
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আগামীকাল রোববার থেকে ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হবে। যারা আগে টিকা নিয়েছে, তাদেরও পুনরায় টিকা দেওয়া হবে। তবে বর্তমানে হামে আক্রান্ত বা জ্বরে ভুগছে এমন শিশুদের এই মুহূর্তে টিকা দেওয়া হবে না; তাদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে যেসব এলাকায় হামের প্রকোপ বেশি, সেসব ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। তবে এখানেই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ থাকবে না—পর্যায়ক্রমে দেশের সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় থাকা অধিকাংশ শিশু ২০২০ সালের জাতীয় ক্যাম্পেইনের পর জন্ম নেওয়ায় তাদের অনেকেই টিকা পায়নি। তাই ঝুঁকি এড়াতে পুনরায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
রোববার থেকে যে ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি চলবে সেগুলো হলো—রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোণার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আগামীকাল রোববার থেকে ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হবে। যারা আগে টিকা নিয়েছে, তাদেরও পুনরায় টিকা দেওয়া হবে। তবে বর্তমানে হামে আক্রান্ত বা জ্বরে ভুগছে এমন শিশুদের এই মুহূর্তে টিকা দেওয়া হবে না; তাদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে যেসব এলাকায় হামের প্রকোপ বেশি, সেসব ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। তবে এখানেই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ থাকবে না—পর্যায়ক্রমে দেশের সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় থাকা অধিকাংশ শিশু ২০২০ সালের জাতীয় ক্যাম্পেইনের পর জন্ম নেওয়ায় তাদের অনেকেই টিকা পায়নি। তাই ঝুঁকি এড়াতে পুনরায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
রোববার থেকে যে ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি চলবে সেগুলো হলো—রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোণার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।

তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুরে এই মহিলা কলেজ একমাত্র কলেজ, যা পার্শ্ববর্তী উপজেলা কলমাকান্দাতেও নেই। এই কলেজটি যদি আমরা সমৃদ্ধ করতে পারতাম, তাহলে আমাদের অনেক ছাত্রীকে নেত্রকোনায় যেতে হতো না, অনেক ছাত্রীকে ময়মনসিংহে যেতে হতো না। কেন যাচ্ছে? আমার-আপনার কারণেই যাচ্ছে। এখানে এসে পড়ানোর যে পরিবেশটা পাওয়ার কথা বা
১১ ঘণ্টা আগে
এসব উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আগামী ২১ মে তথা পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিস বলছে, গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় মুহূর্তেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। এই দুর্ঘটনায় কারখানাটির মালিকপক্ষের গাফিলতি ছিল বলেও মনে করে ফায়ার সার্ভিস।
১৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের সাথে গণভোট বাতিল হওয়া না হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ধাওড়া গ্রামে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
১৪ ঘণ্টা আগে