
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, সহিংসতা ততই বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছে মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি বলছে, গত ডিসেম্বরে দেশে মোট ১৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল। এসব ঘটনায় ৪ জন নিহত এবং ২৬৮ জন আহত হন। তবে গত জানুয়ারিতে পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে। এই এক মাসে মোট ৭৫টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ এবং আহত হয়েছেন ৬১৬ জন।
মঙ্গলবার আসক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সহনশীলতা ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।
জানুয়ারি মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে আসক জানিয়েছে, মাসজুড়েই সহিংসতার মাত্রা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ১ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ৮টি সহিংস ঘটনায় ৫ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হন। ১১ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ১৮টি ঘটনায় ২ জন নিহত এবং ১৭৬ জন আহত হন। ২১ থেকে ৩১ জানুয়ারি ১১ দিনে নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার (২২ জানুয়ারি) পর এই সময়ে সহিংসতা সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। মাত্র ১১ দিনে ৪৯টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যাতে ৪ জন নিহত এবং ৪১৪ জন আহত হন।
আসক আরও জানিয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকেরাও আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসে ১১ জন সাংবাদিক লাঞ্ছিত বা বাধাগ্রস্ত হলেও জানুয়ারি মাসে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আসক সব পক্ষকে আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার অনুরোধ জানিয়েছে।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, সহিংসতা ততই বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছে মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটি বলছে, গত ডিসেম্বরে দেশে মোট ১৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল। এসব ঘটনায় ৪ জন নিহত এবং ২৬৮ জন আহত হন। তবে গত জানুয়ারিতে পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে। এই এক মাসে মোট ৭৫টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ এবং আহত হয়েছেন ৬১৬ জন।
মঙ্গলবার আসক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সহনশীলতা ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।
জানুয়ারি মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে আসক জানিয়েছে, মাসজুড়েই সহিংসতার মাত্রা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ১ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ৮টি সহিংস ঘটনায় ৫ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হন। ১১ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিনে ১৮টি ঘটনায় ২ জন নিহত এবং ১৭৬ জন আহত হন। ২১ থেকে ৩১ জানুয়ারি ১১ দিনে নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার (২২ জানুয়ারি) পর এই সময়ে সহিংসতা সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। মাত্র ১১ দিনে ৪৯টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যাতে ৪ জন নিহত এবং ৪১৪ জন আহত হন।
আসক আরও জানিয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকেরাও আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসে ১১ জন সাংবাদিক লাঞ্ছিত বা বাধাগ্রস্ত হলেও জানুয়ারি মাসে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আসক সব পক্ষকে আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার অনুরোধ জানিয়েছে।

নির্বাচন শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টিসহ (এবি পার্টি) সাতটি দল এই হিসাব জমা না দেওয়ায় দলগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১৩ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
১৪ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০২ জনে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬০৯ শিশু, নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর।
১৫ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ইন সাপোর্ট অব ভিক্টিমস অব টর্চার-২০২৬’ উপলক্ষে ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে