
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বিতীয়বার সংশোধন করে ‘ত্রুটি-বিচ্যুতি’ কাটিয়ে তৃতীয়বারের মতো ৪৪তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এবার চূড়ান্ত সম্পূরক ফলাফলে এক হাজার ৬৭৬ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে ৪৪তম বিসিএসের ‘পরিবর্ধিত সম্পূরক’ ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি। পিএসসির ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ জুন প্রথম দফায় এই বিসিএসের ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। উত্তীর্ণ এক হাজার ৬৯০ জনের মধ্যে ৩০৩ জন প্রার্থী একই ক্যাডারে বা তাদের পছন্দক্রম অনুযায়ী নিচের ক্যাডারের পদে সুপারিশ পেয়েছিলেন বলে যোগদান করতে চাননি।
ওই প্রার্থীদের বাদ দিয়ে ৬ নভেম্বর সম্পূরক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল। সেবার এক হাজার ৬৮১ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়ে সম্পূরক ফল প্রকাশ করে পিএসসি।
মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন ফলাফলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ নভেম্বর প্রকাশিত ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার সম্পূরক ফলাফল প্রস্তুতের সময় কমিশন জানতে পেরেছে, কিছু প্রার্থী এরই মধ্যে সুপারিশ পেয়ে বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিযুক্ত রয়েছেন এবং ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল দৃষ্টে পুনরায় একই ক্যাডার কিংবা পছন্দক্রমের নিম্নপদের জন্য মনোনয়নযোগ্য হয়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিধিমালার সংশোধিত বিধি ১৭-এর আওতায় তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে পিএসসি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একই সঙ্গে তাদের পদগুলোতে মেধাক্রম ও প্রচলিত কোটাসংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী সমসংখ্যক প্রার্থীকে বিভিন্ন সার্ভিস ও ক্যাডার পদে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পরিবর্ধিত সম্পূরক ফলাফলে ক্যাডারের এক হাজার ৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে এক হাজার ৬৭৬টি পদে নিয়োগে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে কমিশন।
গত ২৮ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪-এর সংশোধিত বিধি ১৭ অনুযায়ী পিএসসি ৪৪তম বিসিএসের এই সম্পূরক ফল প্রকাশ করল।
একই ক্যাডার বা সার্ভিসে আগে নির্বাচিত কিংবা কর্মরত কোনো প্রার্থীকে ভবিষ্যতের বিসিএস পরীক্ষায় পুনরায় ওই একই ক্যাডারে সুপারিশ না করার বিধান এই সংশোধিত বিধিমালায় যুক্ত করা হয়েছে।

দ্বিতীয়বার সংশোধন করে ‘ত্রুটি-বিচ্যুতি’ কাটিয়ে তৃতীয়বারের মতো ৪৪তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এবার চূড়ান্ত সম্পূরক ফলাফলে এক হাজার ৬৭৬ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে ৪৪তম বিসিএসের ‘পরিবর্ধিত সম্পূরক’ ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি। পিএসসির ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ জুন প্রথম দফায় এই বিসিএসের ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। উত্তীর্ণ এক হাজার ৬৯০ জনের মধ্যে ৩০৩ জন প্রার্থী একই ক্যাডারে বা তাদের পছন্দক্রম অনুযায়ী নিচের ক্যাডারের পদে সুপারিশ পেয়েছিলেন বলে যোগদান করতে চাননি।
ওই প্রার্থীদের বাদ দিয়ে ৬ নভেম্বর সম্পূরক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল। সেবার এক হাজার ৬৮১ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়ে সম্পূরক ফল প্রকাশ করে পিএসসি।
মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন ফলাফলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ নভেম্বর প্রকাশিত ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার সম্পূরক ফলাফল প্রস্তুতের সময় কমিশন জানতে পেরেছে, কিছু প্রার্থী এরই মধ্যে সুপারিশ পেয়ে বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিযুক্ত রয়েছেন এবং ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল দৃষ্টে পুনরায় একই ক্যাডার কিংবা পছন্দক্রমের নিম্নপদের জন্য মনোনয়নযোগ্য হয়েছেন।
এ পরিস্থিতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিধিমালার সংশোধিত বিধি ১৭-এর আওতায় তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে পিএসসি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একই সঙ্গে তাদের পদগুলোতে মেধাক্রম ও প্রচলিত কোটাসংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী সমসংখ্যক প্রার্থীকে বিভিন্ন সার্ভিস ও ক্যাডার পদে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
পরিবর্ধিত সম্পূরক ফলাফলে ক্যাডারের এক হাজার ৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে এক হাজার ৬৭৬টি পদে নিয়োগে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে কমিশন।
গত ২৮ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪-এর সংশোধিত বিধি ১৭ অনুযায়ী পিএসসি ৪৪তম বিসিএসের এই সম্পূরক ফল প্রকাশ করল।
একই ক্যাডার বা সার্ভিসে আগে নির্বাচিত কিংবা কর্মরত কোনো প্রার্থীকে ভবিষ্যতের বিসিএস পরীক্ষায় পুনরায় ওই একই ক্যাডারে সুপারিশ না করার বিধান এই সংশোধিত বিধিমালায় যুক্ত করা হয়েছে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৬ ঘণ্টা আগে