
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ১২ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শনিবার দুপুরে তাদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন— শিহাব উদ্দিন (৩২), মারজুক আহমেদ (২৬), সাইফুর রহমান খান (৩২), রাম্মি মিয়া (২৯), কামিছুল ইসলাম (৩৬), সাজ্জাদ হোসেন (২২), আফিফ আহমেদ (২০), মোহাইমিনুল হক (২৭), জাওজি চৌধুরী (১৯), শাহাদাত হোসেন (২৫), সাকিব আহমেদ (২৬) ও জুনায়েদ আহমেদ (২১)।
এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদে সন্দেহজনকভাবে একত্রিত হওয়ার সময় ২৩ জনকে আটক করে সিটিটিসি। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর ১১ জনকে পরিবারের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্রে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আজ শনিবার দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন সিটিটিসির পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আদালতে যুক্তি দেন তিনি।
রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রাখেন। পরে ওই আলোতেই রিমান্ড শুনানি শুরু হয়।
সিটিটিসির পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ আদালতে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ‘মিটআপ’ নামে একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য। ওই গ্রুপের মাধ্যমে তারা উগ্রবাদী কথাবার্তা ও বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ করতেন। নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা একত্রিত হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আখতার মোর্শেদ বলেন, তারা নতুন প্রজন্মকে নিজেদের মতাদর্শে দীক্ষিত করতে চায়। এ জন্য তারা একত্রিত হয়েছিল। জঙ্গি সংগঠনের আদলে গড়ে ওঠা এই সংগঠনের অনেক সদস্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদারও রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ব্যবহৃত মোবাইল ডিভাইসে জঙ্গি কার্যক্রমের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। তারা কেন মসজিদে একত্রিত হয়েছিল এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কোনো রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ছিল কি না এবং এ ক্ষেত্রে পাশের কোনো দেশের প্ররোচনা বা অর্থায়ন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে রিমান্ড প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মাসুদ-উর-রহমান রিমান্ড আবেদন বাতিল করে তাদের জামিনের আবেদন করেন। তিনি বলেন, ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়ার মতো কী আলামত পাওয়া গেছে, তা স্পষ্ট নয়। বিরোধিতা করলেই কাউকে জঙ্গি তকমা দেওয়া হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় সিটিটিসির পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ আদালতে একটি কাগজ জমা দিয়ে বলেন, আটটি বিষয় পাওয়া গেছে, যার একটিও দেশের স্থিতিশীলতার পক্ষে যায় না।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিকেল ৪টার দিকে তাদের এজলাস থেকে কারাগারে নেওয়া হয়। তখনো আদালতপাড়ায় বিদ্যুৎ ফেরেনি।
পরে আইনজীবী আজিজুল হক দিদার বলেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মোবাইল ফোনের আলো ব্যবহার করে রিমান্ড শুনানি করতে হয়েছে।

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ১২ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শনিবার দুপুরে তাদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন— শিহাব উদ্দিন (৩২), মারজুক আহমেদ (২৬), সাইফুর রহমান খান (৩২), রাম্মি মিয়া (২৯), কামিছুল ইসলাম (৩৬), সাজ্জাদ হোসেন (২২), আফিফ আহমেদ (২০), মোহাইমিনুল হক (২৭), জাওজি চৌধুরী (১৯), শাহাদাত হোসেন (২৫), সাকিব আহমেদ (২৬) ও জুনায়েদ আহমেদ (২১)।
এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদে সন্দেহজনকভাবে একত্রিত হওয়ার সময় ২৩ জনকে আটক করে সিটিটিসি। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর ১১ জনকে পরিবারের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্রে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আজ শনিবার দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন সিটিটিসির পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আদালতে যুক্তি দেন তিনি।
রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রাখেন। পরে ওই আলোতেই রিমান্ড শুনানি শুরু হয়।
সিটিটিসির পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ আদালতে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ‘মিটআপ’ নামে একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য। ওই গ্রুপের মাধ্যমে তারা উগ্রবাদী কথাবার্তা ও বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ করতেন। নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা একত্রিত হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আখতার মোর্শেদ বলেন, তারা নতুন প্রজন্মকে নিজেদের মতাদর্শে দীক্ষিত করতে চায়। এ জন্য তারা একত্রিত হয়েছিল। জঙ্গি সংগঠনের আদলে গড়ে ওঠা এই সংগঠনের অনেক সদস্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদারও রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ব্যবহৃত মোবাইল ডিভাইসে জঙ্গি কার্যক্রমের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। তারা কেন মসজিদে একত্রিত হয়েছিল এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কোনো রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ছিল কি না এবং এ ক্ষেত্রে পাশের কোনো দেশের প্ররোচনা বা অর্থায়ন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে রিমান্ড প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মাসুদ-উর-রহমান রিমান্ড আবেদন বাতিল করে তাদের জামিনের আবেদন করেন। তিনি বলেন, ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়ার মতো কী আলামত পাওয়া গেছে, তা স্পষ্ট নয়। বিরোধিতা করলেই কাউকে জঙ্গি তকমা দেওয়া হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় সিটিটিসির পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ আদালতে একটি কাগজ জমা দিয়ে বলেন, আটটি বিষয় পাওয়া গেছে, যার একটিও দেশের স্থিতিশীলতার পক্ষে যায় না।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিকেল ৪টার দিকে তাদের এজলাস থেকে কারাগারে নেওয়া হয়। তখনো আদালতপাড়ায় বিদ্যুৎ ফেরেনি।
পরে আইনজীবী আজিজুল হক দিদার বলেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মোবাইল ফোনের আলো ব্যবহার করে রিমান্ড শুনানি করতে হয়েছে।

নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
১ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
১ দিন আগে
জোনায়েদ সাকি উল্লেখ করেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লে ব্যয়ও বাড়ে এবং এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হয়। তাই নির্ধারিত সময়ে, সাশ্রয়ী ব্যয়ে ও যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
১ দিন আগে