
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ নতুন সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহকে আজ, মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর), ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তিনি মামলার ২২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেবেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ সকাল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করবে।
এই প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মোট ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন। এরা হলেন— এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
এই মামলার ২৪ জন আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত চারজন আইনজীবী শুনানি পরিচালনা করছেন।
২৮ আগস্ট আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। একই দিনে একজন সাংবাদিকও সাক্ষ্য দেন। মোট ৬২ জন সাক্ষীকে এ মামলায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গ্রহণের পর ২৭ আগস্ট মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
৩০ জুন মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেওয়া হয় এবং ২৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর ধাপে ধাপে বিভিন্ন আসামির পক্ষে পৃথক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ নতুন সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহকে আজ, মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর), ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তিনি মামলার ২২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেবেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ সকাল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করবে।
এই প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মোট ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন। এরা হলেন— এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
এই মামলার ২৪ জন আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত চারজন আইনজীবী শুনানি পরিচালনা করছেন।
২৮ আগস্ট আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। একই দিনে একজন সাংবাদিকও সাক্ষ্য দেন। মোট ৬২ জন সাক্ষীকে এ মামলায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গ্রহণের পর ২৭ আগস্ট মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
৩০ জুন মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেওয়া হয় এবং ২৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর ধাপে ধাপে বিভিন্ন আসামির পক্ষে পৃথক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
১৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
১৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
১৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে