
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রমাণ ছাড়া ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানো হলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সোমবার (৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ‘অপপ্রচার’ চালাচ্ছে। তবে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো সমাধান করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে প্রমাণ ছাড়া জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ‘মিথ্যা তথ্য’ প্রচার করা হলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
এর আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গত তিন মাস ধরে গ্রাহকরা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পাওয়ার অভিযোগ করে আসছেন। অনেকের দাবি, নতুন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার না করলেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের ইউনিট অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। আবার কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নিয়মিত মিটারের রিডিং না নিয়ে অনুমানের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গত ২ আগস্ট বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ তদন্তে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। বরং প্রতিটি বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিকে নিজ নিজ এলাকার অভিযোগ যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “প্রত্যেক ইউটিলিটি আলাদাভাবে বিষয়গুলো দেখছে। অধিকাংশ অভিযোগ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, যেভাবে অনেক বেশি বা অতিরিক্ত বিল করার কথা বলা হচ্ছে, তেমন পাওয়া যায়নি।”

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রমাণ ছাড়া ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানো হলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সোমবার (৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ‘অপপ্রচার’ চালাচ্ছে। তবে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো সমাধান করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে প্রমাণ ছাড়া জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ‘মিথ্যা তথ্য’ প্রচার করা হলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
এর আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গত তিন মাস ধরে গ্রাহকরা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পাওয়ার অভিযোগ করে আসছেন। অনেকের দাবি, নতুন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার না করলেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের ইউনিট অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। আবার কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নিয়মিত মিটারের রিডিং না নিয়ে অনুমানের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গত ২ আগস্ট বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ তদন্তে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। বরং প্রতিটি বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিকে নিজ নিজ এলাকার অভিযোগ যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “প্রত্যেক ইউটিলিটি আলাদাভাবে বিষয়গুলো দেখছে। অধিকাংশ অভিযোগ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, যেভাবে অনেক বেশি বা অতিরিক্ত বিল করার কথা বলা হচ্ছে, তেমন পাওয়া যায়নি।”

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) যৌথভাবে এই জরিপটি পরিচালনা করেছে। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
৬ ঘণ্টা আগে
বিলবোর্ডটিতে যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুল কাদের মোল্লা ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ছবি ছিল। এ ছাড়া বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবিও সেখানে রাখা হয়েছিল।
৭ ঘণ্টা আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে তখনই, যখন জাতীয় সংসদকে কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যাবে। রাজনৈতিক বিতর্ক, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে সংসদকেই।
৭ ঘণ্টা আগে