
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সারা দেশের কৃষককে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকার। এতে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কার্ডধারী কৃষকেরা। আজ রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রাক পাইলটিংয়ের জন্য ব্যয় হবে প্রায় আট কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রাক পাইলটিংয় শেষ হওয়ার পর আগামী আগস্ট পর্যন্ত ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী চার বছরে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ ও তথ্য ভাণ্ডার তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে ওই ১১টি ব্লকের কৃষক, মৎস্যচাষী, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণ চাষীকে '' কৃষক কার্ড'' দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড। সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় পর্যায়ের শাখায় সংশ্লিষ্ট কৃষকদের নামে এই কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ভূমিহীন কৃষক ২ হাজার ২৪৬ জন, প্রান্তিক কৃষক ৯ হাজার ৪৫৮ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ৮ হাজার ৯৬৭ জন, মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ এবং বড় কৃষক ৯১ জন।
এর মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকাও নগদ দেওয়া হবে। ২২ হাজার ৬৫ জনের মধ্যে এই সংখ্যা ২০ হাজার ৬৭১ জন।
কার্ড পাওয়া কৃষকেরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। এগুলো হলো এক, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, দুই. ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, তিন. সহজ শর্তে কৃষিঋণ, চার স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, পাঁচ. সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, ছয়. মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, সাত. কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, আট, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, নয়. কৃষি বিমা সুবিধা এবং দশ. ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা পাবেন কৃষকেরা।
কৃষিমন্ত্রী জানান কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছে সরবরাহ করা পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন ব্যবহার করে সার, বীজ,মৎস্য বা প্রাণিখাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন।

সারা দেশের কৃষককে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকার। এতে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কার্ডধারী কৃষকেরা। আজ রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রাক পাইলটিংয়ের জন্য ব্যয় হবে প্রায় আট কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রাক পাইলটিংয় শেষ হওয়ার পর আগামী আগস্ট পর্যন্ত ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী চার বছরে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ ও তথ্য ভাণ্ডার তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে ওই ১১টি ব্লকের কৃষক, মৎস্যচাষী, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণ চাষীকে '' কৃষক কার্ড'' দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড। সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় পর্যায়ের শাখায় সংশ্লিষ্ট কৃষকদের নামে এই কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ভূমিহীন কৃষক ২ হাজার ২৪৬ জন, প্রান্তিক কৃষক ৯ হাজার ৪৫৮ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ৮ হাজার ৯৬৭ জন, মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ এবং বড় কৃষক ৯১ জন।
এর মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকাও নগদ দেওয়া হবে। ২২ হাজার ৬৫ জনের মধ্যে এই সংখ্যা ২০ হাজার ৬৭১ জন।
কার্ড পাওয়া কৃষকেরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। এগুলো হলো এক, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, দুই. ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, তিন. সহজ শর্তে কৃষিঋণ, চার স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, পাঁচ. সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, ছয়. মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, সাত. কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, আট, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, নয়. কৃষি বিমা সুবিধা এবং দশ. ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা পাবেন কৃষকেরা।
কৃষিমন্ত্রী জানান কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছে সরবরাহ করা পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন ব্যবহার করে সার, বীজ,মৎস্য বা প্রাণিখাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন।

গত শতক থেকেই এ শোভাযাত্রা বাংলা বর্ষবরণের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। যশোরে ‘বর্ষবরণ শোভাযাত্রা’ ও ঢাকায় ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে সূচনা এ আয়োজনের। পরে এটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে গণমানুষকে বৈশাখের ডাকে এক করে এসেছে। ২০১৬ সালে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামেই ইউনেসকো একে বিশ্ব সাংস্
৬ ঘণ্টা আগে
ছায়ানট সভাপতি আরও বলেন, আমরা সমাজের কাছে অভয় বাণী শুনতে চাই— সংবাদকর্মীরা যেন নির্ভয়ে প্রকৃত মত প্রকাশ করতে পারেন, আমরা যেন নির্ভয়ে গান গাইতে পারি, সংস্কৃতির সকল প্রকাশ যেন নির্বিঘ্নে হয়। বাঙালি যেন শঙ্কামুক্ত জীবন যাপন করতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
এবারের বর্ষবরণে ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন, চারুকলার নতুন মোটিফ, বিশ্বশান্তির বার্তা ও নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ স্লোগানে বাংলা বর্ষপঞ্জির নতুন অধ্যায়ে রয়েছে নতুন দিনের প্রত্যাশাও। ফলে পহেলা বৈশাখ আবারও হয়ে উঠছে বাঙালির আত্ম
১১ ঘণ্টা আগে
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ইয়ারুল কবীরকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।
১৮ ঘণ্টা আগে