
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে যাত্রী, পরিবহন মালিক ও চালকদের জন্য বেশ কিছু নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব পরামর্শ জানানো হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে যাত্রীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ঈদের ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে করতে হবে এবং যাত্রাকালে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। চালককে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে চাপ না দেওয়ার পাশাপাশি বাসের ছাদে কিংবা ট্রাক, পিকআপসহ পণ্যবাহী যানবাহনে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে জেব্রা ক্রসিং বা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে এসব সুবিধা নেই, সেখানে যানবাহনের গতি পর্যবেক্ষণ করে সতর্কতার সঙ্গে রাস্তা পার হতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
বাস চালকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্লান্তি, অবসাদ বা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি না চালানো, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং বাসে অতিরিক্ত যাত্রী না তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলের সময় পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার কথাও বলা হয়েছে।
নৌপথে যাত্রীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চ, স্টিমার বা স্পিডবোটে না ওঠা এবং নৌযানের ছাদে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌপথে ভ্রমণ না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় লাইফ জ্যাকেট পরার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নৌযান মালিকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত গ্রেডের মাস্টার ও ড্রাইভার দ্বারা নৌযান পরিচালনা করতে হবে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌযানের চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি মাস্টার ব্রিজে যাত্রীদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক বয়া ও লাইফ জ্যাকেট রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নৌযান চালকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে বন্দর ত্যাগ করা, ডেকে যাত্রীদের বসার স্থানে মালামাল না রাখা, পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও বয়া রাখা এবং ঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিলে নৌযান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নৌযানে মোবাইল ফোন ও রেডিও রাখার পাশাপাশি নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিন শোনার কথাও বলা হয়েছে।
ট্রেন যাত্রীদেরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, ট্রেনের ছাদ, বাফার, পাদানি বা ইঞ্জিনে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে। ভ্রমণের সময় পাথর নিক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং মালামাল নিজের দায়িত্বে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রয়োজনে সহায়তার জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কন্ট্রোল রুমে ০১৩২০০০১৩০০ ও ০১৩২০০০১২৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া হাইওয়ে পুলিশে ০১৩২০১৮২৫৯৮, রেলওয়ে পুলিশে ০১৩২০১৭৭৫৯৮, নৌ পুলিশে ০১৩২০১৬৯৫৯৮ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র্যাব) ০১৭৭৭৭২০০২৯ নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে জেলা পুলিশ সুপার বা সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যেতে পারে।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে যাত্রী, পরিবহন মালিক ও চালকদের জন্য বেশ কিছু নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব পরামর্শ জানানো হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে যাত্রীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ঈদের ভ্রমণ পরিকল্পনা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে করতে হবে এবং যাত্রাকালে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। চালককে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে চাপ না দেওয়ার পাশাপাশি বাসের ছাদে কিংবা ট্রাক, পিকআপসহ পণ্যবাহী যানবাহনে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে জেব্রা ক্রসিং বা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেখানে এসব সুবিধা নেই, সেখানে যানবাহনের গতি পর্যবেক্ষণ করে সতর্কতার সঙ্গে রাস্তা পার হতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
বাস চালকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্লান্তি, অবসাদ বা অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি না চালানো, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং বাসে অতিরিক্ত যাত্রী না তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলের সময় পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার কথাও বলা হয়েছে।
নৌপথে যাত্রীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চ, স্টিমার বা স্পিডবোটে না ওঠা এবং নৌযানের ছাদে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌপথে ভ্রমণ না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় লাইফ জ্যাকেট পরার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নৌযান মালিকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত গ্রেডের মাস্টার ও ড্রাইভার দ্বারা নৌযান পরিচালনা করতে হবে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নৌযানের চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি মাস্টার ব্রিজে যাত্রীদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক বয়া ও লাইফ জ্যাকেট রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নৌযান চালকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে বন্দর ত্যাগ করা, ডেকে যাত্রীদের বসার স্থানে মালামাল না রাখা, পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও বয়া রাখা এবং ঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিলে নৌযান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নৌযানে মোবাইল ফোন ও রেডিও রাখার পাশাপাশি নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিন শোনার কথাও বলা হয়েছে।
ট্রেন যাত্রীদেরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, ট্রেনের ছাদ, বাফার, পাদানি বা ইঞ্জিনে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে। ভ্রমণের সময় পাথর নিক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং মালামাল নিজের দায়িত্বে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রয়োজনে সহায়তার জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কন্ট্রোল রুমে ০১৩২০০০১৩০০ ও ০১৩২০০০১২৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া হাইওয়ে পুলিশে ০১৩২০১৮২৫৯৮, রেলওয়ে পুলিশে ০১৩২০১৭৭৫৯৮, নৌ পুলিশে ০১৩২০১৬৯৫৯৮ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র্যাব) ০১৭৭৭৭২০০২৯ নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে জেলা পুলিশ সুপার বা সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যেতে পারে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০ মে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ জুন শুরু হয়ে ১৩ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল।
২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজাখস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ও আস্তানায় স্থায়ী কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের বিষয়ে একমত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
শ্রম আইনের মামলায় আজ বুধবার সকালে গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ চার আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতের বিচারক গোলাম আজম এ দিন দুপুরে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নকল এখন না থাকলেও নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তাহলে কোনভাবেই এর সঙ্গে জড়িতদের ছাড় দেয়া হবে না।’
৫ ঘণ্টা আগে