
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শরীয়তপুরের জাজিরায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ২০১৯ সালে দুই আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৬ জুলাই) ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।
রায়ে নুরু মোড়ল ও চুন্নু মোড়লের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। আর অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় স্বপ্না বেগম ও সেলিম চৌকিদারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশরাফুল আলম। আসামিপক্ষে আইনি লড়াইয়ে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরী জাজিরার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে প্রায়ই প্রতিবেশী চুন্নু মোড়লের দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগমের বাড়িতে যেত।
মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবার অভিযোগ, স্বপ্নার বাড়িতে বিভিন্ন সময় ‘অনৈতিক’ কার্যকলাপ হত এবং নুরু মোড়লসহ অন্যরা সেখানে ইয়াবা সেবন ও জুয়ার আসর বসাত। তার মেয়ে এসব অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে ফেলায় আসামিরা ক্ষিপ্ত ছিল এবং তাকে বিভিন্ন সময় ‘উসকানিমূলক’ কথা বলত।
২০১৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে ওই কিশোরী হঠাৎ নিখোঁজ হয়। দুই দিন পরে ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে নাওডোবা মজিদ হাওলাদার কান্দি গ্রামের খোকন হাওলাদারের একটি পরিত্যক্ত ভিটা থেকে তার গলায় গামছা বাঁধা ও পেট কাটা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর জাজিরা থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। মামলায় চুন্নু মোড়লের স্ত্রী স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল, আল-আমিন, সুমন ওরফে টাইগার এবং জোসনা বেগমকে আসামি করা হয়। আসামিরা ‘অজ্ঞাত আরও লোকজন’ নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
কিন্তু মামলার বিচারিক পর্যায়ে আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিহতের বাবা-মা ও স্বজনরা এজাহারে বর্ণিত অভিযোগের সমর্থনে সাক্ষ্য দেননি। বিশেষ করে মামলার এক নম্বর সাক্ষী হিসেবে বাদী ও কিশোরীর বাবা তার জবানবন্দিতে বলেন, তার মেয়ে ‘কিছুটা অনিয়ন্ত্রিত’ জীবনযাপন করত।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা তার জবানবন্দিতে বলেন, কে বা কারা তাকে কীভাবে হত্যা করেছে তা তিনি জানেন না। আসামিদের ব্যাপারে তার কোনো অভিযোগ নেই এবং তারা খালাস পেলে তার কোনো আপত্তি নেই।
দুই নম্বর সাক্ষী নিহত কিশোরীর মাও জবানবন্দিতে একইরকম কথা বলেন। আরও সাক্ষী দেওয়া তায়েম বেপারী এবং কিশোরীর মামাও জবানবন্দিতে ওই কিশোরীকে ‘উশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রণহীন’ আখ্যায়িত করেন। আসামিরা খালাস পেলে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জবানবন্দি দেন তারাও।
তবে বাকি সাক্ষীরা আসামিদের বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দেন। কিন্তু তারা কেউই চাক্ষুস সাক্ষী ছিলেন না। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ২০১৯ সালের ৭ মে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুস ছালাম খান রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে নুরু মোড়ল, চুন্নু মোড়ল, সেলিম চৌকিদার ও স্বপ্না বেগমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল হলে সেখানেও আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো চাক্ষুস সাক্ষী না থাকার বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়।
নিম্ন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ যেসব সাক্ষী হাজির করেছে, তাদের বয়ান ও চাক্ষুস সাক্ষী না থাকায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির দুজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং বাকি দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুরের জাজিরায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ২০১৯ সালে দুই আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৬ জুলাই) ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।
রায়ে নুরু মোড়ল ও চুন্নু মোড়লের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। আর অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় স্বপ্না বেগম ও সেলিম চৌকিদারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশরাফুল আলম। আসামিপক্ষে আইনি লড়াইয়ে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৩ বছর বয়সী ওই কিশোরী জাজিরার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে প্রায়ই প্রতিবেশী চুন্নু মোড়লের দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগমের বাড়িতে যেত।
মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবার অভিযোগ, স্বপ্নার বাড়িতে বিভিন্ন সময় ‘অনৈতিক’ কার্যকলাপ হত এবং নুরু মোড়লসহ অন্যরা সেখানে ইয়াবা সেবন ও জুয়ার আসর বসাত। তার মেয়ে এসব অনৈতিক কার্যকলাপ দেখে ফেলায় আসামিরা ক্ষিপ্ত ছিল এবং তাকে বিভিন্ন সময় ‘উসকানিমূলক’ কথা বলত।
২০১৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে ওই কিশোরী হঠাৎ নিখোঁজ হয়। দুই দিন পরে ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে নাওডোবা মজিদ হাওলাদার কান্দি গ্রামের খোকন হাওলাদারের একটি পরিত্যক্ত ভিটা থেকে তার গলায় গামছা বাঁধা ও পেট কাটা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর জাজিরা থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। মামলায় চুন্নু মোড়লের স্ত্রী স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল, আল-আমিন, সুমন ওরফে টাইগার এবং জোসনা বেগমকে আসামি করা হয়। আসামিরা ‘অজ্ঞাত আরও লোকজন’ নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
কিন্তু মামলার বিচারিক পর্যায়ে আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিহতের বাবা-মা ও স্বজনরা এজাহারে বর্ণিত অভিযোগের সমর্থনে সাক্ষ্য দেননি। বিশেষ করে মামলার এক নম্বর সাক্ষী হিসেবে বাদী ও কিশোরীর বাবা তার জবানবন্দিতে বলেন, তার মেয়ে ‘কিছুটা অনিয়ন্ত্রিত’ জীবনযাপন করত।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা তার জবানবন্দিতে বলেন, কে বা কারা তাকে কীভাবে হত্যা করেছে তা তিনি জানেন না। আসামিদের ব্যাপারে তার কোনো অভিযোগ নেই এবং তারা খালাস পেলে তার কোনো আপত্তি নেই।
দুই নম্বর সাক্ষী নিহত কিশোরীর মাও জবানবন্দিতে একইরকম কথা বলেন। আরও সাক্ষী দেওয়া তায়েম বেপারী এবং কিশোরীর মামাও জবানবন্দিতে ওই কিশোরীকে ‘উশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রণহীন’ আখ্যায়িত করেন। আসামিরা খালাস পেলে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জবানবন্দি দেন তারাও।
তবে বাকি সাক্ষীরা আসামিদের বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দেন। কিন্তু তারা কেউই চাক্ষুস সাক্ষী ছিলেন না। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ২০১৯ সালের ৭ মে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুস ছালাম খান রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে নুরু মোড়ল, চুন্নু মোড়ল, সেলিম চৌকিদার ও স্বপ্না বেগমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল হলে সেখানেও আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো চাক্ষুস সাক্ষী না থাকার বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়।
নিম্ন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ যেসব সাক্ষী হাজির করেছে, তাদের বয়ান ও চাক্ষুস সাক্ষী না থাকায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির দুজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং বাকি দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন রাজনীতি ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক শরিফুজ্জামান পিন্টু। সদস্যসচিব মনোনীত হয়েছেন ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক ও প্রকাশক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ।
৪ ঘণ্টা আগে
ঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইএসডিওর সাম্প্রতিক গবেষণায় ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি চিকিৎসা সরঞ্জামের উদ্ভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা দেবে।
৭ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রস্তুত। এ নির্বাচনের ভোটার তালিকা সংসদ সচিবালয় সরবরাহ করবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কমিশনের পক্ষ থেকে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে