
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রায় সাত মাস পর আবারও পরিবর্তন হলো বাংলাদেশ পুলিশের পোশাক। পুলিশ সংস্কারের অংশ হিসেবে চালু হওয়া আগের নকশার পরিবর্তে আজ বুধবার থেকে খাকি প্যান্ট ও নতুন রঙের শার্ট পরে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা।
বুধবার রাজধানীর পূর্বাচলে নবনির্মিত ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নতুন পোশাকে দেখা যায়। নতুন পোশাকে রয়েছে খাকি রঙের প্যান্ট এবং ইউনিটভেদে গাঢ় নীল বা হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের শার্ট।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, বুধবার থেকেই নতুন পোশাকে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা।
তিনি বলেন, ‘এখনো সব পুলিশ সদস্য নতুন পোশাক পাননি। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই সবাই তা পেয়ে যাবেন।’
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশ বাহিনীর পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পরবর্তী সময়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ জুন পুলিশ সদর দপ্তর পোশাকের রঙ পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর ফলে ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে ব্যবহৃত পোশাকের ধরনে ফিরে গেল পুলিশ বাহিনী।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জেলা ও অন্যান্য ইউনিটের পুলিশ সদস্যরা গাঢ় নীল রঙের শার্ট পরবেন। আর সব মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের শার্ট। সব ইউনিটের পুলিশ সদস্যদের প্যান্ট হবে খাকি রঙের।
তবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এ পরিবর্তনের আওতার বাইরে থাকবে। এসব ইউনিটের পোশাকে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকরের মাধ্যমে প্রায় ২২ বছর পর বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে আবারও ফিরল ঐতিহ্যবাহী খাকি রঙ।

প্রায় সাত মাস পর আবারও পরিবর্তন হলো বাংলাদেশ পুলিশের পোশাক। পুলিশ সংস্কারের অংশ হিসেবে চালু হওয়া আগের নকশার পরিবর্তে আজ বুধবার থেকে খাকি প্যান্ট ও নতুন রঙের শার্ট পরে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা।
বুধবার রাজধানীর পূর্বাচলে নবনির্মিত ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নতুন পোশাকে দেখা যায়। নতুন পোশাকে রয়েছে খাকি রঙের প্যান্ট এবং ইউনিটভেদে গাঢ় নীল বা হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের শার্ট।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, বুধবার থেকেই নতুন পোশাকে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা।
তিনি বলেন, ‘এখনো সব পুলিশ সদস্য নতুন পোশাক পাননি। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই সবাই তা পেয়ে যাবেন।’
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশ বাহিনীর পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পরবর্তী সময়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ জুন পুলিশ সদর দপ্তর পোশাকের রঙ পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর ফলে ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে ব্যবহৃত পোশাকের ধরনে ফিরে গেল পুলিশ বাহিনী।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জেলা ও অন্যান্য ইউনিটের পুলিশ সদস্যরা গাঢ় নীল রঙের শার্ট পরবেন। আর সব মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের শার্ট। সব ইউনিটের পুলিশ সদস্যদের প্যান্ট হবে খাকি রঙের।
তবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এ পরিবর্তনের আওতার বাইরে থাকবে। এসব ইউনিটের পোশাকে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকরের মাধ্যমে প্রায় ২২ বছর পর বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে আবারও ফিরল ঐতিহ্যবাহী খাকি রঙ।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাইয়ের ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে ‘নীরব প্রতিবাদ’ জানিয়েছেন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ মনগড়া নয় বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব সাইদুর রহমান খান।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘ
৬ ঘণ্টা আগে