
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আজ শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পলাতক আসামি জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের চিঠি ইস্যু না হওয়ায় শুনানির জন্য নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পলকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।
এদিন সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে জুনায়েদ আহমেদ পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তবে মামলার অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় ১৭ ডিসেম্বর স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
এর আগে, ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। ৪ ডিসেম্বর এই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ জমা দেয় প্রসিকিউশন।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটির উপদেষ্টা ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ইন্টারনেট বন্ধ করে বিশ্বের কাছ থেকে গণহত্যার তথ্য লুকানোর চেষ্টা করেছিল আইসিটি মন্ত্রণালয়। যার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে জয়ের নাম উল্লেখ করা হয়। আর বাংলাদেশে বসে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন পলক। ফলে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানির দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হয় ট্রাইব্যুনালে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আজ শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পলাতক আসামি জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের চিঠি ইস্যু না হওয়ায় শুনানির জন্য নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পলকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।
এদিন সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে জুনায়েদ আহমেদ পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তবে মামলার অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় ১৭ ডিসেম্বর স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
এর আগে, ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। ৪ ডিসেম্বর এই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ জমা দেয় প্রসিকিউশন।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটির উপদেষ্টা ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ইন্টারনেট বন্ধ করে বিশ্বের কাছ থেকে গণহত্যার তথ্য লুকানোর চেষ্টা করেছিল আইসিটি মন্ত্রণালয়। যার মাস্টারমাইন্ড হিসেবে জয়ের নাম উল্লেখ করা হয়। আর বাংলাদেশে বসে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন পলক। ফলে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানির দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হয় ট্রাইব্যুনালে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
১১ ঘণ্টা আগে