
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন ঢাকা বিভাগের, একজন সিলেট বিভাগের এবং একজন চট্টগ্রাম বিভাগের। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘটেনি।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে এ পর্যন্ত ৪২৩ জন মারা গেছে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৬২ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯৩, ময়মনসিংহে ৭৭, চট্টগ্রামে ৭১, বরিশালে ৫৭, খুলনায় ৩৯ এবং রংপুরে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১ হাজার ২৩৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ১৬২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৩৬৭ জন, চট্টগ্রামে ২৬৬, সিলেটে ১৯৩, বরিশালে ১০৯, খুলনায় ৯৮, ময়মনসিংহে ৮১, রাজশাহীতে ২৯ এবং রংপুরে ১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গেছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯৫৯ জন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হিসেবে ৭৭ জন শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষায় ২০ হাজার ২০১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
তবে হাসপাতালে আসা সব রোগী বা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হামের পরীক্ষা করা হয় না। ফলে নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দিয়ে দেশে হামের প্রকৃত বিস্তারের চিত্র পুরোপুরি বোঝা যায় না। একই কারণে হামের প্রাদুর্ভাবের সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে যেসব মৃত্যু হয়, সেগুলোর সবকটিকে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হিসেবে গণ্য করা হয় না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে রোগীদের বয়সভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। রোগতত্ত্ববিদদের মতে, হাম যেকোনো বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
প্রায় আট বছর ধরে দেশে হামে মৃত্যুর ঘটনা ছিল না বললেই চলে। একই সময়ে হামে আক্রান্তের সংখ্যাও ৪০০-এর বেশি হয়নি। ২০২৫ সালে দেশে হাম দূরীকরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে হাম নির্মূলের সনদ পাওয়ারও সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু চলতি বছরের পরিস্থিতি সেই লক্ষ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছে।
একসময় প্রায় ভুলে যাওয়া রোগে পরিণত হওয়া হাম এবার এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। জনস্বাস্থ্যবিদরা এর পেছনে ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার কাজে চরম অবহেলাকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে মনে করেন।
চলতি বছরের শুরুতেই দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও প্রথম দিকে বিষয়টিতে যথাযথ নজর দেওয়া হয়নি। মার্চ থেকে সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকে। এরপরও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এপ্রিল থেকে মে মাস জুড়ে গণটিকাদান কর্মসূচি চালানো হয়। তবে সেই কর্মসূচিতেও প্রায় ৪০ লাখ শিশু টিকার আওতার বাইরে থেকে যায়।

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন ঢাকা বিভাগের, একজন সিলেট বিভাগের এবং একজন চট্টগ্রাম বিভাগের। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘটেনি।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে এ পর্যন্ত ৪২৩ জন মারা গেছে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৬২ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯৩, ময়মনসিংহে ৭৭, চট্টগ্রামে ৭১, বরিশালে ৫৭, খুলনায় ৩৯ এবং রংপুরে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১ হাজার ২৩৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ১৬২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৩৬৭ জন, চট্টগ্রামে ২৬৬, সিলেটে ১৯৩, বরিশালে ১০৯, খুলনায় ৯৮, ময়মনসিংহে ৮১, রাজশাহীতে ২৯ এবং রংপুরে ১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গেছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯৫৯ জন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হিসেবে ৭৭ জন শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষায় ২০ হাজার ২০১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
তবে হাসপাতালে আসা সব রোগী বা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব রোগীর হামের পরীক্ষা করা হয় না। ফলে নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দিয়ে দেশে হামের প্রকৃত বিস্তারের চিত্র পুরোপুরি বোঝা যায় না। একই কারণে হামের প্রাদুর্ভাবের সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে যেসব মৃত্যু হয়, সেগুলোর সবকটিকে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হিসেবে গণ্য করা হয় না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে রোগীদের বয়সভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। রোগতত্ত্ববিদদের মতে, হাম যেকোনো বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
প্রায় আট বছর ধরে দেশে হামে মৃত্যুর ঘটনা ছিল না বললেই চলে। একই সময়ে হামে আক্রান্তের সংখ্যাও ৪০০-এর বেশি হয়নি। ২০২৫ সালে দেশে হাম দূরীকরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে হাম নির্মূলের সনদ পাওয়ারও সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু চলতি বছরের পরিস্থিতি সেই লক্ষ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছে।
একসময় প্রায় ভুলে যাওয়া রোগে পরিণত হওয়া হাম এবার এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। জনস্বাস্থ্যবিদরা এর পেছনে ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার কাজে চরম অবহেলাকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে মনে করেন।
চলতি বছরের শুরুতেই দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও প্রথম দিকে বিষয়টিতে যথাযথ নজর দেওয়া হয়নি। মার্চ থেকে সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকে। এরপরও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এপ্রিল থেকে মে মাস জুড়ে গণটিকাদান কর্মসূচি চালানো হয়। তবে সেই কর্মসূচিতেও প্রায় ৪০ লাখ শিশু টিকার আওতার বাইরে থেকে যায়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ মনগড়া নয় বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সাইদুর রহমান খান।
৪ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
৫ ঘণ্টা আগে
মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
৫ ঘণ্টা আগে