধ্যে একজনের বাবা অবহেলার অভিযোগ তুলে রাজধানীর রমনা থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ ছাড়া ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী আইনি নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ও আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে আরও চার দিন দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ জুনের মধ্যে এই কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে বুধবার ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে থাকা ছয় শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে একে একে ছয়জনেরই মৃত্যু হয়। সেদিনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিবকে (বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা) সভাপতি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালককে (হাসপাতাল-১) সদস্য সচিব ও অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালককে (আইন শাখা) সদস্য হিসেবে রেখে এ কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে শিশুদের মুত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং প্রতিকারের জন্য করণীয় নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। সে হিসাবে আজ শনিবার কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। সে সময় আরও বাড়ল চার দিন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালের ওই পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এক থেকে তিন দিন বয়সী ছয় নবজাতক ছাড়াও ছিলেন ১১ জন প্রসূতি। ঠান্ডা লাগলে জানিয়ে গভীর রাতে এক মা সেখানকার এসি বন্ধ রাখতে বলেন। তার অনুরোধে নার্স ঘণ্টাখানেকের জন্য এসি বন্ধ রেখে পরে আবার চালু করেন। পরে ভোরের দিকে শিশুদের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। সেখান থেকে তাদের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) নেওয়া হলেও অসুস্থতা কমেনি। বরং একে একে সবগুলো শিশুরই মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. জাহিদ রায়হান ওই দিন গণমাধ্যমকে বলেন, চিকিৎসাজনিত কোনো জটিলতায় নয়, কোনো এক কারিগরি ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
অধিদপ্তর সূত্র বলছে, চিকিৎসা অব্যবস্থাপনা, কারিগরি ত্রুটি ও গ্যাস লিকেজের সম্ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে এ ঘটনার তদন্ত চলছে।
এদিকে মৃত ওই ছয় নাবজাতকের মধ্যে একজনের বাবা অবহেলার অভিযোগ তুলে রাজধানীর রমনা থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ ছাড়া ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী আইনি নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ও আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
১১ ঘণ্টা আগে