
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বকেয়া বেতন ও চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন রেলওয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া গেটকিপাররা। তারা জানিয়েছেন, ৭-৮ মাস যাবৎ তারা বেতন পান না। বিষয়টি অসংখ্যবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপির মাধ্যমে জানিয়েছেন কিন্তু কর্তৃপক্ষের সাড়া না পেয়ে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন প্রকল্পের গেটকিপাররা। কর্মসূচিতে প্রায় ২৫০ জনের মতো কর্মী অবস্থান নিয়েছেন। কর্মসূচি থেকে তারা নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব মইনুল ইসলামের পদত্যাগ দাবিও করেন।
গেটকিপার মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে আমাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। আমরা বর্তমানে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে দায়িত্ব পালন করছি। এতদিন পেরিয়ে গেলেও আমাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়নি। গত ৭-৮ মাস ধরে আমাদের বেতন বন্ধ রয়েছে। গত ৮ মাসে জানিয়েছে আমাদের বেতন চলমান থাকবে। কিন্তু আমাদের বেতন চলমান হয়নি। আমরা বেতনের দাবিতে এখানে এসেছি। এছাড়া আমাদের সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে ১ হাজার ৫০৫ জনের রাজস্ব চাই।
অন্যান্যরা বলেন, আমাদের রাজস্বতে নেওয়ার জন্য বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আমরা বারবার তাদের কাছে এসেছি কিন্তু তারা আমাদের কথা শুনছেন না। ৮ মাস যাবৎ আমাদের বেতন বন্ধ। একটা অসহায় পরিবার বেতন ছাড়া কীভাবে চলবে? এই বিষয়টি রেল ভবনে আমাদের যারা অভিভাবক তারা কখনও উপলব্ধি করেননি।
তারা আরও বলেন, নিয়োগ পাওয়ার পর আমরা কর্মস্থলে যাওয়ার পর দেখি সেখানে নাজুক অবস্থা। সেখানে পানি, বিদ্যুৎ, টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। সেখানে ডিউটি করা কঠিন। আমরাও তো মানুষ। আমাদের কি মৌলিক অধিকার নেই?

বকেয়া বেতন ও চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন রেলওয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া গেটকিপাররা। তারা জানিয়েছেন, ৭-৮ মাস যাবৎ তারা বেতন পান না। বিষয়টি অসংখ্যবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপির মাধ্যমে জানিয়েছেন কিন্তু কর্তৃপক্ষের সাড়া না পেয়ে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন প্রকল্পের গেটকিপাররা। কর্মসূচিতে প্রায় ২৫০ জনের মতো কর্মী অবস্থান নিয়েছেন। কর্মসূচি থেকে তারা নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব মইনুল ইসলামের পদত্যাগ দাবিও করেন।
গেটকিপার মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে আমাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। আমরা বর্তমানে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে দায়িত্ব পালন করছি। এতদিন পেরিয়ে গেলেও আমাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়নি। গত ৭-৮ মাস ধরে আমাদের বেতন বন্ধ রয়েছে। গত ৮ মাসে জানিয়েছে আমাদের বেতন চলমান থাকবে। কিন্তু আমাদের বেতন চলমান হয়নি। আমরা বেতনের দাবিতে এখানে এসেছি। এছাড়া আমাদের সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে ১ হাজার ৫০৫ জনের রাজস্ব চাই।
অন্যান্যরা বলেন, আমাদের রাজস্বতে নেওয়ার জন্য বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আমরা বারবার তাদের কাছে এসেছি কিন্তু তারা আমাদের কথা শুনছেন না। ৮ মাস যাবৎ আমাদের বেতন বন্ধ। একটা অসহায় পরিবার বেতন ছাড়া কীভাবে চলবে? এই বিষয়টি রেল ভবনে আমাদের যারা অভিভাবক তারা কখনও উপলব্ধি করেননি।
তারা আরও বলেন, নিয়োগ পাওয়ার পর আমরা কর্মস্থলে যাওয়ার পর দেখি সেখানে নাজুক অবস্থা। সেখানে পানি, বিদ্যুৎ, টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। সেখানে ডিউটি করা কঠিন। আমরাও তো মানুষ। আমাদের কি মৌলিক অধিকার নেই?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ অধিবেশন নিয়ে তিনি বলেন, “সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিল আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকব কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের পরবর্তী নিয়মিত অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে—এই দুটি সময় ব্যাপ্তির মিল থাকায় বিশেষ অধিবেশনের আপ
৬ ঘণ্টা আগে
সরকার মনে করলে আগস্টে বিশেষ অধিবেশন হতে পারে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিলো আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের নেক্সট অধিবেশন ৬০দিনের মধ্যে, ২টি টাইম ম্যাচ করছে সেহেতু বিশেষ অধিবেশনের
৭ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরে জানতে পারেন তাহসিনের কথা, মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে তার বোনকে হারানোর ইতিহাস। বিষয়টি জানার পর তিনি তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে তাহসিন ও তার পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব জানান, এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহ
২০ ঘণ্টা আগে