
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাদের বিচার শুরুর জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই দিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করা হবে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
জুলাই-আগস্টে আন্দোলনের সময় রামপুরায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এ ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের ‘সরাসরি গুলি করতে দেখা যায়’।
বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম মুন, ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান।
এই চারজনের মধ্যে রেদোয়ানুল ইসলাম ও মো. রাফাত বিন আলম গ্রেপ্তার হয়েছেন। সকালে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেল থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় তাদের। এ ছাড়া পুলিশের দুই কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমান পলাতক আছেন।
দিনের কার্যক্রমের শুরুতে আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান, সহিদুল ইসলামসহ অন্যরা।
গ্রেপ্তার দু’জনের পক্ষে আইনজীবীরা হলেন হামিদুল মিসবাহ এবং রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘১৮ ও ১৯ জুলাই রামপুরায় বিজিবি ছাত্র-জনতার ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। এ মামলায় দুই বিজিবি কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আগামী ২০ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।’
গত ২১ ডিসেম্বর পলাতক দুই আসামির পক্ষে মো. আমির হোসেন এবং উপস্থিত দুই আসামির জন্য হামিদুল মিসবাহ অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন। এর আগে, ৬ ডিসেম্বর ফরমাল চার্জের ওপর শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
সেনা হেফাজতে থাকা রেদোয়ান ও রাফাতকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় গত ২২ অক্টোবর। শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতকদের হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাদের বিচার শুরুর জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই দিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করা হবে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
জুলাই-আগস্টে আন্দোলনের সময় রামপুরায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এ ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের ‘সরাসরি গুলি করতে দেখা যায়’।
বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম মুন, ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান।
এই চারজনের মধ্যে রেদোয়ানুল ইসলাম ও মো. রাফাত বিন আলম গ্রেপ্তার হয়েছেন। সকালে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেল থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় তাদের। এ ছাড়া পুলিশের দুই কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমান পলাতক আছেন।
দিনের কার্যক্রমের শুরুতে আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান, সহিদুল ইসলামসহ অন্যরা।
গ্রেপ্তার দু’জনের পক্ষে আইনজীবীরা হলেন হামিদুল মিসবাহ এবং রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘১৮ ও ১৯ জুলাই রামপুরায় বিজিবি ছাত্র-জনতার ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। এ মামলায় দুই বিজিবি কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আগামী ২০ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।’
গত ২১ ডিসেম্বর পলাতক দুই আসামির পক্ষে মো. আমির হোসেন এবং উপস্থিত দুই আসামির জন্য হামিদুল মিসবাহ অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন। এর আগে, ৬ ডিসেম্বর ফরমাল চার্জের ওপর শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
সেনা হেফাজতে থাকা রেদোয়ান ও রাফাতকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় গত ২২ অক্টোবর। শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতকদের হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
১১ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
১১ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে