
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজেরা সুলতানা আর নেই। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকার ধানমন্ডির বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) আসরের নামাজের পর টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ছাতিহাটী গ্রামের ফুটবল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজেরা সুলতানাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কালিহাতী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
হাজেরা সুলতানা ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘নতুন কথা’ নামের একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
হাজেরা সুলতানার জন্ম ১৯৫০ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ছাতিহাটী গ্রামে। ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতিতে জড়ান এবং নিজেকে একজন নারী নেত্রী হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি থাকাকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন হাজেরা সুলতানা। ১৯৭১ সালে মাতৃভূমিকে হানাদারমুক্ত করতে তিনি শুধু অস্ত্র হাতে তুলে নেননি, একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে কাজ করেছেন।
একাত্তরের মার্চে টাঙ্গাইলে পিটিআই মাঠে পাকিস্তানি পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে পোড়ানোর কারণে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।
এদিকে তোপখানা রোডে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ে অনাড়ম্বর আয়োজনে হাজেরা সুলতানার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ অনুষ্ঠানের শুরুতেই পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কমরেড নুর আহমদ বকুল পার্টির পতাকা দিয়ে তার মরদেহ আচ্ছাদিত করেন। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে তাদের দুজনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় হাজেরা সুলতানার মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, সুশান্ত দাস, কামরূল আহসান ও নজরুল হক নীলু এবং কেন্দ্রীয় নেতা তপন দত্ত, আবুল হোসাইন, করম আলী, দীপংকর সাহা দিপু, মোস্তফা আলমগীর রতনসহ অন্যরা।
পরে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা ও ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), সাম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির বিভিন্ন জেলা শাখা, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, জাতীয় কৃষক সমিতি, বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন, বাংলাদেশ নারী মুক্তি সংসদ, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, টেক্সটাইল গামেন্টর্স ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, সাপ্তাহিক নতুন কথা, জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়ন, বিলস, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রসহ প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক বিভিন্ন সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্ব শেষ হয় উপস্থিত সবার কণ্ঠে আগুনের পরশমণি ও জাগো জাগো সর্বহারা আন্তর্জাতিক সংগীত, পার্টির স্লোগান ও লাও জানানোর মধ্য দিয়ে। পরে নুর আহমদ বকুলসহ পার্টির অন্য নেতারা হাজেরা সুলতানার একমাত্র মেয়ে রানা সুলতানাকে সঙ্গে নিয়ে মরদেহবাহী গাড়িসহ টাঙ্গাইলে হাজেরা সুলতানার গ্রামের বাড়ির পথে রওয়ানা দেন।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজেরা সুলতানা আর নেই। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকার ধানমন্ডির বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) আসরের নামাজের পর টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ছাতিহাটী গ্রামের ফুটবল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজেরা সুলতানাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কালিহাতী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
হাজেরা সুলতানা ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘নতুন কথা’ নামের একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
হাজেরা সুলতানার জন্ম ১৯৫০ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ছাতিহাটী গ্রামে। ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতিতে জড়ান এবং নিজেকে একজন নারী নেত্রী হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি থাকাকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন হাজেরা সুলতানা। ১৯৭১ সালে মাতৃভূমিকে হানাদারমুক্ত করতে তিনি শুধু অস্ত্র হাতে তুলে নেননি, একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে কাজ করেছেন।
একাত্তরের মার্চে টাঙ্গাইলে পিটিআই মাঠে পাকিস্তানি পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে পোড়ানোর কারণে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।
এদিকে তোপখানা রোডে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয়ে অনাড়ম্বর আয়োজনে হাজেরা সুলতানার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ অনুষ্ঠানের শুরুতেই পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কমরেড নুর আহমদ বকুল পার্টির পতাকা দিয়ে তার মরদেহ আচ্ছাদিত করেন। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে তাদের দুজনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় হাজেরা সুলতানার মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, সুশান্ত দাস, কামরূল আহসান ও নজরুল হক নীলু এবং কেন্দ্রীয় নেতা তপন দত্ত, আবুল হোসাইন, করম আলী, দীপংকর সাহা দিপু, মোস্তফা আলমগীর রতনসহ অন্যরা।
পরে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা ও ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), সাম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির বিভিন্ন জেলা শাখা, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, জাতীয় কৃষক সমিতি, বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন, বাংলাদেশ নারী মুক্তি সংসদ, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, টেক্সটাইল গামেন্টর্স ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, সাপ্তাহিক নতুন কথা, জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়ন, বিলস, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রসহ প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক বিভিন্ন সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্ব শেষ হয় উপস্থিত সবার কণ্ঠে আগুনের পরশমণি ও জাগো জাগো সর্বহারা আন্তর্জাতিক সংগীত, পার্টির স্লোগান ও লাও জানানোর মধ্য দিয়ে। পরে নুর আহমদ বকুলসহ পার্টির অন্য নেতারা হাজেরা সুলতানার একমাত্র মেয়ে রানা সুলতানাকে সঙ্গে নিয়ে মরদেহবাহী গাড়িসহ টাঙ্গাইলে হাজেরা সুলতানার গ্রামের বাড়ির পথে রওয়ানা দেন।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে