
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময়ের মধ্যে জেলাগুলোতে প্রায় ২০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা পাহাড় ধসের উচ্চ ঝুঁকি এবং আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। এছাড়া বান্দরবানে ২১০, রাঙামাটিতে ১৬৫ এবং কক্সবাজারে ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে পাহাড় ধসের জন্য কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও সদর উপজেলা; চট্টগ্রামের সিটি কর্পোরেশনের ৭, ৮, ৯ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং বাঁশখালী উপজেলা; বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা ও সদর উপজেলাসহ রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে জানমালের সুরক্ষায় পাহাড়ের ঢাল বা অতিঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু, প্রতিবন্ধী ও গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, টর্চলাইট, মোমবাতি, দিয়াশলাই, তিন দিনের কাপড় এবং মূল্যবান কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক চার্জ দিয়ে রাখা এবং গবাদিপশুকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বন্যার পানি থেকে রক্ষা পেতে নদী বা ঝিরির কাছাকাছি অবস্থান করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ঘরের কাছের নালা ও পানিনিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার রাখতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা এবং জনগণের মাঝে দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচারের জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময়ের মধ্যে জেলাগুলোতে প্রায় ২০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা পাহাড় ধসের উচ্চ ঝুঁকি এবং আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। এছাড়া বান্দরবানে ২১০, রাঙামাটিতে ১৬৫ এবং কক্সবাজারে ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে পাহাড় ধসের জন্য কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও সদর উপজেলা; চট্টগ্রামের সিটি কর্পোরেশনের ৭, ৮, ৯ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং বাঁশখালী উপজেলা; বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা ও সদর উপজেলাসহ রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে জানমালের সুরক্ষায় পাহাড়ের ঢাল বা অতিঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু, প্রতিবন্ধী ও গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, টর্চলাইট, মোমবাতি, দিয়াশলাই, তিন দিনের কাপড় এবং মূল্যবান কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক চার্জ দিয়ে রাখা এবং গবাদিপশুকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বন্যার পানি থেকে রক্ষা পেতে নদী বা ঝিরির কাছাকাছি অবস্থান করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ঘরের কাছের নালা ও পানিনিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার রাখতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা এবং জনগণের মাঝে দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচারের জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে