
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ মে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে।
তবে দীর্ঘ ছুটির সমন্বয়ে আগামী ২৩ ও ২৪ মে, যা সাপ্তাহিক ছুটির দিন, ওই দুই দিন অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এর আগে গত ৭ মে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঈদ উপলক্ষে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। এর ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে দেশে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জরুরি পরিষেবাগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট পরিবহন সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও ছুটির বাইরে থাকবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
অন্যদিকে বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটি সংক্রান্ত বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনীতি/একে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ মে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে।
তবে দীর্ঘ ছুটির সমন্বয়ে আগামী ২৩ ও ২৪ মে, যা সাপ্তাহিক ছুটির দিন, ওই দুই দিন অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এর আগে গত ৭ মে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঈদ উপলক্ষে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। এর ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে দেশে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জরুরি পরিষেবাগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট পরিবহন সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও ছুটির বাইরে থাকবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
অন্যদিকে বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটি সংক্রান্ত বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনীতি/একে

সংসদ নেতা বলেন, ‘বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক একটি পরিবেশ বিরাজ করছে, বাক্স্বাধীনতা অবারিত। কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার, বাক্স্বাধীনতা যেন বাক্শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে।’
১৪ ঘণ্টা আগে
তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর পানি নিয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিস্তা সমস্যার সমাধান না হলে উত্তরবঙ্গের মানুষের কষ্ট দূর হবে না। তিনি দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি ন্যায়সংগত ও টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বা
১৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এ অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন হয়েছে এবং ছয়টি বিল পাসও করা হয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়। এ ছাড়া একটি বিশেষ কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১৫ ঘণ্টা আগে