
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যত দ্রুতসম্ভব অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ করতে চান বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বলেছেন, সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে যে দায়িত্ব নিয়েছেন তা শেষ করে বিদায় নিতে পারলে স্বস্তি পাবেন।
রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের কার্যক্রমে খুশি— এমন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, আমি যখন উনাদের (রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা) সঙ্গে কথা বলি, মনে হয় উনারা আমাদের কার্যক্রমে খুবই খুশি আছেন। অন্তত বিএনপি আর জামায়াতকে (সন্তুষ্ট) মনে হয়। আমরা এটা নিয়ে বিচলিত না। আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করে যত তাড়াতাড়ি যেতে পারি, বাঁচব— এ রকম একটা অবস্থায় আছি।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ দিন উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ে অংশ নেন তিনি।
রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘ দিন ধরেই উপদেষ্টা পরিষদের কোনো কোনো সদস্যকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে। এর মধ্যে বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী— দুই দলের প্রতিনিধরাই কিছু কিছু উপদেষ্টাকে ‘বিতর্কিত’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, নির্বাচনের আগে এসব উপদেষ্টাকে সরকার থেকে সরে দাঁড়াতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর এ অবস্থানকে ‘কৌশলগত’ বলে মনে করছেন আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, উনারা কিছুদিন পরপরই এ ধরনের কথা বলেন। কিন্তু আমাদের সবার সঙ্গে উনাদের এত আন্তরিক সম্পর্ক, আপনারা যদি দেখতেন অবাক হয়ে যেতেন। আমরা মনে করি, এটা হয়তো রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বা হয়তো জেনুইন কনসার্ন আছে।
আসিফ নজরুল বলেন, আমরা এগুলো নিয়ে নিজেরা নিজেরা কথা বলি আর ভাবি, আসলে উনারা কী বলতে চান। আমাদের উপদেষ্টা পরিষদে যারা আসছেন, প্রধান যে তিনটা স্টেক হোল্ডার আছে— বিএনপি, জামায়াত, এনিসিপি— এনসিপি মানে তখনকার ছাত্রনেতারা, প্রত্যেকের ব্যাপারে উনাদের সম্মতি ছিল। এটুকই আমি জানি।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের তথ্য তুলে ধরে আইন উপদেষ্টা জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে শ্রম আইন এবং নির্বাচন সংক্রান্ত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সংশোধনীর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আইন ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইনের ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইন উপদেষ্টা।

যত দ্রুতসম্ভব অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ করতে চান বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বলেছেন, সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে যে দায়িত্ব নিয়েছেন তা শেষ করে বিদায় নিতে পারলে স্বস্তি পাবেন।
রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের কার্যক্রমে খুশি— এমন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, আমি যখন উনাদের (রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা) সঙ্গে কথা বলি, মনে হয় উনারা আমাদের কার্যক্রমে খুবই খুশি আছেন। অন্তত বিএনপি আর জামায়াতকে (সন্তুষ্ট) মনে হয়। আমরা এটা নিয়ে বিচলিত না। আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করে যত তাড়াতাড়ি যেতে পারি, বাঁচব— এ রকম একটা অবস্থায় আছি।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ দিন উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ে অংশ নেন তিনি।
রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘ দিন ধরেই উপদেষ্টা পরিষদের কোনো কোনো সদস্যকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে। এর মধ্যে বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী— দুই দলের প্রতিনিধরাই কিছু কিছু উপদেষ্টাকে ‘বিতর্কিত’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, নির্বাচনের আগে এসব উপদেষ্টাকে সরকার থেকে সরে দাঁড়াতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর এ অবস্থানকে ‘কৌশলগত’ বলে মনে করছেন আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, উনারা কিছুদিন পরপরই এ ধরনের কথা বলেন। কিন্তু আমাদের সবার সঙ্গে উনাদের এত আন্তরিক সম্পর্ক, আপনারা যদি দেখতেন অবাক হয়ে যেতেন। আমরা মনে করি, এটা হয়তো রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বা হয়তো জেনুইন কনসার্ন আছে।
আসিফ নজরুল বলেন, আমরা এগুলো নিয়ে নিজেরা নিজেরা কথা বলি আর ভাবি, আসলে উনারা কী বলতে চান। আমাদের উপদেষ্টা পরিষদে যারা আসছেন, প্রধান যে তিনটা স্টেক হোল্ডার আছে— বিএনপি, জামায়াত, এনিসিপি— এনসিপি মানে তখনকার ছাত্রনেতারা, প্রত্যেকের ব্যাপারে উনাদের সম্মতি ছিল। এটুকই আমি জানি।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের তথ্য তুলে ধরে আইন উপদেষ্টা জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে শ্রম আইন এবং নির্বাচন সংক্রান্ত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সংশোধনীর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আইন ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইনের ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইন উপদেষ্টা।

মন্ত্রিপরিযদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
৮ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘মানুষ ও রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার যে গুণটি আমাকে বরাবরই আকৃষ্ট করেছে, তা হলো তার রুচিশীলতা ও পরিমিতিবোধ। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে শালীনতা ও সংযমের ঘাটতি প্রকট ছিল। তখন আমি লক্ষ্য করেছি, তিনি নিরন্তর ও বিনা ব্যতিক্রমে একজন রাজনীতিক হিসেবে নিজের
৯ ঘণ্টা আগে
সেখান থেকে মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে এসে অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। একই সঙ্গে হাদি হত্যার বিচার চেয়ে স্লোগান দেন তাঁরা। পরে বিকেল ৪টার দিকে হাদি সমাবেশের ঘোষণা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের দরজা-জানালা, লাইট-ফ্যান, বাথরুমের স্যানিটারি এবং প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি কাজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সেগুলো সংস্কার করতে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে