
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশে-প্রবাসে বসবাসকারী বাংলাদেশি এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সবার মধ্যে নতুন উদ্যম ও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘ঈদের অনাবিল আনন্দে সবার জীবন ভরে উঠুক। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে যাক সবার ঘরে ঘরে। প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ, মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের সব মানুষের সুখ, শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।’
শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও সৌহার্দ্যময় রাষ্ট্র গঠনে পবিত্র ঈদুল ফিতরের তাৎপর্য অপরিসীম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার শুভ সূচনা ঘটেছে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় আমরা এগিয়ে চলেছি।’
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘ঈদুল ফিতর মুসলমানদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর অপার খুশি আর আনন্দের সুসংবাদ নিয়ে আমাদের মধ্যে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুমিন মুসলমানরা সব অন্যায়, অবিচার ও পাপাচার থেকে মুক্ত হয়ে উত্তম চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন ও পারলৌকিক মুক্তির প্রয়াস পায়।’
ঈদের দিনে ধনী-গরিব সবাইকে এককাতারে শামিল হওয়ার এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল শ্রেণিকে দরিদ্র ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর পাশে আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটের অনাকাঙ্ক্ষিত অভিঘাত বাংলাদেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশে-প্রবাসে বসবাসকারী বাংলাদেশি এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সবার মধ্যে নতুন উদ্যম ও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘ঈদের অনাবিল আনন্দে সবার জীবন ভরে উঠুক। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে যাক সবার ঘরে ঘরে। প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ, মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের সব মানুষের সুখ, শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।’
শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও সৌহার্দ্যময় রাষ্ট্র গঠনে পবিত্র ঈদুল ফিতরের তাৎপর্য অপরিসীম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার শুভ সূচনা ঘটেছে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় আমরা এগিয়ে চলেছি।’
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘ঈদুল ফিতর মুসলমানদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর অপার খুশি আর আনন্দের সুসংবাদ নিয়ে আমাদের মধ্যে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুমিন মুসলমানরা সব অন্যায়, অবিচার ও পাপাচার থেকে মুক্ত হয়ে উত্তম চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন ও পারলৌকিক মুক্তির প্রয়াস পায়।’
ঈদের দিনে ধনী-গরিব সবাইকে এককাতারে শামিল হওয়ার এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল শ্রেণিকে দরিদ্র ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর পাশে আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটের অনাকাঙ্ক্ষিত অভিঘাত বাংলাদেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (১৭.৯° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৬.৪° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৩৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৬২০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ঐতিহাসিক সফরে নিউইয়র্কে এসেছেন। দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন, যা একটি ইতিহাসের অংশ।
৩ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত জুলাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অর্থায়নের ঘোষণা দেয়। কক্সবাজার ও ভাসানচরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা আন্তর্জাতিক অর্থায়নের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যেও মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকায়, এই অর্থায়ন দেওয়া হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে মৎস্য, ব্লু ইকোনমি ও প্রাণিসম্পদ খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। এ লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে