
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাভারের আশুলিয়ায় ছয়জনকে গুলি এবং তাদের লাশ পোড়ানোর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া এই মামলার ১৬ আসামির মধ্যে সাতজনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর দুইজনের ৭ বছর করে সাজার রায় হয়েছে।
পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হক আসামিদের একজন। তিনি এই মামলায় রাজসাক্ষী হয়ে বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাকে ক্ষমা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন— বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ থেকে এটি প্রথম রায় হলো।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি হলেন— সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিশ্বজিৎ সাহা, সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার ও যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন— ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস ও ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি উত্তর) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন।
এ ছাড়া আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আরাফাত উদ্দীন ও কামরুল হাসানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করা হয়েছে। তিনি এই মামলায় অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হয়েছিলেন।
মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন— আবদুল্লাহিল কাফী (যাবজ্জীবন), মো. শহিদুল ইসলাম (যাবজ্জীবন), মো. আরাফাত হোসেন (যাবজ্জীবন), আবদুল মালেক (মৃত্যুদণ্ড), আরাফাত উদ্দীন (৭ বছরের কারাদণ্ড), কামরুল হাসান (৭ বছরের কারাদণ্ড), শেখ আবজালুল হক (ক্ষমা) এবং মুকুল চোকদার (মৃত্যুদণ্ড)।
বাকি আটজন পলাতক আসামি হলেন— মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (মৃত্যুদণ্ড), সৈয়দ নুরুল ইসলাম (যাবজ্জীবন), মো. আসাদুজ্জামান রিপন (যাবজ্জীবন), এ এফ এম সায়েদ (মৃত্যুদণ্ড), মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান (যাবজ্জীবন), নির্মল কুমার দাস (যাবজ্জীবন), বিশ্বজিৎ সাহা (মৃত্যুদণ্ড) ও যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া (মৃত্যুদণ্ড)।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন আশুলিয়া থানা এলাকায় ছয়জনকে গুলি করে তাদের লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত ছিলেন, তাকেও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেদিন যারা নিহত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাজ্জাদ হোসেন, আস–সাবুর, তানজিল মাহমুদ, বায়েজিদ বোস্তামী ও আবুল হোসেন প্রমুখ।
এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা দুটি মামলার রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এর মধ্যে একটি মামলায় গত ১৭ নভেম্বর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলার অপর আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী) হিসেবে জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
গত ২৬ জানুয়ারি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অপর পাঁচ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-১।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাভারের আশুলিয়ায় ছয়জনকে গুলি এবং তাদের লাশ পোড়ানোর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া এই মামলার ১৬ আসামির মধ্যে সাতজনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর দুইজনের ৭ বছর করে সাজার রায় হয়েছে।
পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হক আসামিদের একজন। তিনি এই মামলায় রাজসাক্ষী হয়ে বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাকে ক্ষমা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন— বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ থেকে এটি প্রথম রায় হলো।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি হলেন— সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিশ্বজিৎ সাহা, সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার ও যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন— ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস ও ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি উত্তর) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন।
এ ছাড়া আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আরাফাত উদ্দীন ও কামরুল হাসানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা করা হয়েছে। তিনি এই মামলায় অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হয়েছিলেন।
মামলায় মোট ১৬ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন— আবদুল্লাহিল কাফী (যাবজ্জীবন), মো. শহিদুল ইসলাম (যাবজ্জীবন), মো. আরাফাত হোসেন (যাবজ্জীবন), আবদুল মালেক (মৃত্যুদণ্ড), আরাফাত উদ্দীন (৭ বছরের কারাদণ্ড), কামরুল হাসান (৭ বছরের কারাদণ্ড), শেখ আবজালুল হক (ক্ষমা) এবং মুকুল চোকদার (মৃত্যুদণ্ড)।
বাকি আটজন পলাতক আসামি হলেন— মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (মৃত্যুদণ্ড), সৈয়দ নুরুল ইসলাম (যাবজ্জীবন), মো. আসাদুজ্জামান রিপন (যাবজ্জীবন), এ এফ এম সায়েদ (মৃত্যুদণ্ড), মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান (যাবজ্জীবন), নির্মল কুমার দাস (যাবজ্জীবন), বিশ্বজিৎ সাহা (মৃত্যুদণ্ড) ও যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়া (মৃত্যুদণ্ড)।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন আশুলিয়া থানা এলাকায় ছয়জনকে গুলি করে তাদের লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত ছিলেন, তাকেও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেদিন যারা নিহত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাজ্জাদ হোসেন, আস–সাবুর, তানজিল মাহমুদ, বায়েজিদ বোস্তামী ও আবুল হোসেন প্রমুখ।
এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা দুটি মামলার রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এর মধ্যে একটি মামলায় গত ১৭ নভেম্বর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলার অপর আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী) হিসেবে জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
গত ২৬ জানুয়ারি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অপর পাঁচ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-১।

মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে সরাসরি চীন সফর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই দুই দেশ (মালয়েশিয়া ও চীন) সফরের আগে গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের নেওয়া সিভিল এভিয়েশনের এ মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও অধিক সময়ের জন্য বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন লক্ষ্য, অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
এসময় ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে র্যাবের পদক্ষেপ নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে র্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটাতে চাইলে ছাড় দেয়া হবে না।’
৫ ঘণ্টা আগে
হামের বিস্তার প্রসঙ্গে ড. জিয়াউদ্দিন বলেন, চলতি বছরের প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত শিশুদের বড় অংশই সেই সময়ে জন্ম নেওয়া, যখন নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি ছিল। তবে মার্চে মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দ্রুত জরুরি টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হয় এবং এক মাসের মধ্যে প্রায় শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে