
দিনাজপুর প্রতিনিধি

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একদিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।
আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় ইউনিটটি চালু করা হয়। বর্তমানে এখান থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে।
কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গতকাল (শুক্রবার, ১৪ আগস্ট) সকালে পাম্পে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়।
এদিকে, কেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিট চালু রয়েছে এবং সেখান থেকে ১৭০ থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। আর ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে।

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একদিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।
আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় ইউনিটটি চালু করা হয়। বর্তমানে এখান থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে।
কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গতকাল (শুক্রবার, ১৪ আগস্ট) সকালে পাম্পে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়।
এদিকে, কেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিট চালু রয়েছে এবং সেখান থেকে ১৭০ থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। আর ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে 'আলী আলী মওলা আলী', 'পর্দা হ্যায় পর্দা', 'আমার দেহ মন বলে নবী নবী', 'ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো', 'দমাদম মাস্ত কালান্দর' ও 'খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা'-সহ জনপ্রিয় বেশ কিছু উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালী পরিবেশন করা হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
সামিট জানিয়েছে, ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষে কাজ চলছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সি স্পাইকের সব কার্গো ট্যাংক অক্ষত আছে। কোনো ট্যাংকে পানি ঢোকেনি। জাহাজ থেকে তেল নিঃসরণের ঘটনাও ঘটেনি। তবে সংঘর্ষে জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষের বাঁ পাশের পেছনের দিকে প্রায় এক বর্গমিটার ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। ওই ফাটল দিয়ে পানি ঢোকার পর জাহাজটিতে সাময়িক বিদ্যুৎ-বিপর্যয় ঘটে।
১৭ ঘণ্টা আগে
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রেসক্লাবের অধীনে একটি “সাংস্কৃতিক একাডেমি” বা “শিশু বিকাশ কেন্দ্র” গঠন করা উচিত। যেখানে শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি গান, নাচ, আবৃত্তি, ছবি আঁকা এবং গল্প বলার মতো সৃজনশীল কাজগুলো শিখতে পারবে।’
১৯ ঘণ্টা আগে