
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জ্বালানি নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ বক্তব্য দেন।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি ।
এ সময় তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিভিন্ন স্থানে তেলের জন্য কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে এবং চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।’
রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘যদি সত্যিই কোনো সংকট না থাকে, তাহলে পাম্পে দীর্ঘ লাইন কেন? কেন তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে? তিনি দাবি করেন, সরকার বাস্তব পরিস্থিতি আড়াল করার চেষ্টা করছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়াচ্ছে।’
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন তিনি। বিশেষ করে বাজার রাত ৮টার পরিবর্তে ৭টায় বন্ধের সিদ্ধান্তকে অদূরদর্শী উল্লেখ করে বলেন, অধিকাংশ মানুষ সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করেন, ফলে এ সিদ্ধান্ত জনজীবনে অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি অফিস-আদালতের সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সরকারের মন্ত্রীদের ‘সংকট নেই’ বক্তব্যের সত্যতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা সংসদের মাধ্যমে জানতে চান, দেশে বর্তমানে অকটেন ও ডিজেলের প্রকৃত মজুত কতদিনের। কেন পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না এবং সম্ভাব্য মজুদদারদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এসব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দাবি করেন তিনি। তার বক্তব্যের একপর্যায়ে সরকার দলীয় সদস্যদের হট্টগোল শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পরে তার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

জ্বালানি নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ বক্তব্য দেন।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি ।
এ সময় তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিভিন্ন স্থানে তেলের জন্য কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে এবং চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।’
রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘যদি সত্যিই কোনো সংকট না থাকে, তাহলে পাম্পে দীর্ঘ লাইন কেন? কেন তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে? তিনি দাবি করেন, সরকার বাস্তব পরিস্থিতি আড়াল করার চেষ্টা করছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়াচ্ছে।’
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন তিনি। বিশেষ করে বাজার রাত ৮টার পরিবর্তে ৭টায় বন্ধের সিদ্ধান্তকে অদূরদর্শী উল্লেখ করে বলেন, অধিকাংশ মানুষ সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করেন, ফলে এ সিদ্ধান্ত জনজীবনে অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি অফিস-আদালতের সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সরকারের মন্ত্রীদের ‘সংকট নেই’ বক্তব্যের সত্যতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা সংসদের মাধ্যমে জানতে চান, দেশে বর্তমানে অকটেন ও ডিজেলের প্রকৃত মজুত কতদিনের। কেন পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না এবং সম্ভাব্য মজুদদারদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এসব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দাবি করেন তিনি। তার বক্তব্যের একপর্যায়ে সরকার দলীয় সদস্যদের হট্টগোল শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পরে তার মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ উদ্যোগের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী ও বৈচিত্র্যময় সৃজনশীল অর্থনৈতিক পণ্যগুলো চিহ্নিত ও প্রসারের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে তাঁত ও বয়ন শিল্প, মৃৎশিল্প, টেরাকোটা (পোড়ামাটির ফলক), শীতল পাটি, শতরঞ্জি ও কাঠের পুতুলের মতো ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, হাতে তৈরি গহ
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের টাকা দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করা হবে। জনগণের অর্থ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করা হবে, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে। কাজেই ইনশাআল্লাহ টাকার কোনো অভাব হবে না।’
১০ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি সংবাদপত্রে চালের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর পরিস্থিতির সত্যতা যাচাই করতে তিনি ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে বাজার পরিদর্শনে যান। বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকান ঘুরে তারা দেখতে পেয়েছেন, চালের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
তথ্যমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘ড্রাফট কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি একটি ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। পরবর্তীতে এই ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করেই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে