
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অবঃ) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের বৈষম্য আর অনিয়ম দূর করে দেশে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি আজ শুক্রবার( ২৭ জুন)বিকেলে ঢাকার ধামরাইয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ৪০০ বছরের ঐতিহ্য শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রা ও মাসব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন,সংস্কারের মাধ্যমে সকল অনিয়ম ও বৈষম্য দূর করতে হবে। সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। সেইজন্য সকলকে ধৈর্য্যধারণ করতে হবে। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। সাধারণ জনপনের সহযোগিতা পেলে এটিকে আরো সন্তোষজনক পর্যায়ে নিতে পারবো বলে আমি আশা করি।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদেরকে। তিনি বলেন, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদকে যাঁদের আত্মদানে উন্মোচিত হয়েছে শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সাম্যের এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ। আরো স্মরণ করেন এ আন্দোলনে যাঁরা আহত হয়েছেন ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন সেসকল অকুতোভয় ছাত্র-জনতাকে।
তিনি বক্তব্যে আরো বলেন,বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল ধরে এ দেশে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, শ্রেনি, পেশার মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রেখে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। রথযাত্রা হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হলেও এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-ধর্ম-বর্ণ-পেশা-ধনী-গরীব নির্বিশেষে অনেক দর্শনার্থী আসেন এবং অনুষ্ঠানে শরিক হন বলে তিনি মন্তব্য করেন।তিনি বলেন এটি এ ভূখন্ডের মানুষের অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন।
রথ যাত্রার ইতিহাস নিয়ে তিনি বলেন যতোদূর জানা যায়, আমাদের এই উপমহাদেশে প্রাচীনকাল থেকে রথযাত্রা অনুষ্ঠানের প্রচলন রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও এই রথযাত্রা পালিত হচ্ছে সুদীর্ঘকাল ধরে। এই অনুষ্ঠানটি আমাদের দেশে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা হিসেবে পরিচিত। কিন্তু ধামরাই-র রথযাত্রাটি যশোমাধবের রথযাত্রা হিসেবেই সবাই জানে। এর কারণ হিসেবে জানতে পেরেছি একই দেবতার বিভিন্ন নামের কারণে রথযাত্রা অনুষ্ঠানের এই একাধিক পরিচিতি। নাম যা-ই হোক, আমাদের দেশে এই অনুষ্ঠানটি পঞ্জিকা অনুসরণ করে আষাঢ় মাসের একটি নির্দিষ্ট তিথিতে সর্বত্র অনুষ্ঠিত হয়।
সবশেষে তিনি বলেন, আমি আশা করবো, আপনারা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে যাবেন। বর্তমান সরকার আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাবে।
শ্রী শ্রী যশোমাধব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব)জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান (পিপিএম) ,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামনুন আহমেদ অনিক প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি সুলতানা আহমেদ, ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নাজমুল হাসান অভি।
বক্তব্য শেষে হিন্দু ধর্মীয় সকল আনুষ্ঠানিকতা মধ্য দিয়ে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে রথযাত্রা ও মাসব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। রথযাত্রা এ অনুষ্ঠানে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ যোগদান করেছেন।

স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অবঃ) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের বৈষম্য আর অনিয়ম দূর করে দেশে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ সরকারের মূল লক্ষ্য।
তিনি আজ শুক্রবার( ২৭ জুন)বিকেলে ঢাকার ধামরাইয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ৪০০ বছরের ঐতিহ্য শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রা ও মাসব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন,সংস্কারের মাধ্যমে সকল অনিয়ম ও বৈষম্য দূর করতে হবে। সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। সেইজন্য সকলকে ধৈর্য্যধারণ করতে হবে। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। সাধারণ জনপনের সহযোগিতা পেলে এটিকে আরো সন্তোষজনক পর্যায়ে নিতে পারবো বলে আমি আশা করি।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদেরকে। তিনি বলেন, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদকে যাঁদের আত্মদানে উন্মোচিত হয়েছে শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সাম্যের এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ। আরো স্মরণ করেন এ আন্দোলনে যাঁরা আহত হয়েছেন ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন সেসকল অকুতোভয় ছাত্র-জনতাকে।
তিনি বক্তব্যে আরো বলেন,বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল ধরে এ দেশে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, শ্রেনি, পেশার মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি রেখে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। রথযাত্রা হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হলেও এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-ধর্ম-বর্ণ-পেশা-ধনী-গরীব নির্বিশেষে অনেক দর্শনার্থী আসেন এবং অনুষ্ঠানে শরিক হন বলে তিনি মন্তব্য করেন।তিনি বলেন এটি এ ভূখন্ডের মানুষের অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন।
রথ যাত্রার ইতিহাস নিয়ে তিনি বলেন যতোদূর জানা যায়, আমাদের এই উপমহাদেশে প্রাচীনকাল থেকে রথযাত্রা অনুষ্ঠানের প্রচলন রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও এই রথযাত্রা পালিত হচ্ছে সুদীর্ঘকাল ধরে। এই অনুষ্ঠানটি আমাদের দেশে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা হিসেবে পরিচিত। কিন্তু ধামরাই-র রথযাত্রাটি যশোমাধবের রথযাত্রা হিসেবেই সবাই জানে। এর কারণ হিসেবে জানতে পেরেছি একই দেবতার বিভিন্ন নামের কারণে রথযাত্রা অনুষ্ঠানের এই একাধিক পরিচিতি। নাম যা-ই হোক, আমাদের দেশে এই অনুষ্ঠানটি পঞ্জিকা অনুসরণ করে আষাঢ় মাসের একটি নির্দিষ্ট তিথিতে সর্বত্র অনুষ্ঠিত হয়।
সবশেষে তিনি বলেন, আমি আশা করবো, আপনারা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে শৃঙ্খলার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে যাবেন। বর্তমান সরকার আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাবে।
শ্রী শ্রী যশোমাধব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব)জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান (পিপিএম) ,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামনুন আহমেদ অনিক প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি সুলতানা আহমেদ, ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নাজমুল হাসান অভি।
বক্তব্য শেষে হিন্দু ধর্মীয় সকল আনুষ্ঠানিকতা মধ্য দিয়ে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে রথযাত্রা ও মাসব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। রথযাত্রা এ অনুষ্ঠানে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ যোগদান করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
১২ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
১৬ ঘণ্টা আগে