
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে জানিয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও কার্যকর পরিকল্পনা ও দক্ষ বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা চলছে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আজ বুধবার শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোকে সরাসরি প্রকল্পে না নিয়ে আগে প্রোগ্রামে রূপান্তর করে একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের বদলে সমন্বিত উন্নয়ন কাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ চলমান প্রকল্প রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব প্রকল্প পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপ ও একাধিক সংশোধনের কারণে এই রিভিউ প্রক্রিয়া জটিল এবং এতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
শিক্ষাকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ জনশক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গড়ে তোলা অপরিহার্য। এ জন্য শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কার্যকর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে এবং তার ফলাফল মূল্যায়নের মাধ্যমে পদোন্নতির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন এবং মাতৃভাষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। কর্মসংস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণেও জোর দেন তিনি।
প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্বলতার কথাও স্বীকার করেন সাকি। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও তা যথাযথভাবে ব্যয় করা যাচ্ছে না, যা দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। পরিকল্পনা প্রণয়নে এক বছর ও পাঁচ বছরের লক্ষ্য নির্ধারণ করে অগ্রগতির একটি সুস্পষ্ট কাঠামো তৈরির কথা জানান তিনি। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং নাগরিক সমাজের মতামত অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডেটা সংকট মোকাবিলায় রিয়েল-টাইম তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সঠিক তথ্য ছাড়া উন্নয়ন পরিকল্পনা কার্যকর করা সম্ভব নয়।
এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সময় বৃদ্ধি চাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এ জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা খাত নিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার শক্ত ভিত্তি ছাড়া সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

আগামী বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে জানিয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও কার্যকর পরিকল্পনা ও দক্ষ বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা চলছে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আজ বুধবার শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোকে সরাসরি প্রকল্পে না নিয়ে আগে প্রোগ্রামে রূপান্তর করে একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের বদলে সমন্বিত উন্নয়ন কাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ চলমান প্রকল্প রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব প্রকল্প পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপ ও একাধিক সংশোধনের কারণে এই রিভিউ প্রক্রিয়া জটিল এবং এতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
শিক্ষাকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ জনশক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গড়ে তোলা অপরিহার্য। এ জন্য শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কার্যকর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে এবং তার ফলাফল মূল্যায়নের মাধ্যমে পদোন্নতির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন এবং মাতৃভাষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। কর্মসংস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণেও জোর দেন তিনি।
প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্বলতার কথাও স্বীকার করেন সাকি। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও তা যথাযথভাবে ব্যয় করা যাচ্ছে না, যা দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। পরিকল্পনা প্রণয়নে এক বছর ও পাঁচ বছরের লক্ষ্য নির্ধারণ করে অগ্রগতির একটি সুস্পষ্ট কাঠামো তৈরির কথা জানান তিনি। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং নাগরিক সমাজের মতামত অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ডেটা সংকট মোকাবিলায় রিয়েল-টাইম তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সঠিক তথ্য ছাড়া উন্নয়ন পরিকল্পনা কার্যকর করা সম্ভব নয়।
এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সময় বৃদ্ধি চাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এ জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা খাত নিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার শক্ত ভিত্তি ছাড়া সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান
৪ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল (শনিবার, ১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) এক বাণীতে এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০১ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।
৬ ঘণ্টা আগে