
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সব মুসলিমসহ মজলুমদের হেফাজাত চেয়ে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া চেয়ে মোনাজাত করেছেন ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা। এ নামাজ শেষে মোনাজাত করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর সুপ্রিম কোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে বিভিন্ন শ্রেণিপেশা ও বয়সের হাজারও মানুষ এই ঈদ জামাতে নামাজ পড়েন এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিচারপতি, কূটনীতিক ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাতীয় ঈদগাহে ঈদের এই জামাতে অংশ নেন।
মুফতি আবদুল মালেক মোনাজাতে আল্লাহর উদ্দেশে বলেন, ইয়া আল্লাহ, কবুলিয়তের এই মুহূর্তে আমরা আমাদের সকল মজলুম ভাইদের স্মরণ করছি। ইয়া আল্লাহ, আপনি মেহেরবানি করে সকল মজলুম ভাইদের হেফাজত করেন। ইয়া আল্লাহ, সকল মজলুমদের আপনি হেফাজত করেন।
তিনি বলেন, ইয়া আল্লাহ, জালিমদের বন্দি করে দেন মওলা। ইয়া আল্লাহ, জালিমরা যেন কারও ওপর জুলুম না করতে পারে, ইয়া আল্লাহ, ইয়া মওলা, মেহেরবানি করে আপনি সেই ইন্তেজাম করে দেন। ইয়া আল্লাহ, সকল মজলুমদের আপনি জুলুম থেকে হেফাজত করেন।
মুসলিমদের হেফাজত চেয়ে খতিব বলেন, জালিমদের উত্তম বিচার আপনিই করতে পারেন। ইয়া আল্লাহ, পুরা বিশ্বে বিভিন্ন জায়গায় মুসলমানরা মজলুম হয়ে আছে, নিজেরা নিজেদের রক্ষা করতে পারছে না। কোরবানির ইবাদত আপনার নৈকট্যের জন্য, আপনি শিখিয়েছেন ইয়া আল্লাহ, সেই ইবাদত তারা স্বাধীনভাবে আদায় করতে পারছে না। ইয়া আল্লাহ, যেখানে মুসলমানরা সংখ্যালঘু, সেখানে তাদের জানমালের নিরাপত্তা কিছু থাকে না। ইয়া আল্লাহ, আপনি এই জুলুম থেকে আমাদের হেফাজত করেন। পুরা বিশ্বের মুসলিমদের হেফাজত করেন। পুরা মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করেন।
দেশ সুন্দরভাবে পরিচালনায় সরকারের জন্যও দোয়া করেন জাতীয় মসজিদের এই খতিব। মোনাজাতে তিনি বলেন, আমাদের দেশের সরকারকে আপনি মেহেরবানি করে হিম্মত, নেক হায়াত, সুস্থতা বাড়িয়ে দেন মওলা, হায়াত বাড়িয়ে দেন মওলা। আপনার দিনের হেফাজত আপনিই হেফাজত করেন মওলা। নেক কাজের সুযোগ করে দেন। ইয়া আল্লাহ, আপনি মেহেরবানি করে আমাদের নেক কাজের তৌফিক দান করেন।
জামাত শেষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যরা পরস্পর কোলাকুলি ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে তল্লাশির মাধ্যমে ঈদ জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের ঈদগাহে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানসহ মন্ত্রী-এমপি ও প্রাশাসনিক কর্মকর্তারা এ জামাতে অংশ নেওয়ায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।
কঠোর নিরাপত্তা আর তল্লাশি থাকলেও প্রধান এ ঈদ জামাতে নেমেছিল মানুষের ঢল। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। ভেতরের জায়গা পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় ঈদগাহের সামনের রাস্তায় জায়নামাজ ও চাদর বিছিয়ে নামাজে অংশ নেন অনেকে।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সব মুসলিমসহ মজলুমদের হেফাজাত চেয়ে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া চেয়ে মোনাজাত করেছেন ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা। এ নামাজ শেষে মোনাজাত করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর সুপ্রিম কোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে বিভিন্ন শ্রেণিপেশা ও বয়সের হাজারও মানুষ এই ঈদ জামাতে নামাজ পড়েন এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিচারপতি, কূটনীতিক ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাতীয় ঈদগাহে ঈদের এই জামাতে অংশ নেন।
মুফতি আবদুল মালেক মোনাজাতে আল্লাহর উদ্দেশে বলেন, ইয়া আল্লাহ, কবুলিয়তের এই মুহূর্তে আমরা আমাদের সকল মজলুম ভাইদের স্মরণ করছি। ইয়া আল্লাহ, আপনি মেহেরবানি করে সকল মজলুম ভাইদের হেফাজত করেন। ইয়া আল্লাহ, সকল মজলুমদের আপনি হেফাজত করেন।
তিনি বলেন, ইয়া আল্লাহ, জালিমদের বন্দি করে দেন মওলা। ইয়া আল্লাহ, জালিমরা যেন কারও ওপর জুলুম না করতে পারে, ইয়া আল্লাহ, ইয়া মওলা, মেহেরবানি করে আপনি সেই ইন্তেজাম করে দেন। ইয়া আল্লাহ, সকল মজলুমদের আপনি জুলুম থেকে হেফাজত করেন।
মুসলিমদের হেফাজত চেয়ে খতিব বলেন, জালিমদের উত্তম বিচার আপনিই করতে পারেন। ইয়া আল্লাহ, পুরা বিশ্বে বিভিন্ন জায়গায় মুসলমানরা মজলুম হয়ে আছে, নিজেরা নিজেদের রক্ষা করতে পারছে না। কোরবানির ইবাদত আপনার নৈকট্যের জন্য, আপনি শিখিয়েছেন ইয়া আল্লাহ, সেই ইবাদত তারা স্বাধীনভাবে আদায় করতে পারছে না। ইয়া আল্লাহ, যেখানে মুসলমানরা সংখ্যালঘু, সেখানে তাদের জানমালের নিরাপত্তা কিছু থাকে না। ইয়া আল্লাহ, আপনি এই জুলুম থেকে আমাদের হেফাজত করেন। পুরা বিশ্বের মুসলিমদের হেফাজত করেন। পুরা মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করেন।
দেশ সুন্দরভাবে পরিচালনায় সরকারের জন্যও দোয়া করেন জাতীয় মসজিদের এই খতিব। মোনাজাতে তিনি বলেন, আমাদের দেশের সরকারকে আপনি মেহেরবানি করে হিম্মত, নেক হায়াত, সুস্থতা বাড়িয়ে দেন মওলা, হায়াত বাড়িয়ে দেন মওলা। আপনার দিনের হেফাজত আপনিই হেফাজত করেন মওলা। নেক কাজের সুযোগ করে দেন। ইয়া আল্লাহ, আপনি মেহেরবানি করে আমাদের নেক কাজের তৌফিক দান করেন।
জামাত শেষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যরা পরস্পর কোলাকুলি ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে তল্লাশির মাধ্যমে ঈদ জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের ঈদগাহে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানসহ মন্ত্রী-এমপি ও প্রাশাসনিক কর্মকর্তারা এ জামাতে অংশ নেওয়ায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।
কঠোর নিরাপত্তা আর তল্লাশি থাকলেও প্রধান এ ঈদ জামাতে নেমেছিল মানুষের ঢল। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। ভেতরের জায়গা পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় ঈদগাহের সামনের রাস্তায় জায়নামাজ ও চাদর বিছিয়ে নামাজে অংশ নেন অনেকে।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৫ ঘণ্টা আগে