
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, উন্নয়ন সহযোগী ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই হবে না; তা অর্জনে সঠিক তথ্য, কার্যকর পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার (১২ আগস্ট) তিন দিনব্যাপী এসডিজিবিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নের মূল কেন্দ্র পরিবার। একটি পরিবারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাই এসডিজি বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে সাধারণ মানুষের প্রয়োজন ও জীবনমানের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশলে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে। এসডিজি বাস্তবায়নে কার্যকর পরিকল্পনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে নজরদারির আওতায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এসডিজি অর্জন শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। জাতীয় উন্নয়নের এই বৃহৎ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত, এনজিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত আলোচনা, উপস্থাপিত সুপারিশ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় এসডিজি বাস্তবায়নের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য মঞ্জুর হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এসএম আবদুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, উন্নয়ন সহযোগী ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই হবে না; তা অর্জনে সঠিক তথ্য, কার্যকর পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার (১২ আগস্ট) তিন দিনব্যাপী এসডিজিবিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নের মূল কেন্দ্র পরিবার। একটি পরিবারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তাই এসডিজি বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে সাধারণ মানুষের প্রয়োজন ও জীবনমানের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশলে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে। এসডিজি বাস্তবায়নে কার্যকর পরিকল্পনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে নজরদারির আওতায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এসডিজি অর্জন শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। জাতীয় উন্নয়নের এই বৃহৎ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত, এনজিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত আলোচনা, উপস্থাপিত সুপারিশ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় এসডিজি বাস্তবায়নের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য মঞ্জুর হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এসএম আবদুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

নদী বাঁচাতে এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে হলে প্রচলিত খুঁটিযুক্ত সেতুর বদলে খুঁটিবিহীন বা ঝুলন্ত সেতু তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পিলারভিত্তিক ব্রিজের ঐতিহ্য থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিল করে তাদের হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি জানান, এটিকে প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আইনগুলো হলো— পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩; পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০; দণ্ডবিধি, ১৮৬০; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১।
৫ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
৬ ঘণ্টা আগে