
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার। স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার, সেবার মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি’ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের অধীনে প্রায় ৪০ হাজার কর্মী পৃথকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন নিয়োগ সম্পন্ন হলে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, সব স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য অভিন্ন দায়িত্ব বণ্টন ও সমন্বিত সেবাপদ্ধতি চালু করা হবে। এতে একই ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দেশের সব এলাকায় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এম এ মুহিত আরও বলেন, এখন থেকে শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে একই বাড়িতে আলাদা আলাদা কর্মী যাওয়ার কারণে কাজের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, আবার অনেক পরিবার সেবার বাইরে থেকে যাচ্ছে। সমন্বিত কাঠামো চালু হলে এই বৈষম্য কমে আসবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ নিজ উদ্যোগে গর্ভনিরোধক সামগ্রী ব্যবহার করেন। সচেতনতা আরও বাড়ানো গেলে এ হার ৭০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে, যা সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে সহায়ক হবে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থ সংকট নয়, বরং অদক্ষতা ও সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘাটতি। তাই সরকার পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য বাজেট বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘রিয়েল টাইম ডেটা’ সংগ্রহ ও স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও সুইডেনের সাভরিজ এই নীতি সংলাপের আয়োজন করে।
অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহমাদ, সোশাল মার্কেটিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিম উদ্দিন খান, সুইডিশ দূতাবাসের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডা. মোহাম্মদ জাহিরুল ইসলাম, জনসংখ্যা পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ডা. উবায়দুর রব, বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের উপদেষ্টা ডা. ইয়াসমিন এইচ আহমেদ, প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল এবং বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য ও সিনিয়র পাবলিক হেলথ স্পেশালিস্ট ডা. আবু জামিল ফয়সাল প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার। স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার, সেবার মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি’ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের অধীনে প্রায় ৪০ হাজার কর্মী পৃথকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন নিয়োগ সম্পন্ন হলে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, সব স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য অভিন্ন দায়িত্ব বণ্টন ও সমন্বিত সেবাপদ্ধতি চালু করা হবে। এতে একই ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দেশের সব এলাকায় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এম এ মুহিত আরও বলেন, এখন থেকে শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে একই বাড়িতে আলাদা আলাদা কর্মী যাওয়ার কারণে কাজের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, আবার অনেক পরিবার সেবার বাইরে থেকে যাচ্ছে। সমন্বিত কাঠামো চালু হলে এই বৈষম্য কমে আসবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ নিজ উদ্যোগে গর্ভনিরোধক সামগ্রী ব্যবহার করেন। সচেতনতা আরও বাড়ানো গেলে এ হার ৭০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে, যা সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে সহায়ক হবে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থ সংকট নয়, বরং অদক্ষতা ও সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘাটতি। তাই সরকার পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য বাজেট বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘রিয়েল টাইম ডেটা’ সংগ্রহ ও স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও সুইডেনের সাভরিজ এই নীতি সংলাপের আয়োজন করে।
অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহমাদ, সোশাল মার্কেটিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিম উদ্দিন খান, সুইডিশ দূতাবাসের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডা. মোহাম্মদ জাহিরুল ইসলাম, জনসংখ্যা পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ডা. উবায়দুর রব, বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের উপদেষ্টা ডা. ইয়াসমিন এইচ আহমেদ, প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল এবং বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য ও সিনিয়র পাবলিক হেলথ স্পেশালিস্ট ডা. আবু জামিল ফয়সাল প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়, দেওয়া হয় গার্ড অব অনার। সুসজ্জিত বাহিনীর দেওয়া গার্ড অব অনারের সময়ে দুদেশের জাত
১৪ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
১৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
১৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
১৭ ঘণ্টা আগে