
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে জাতীয় সংসদের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলকে প্রশ্ন করে বলেছেন, কেন তারা (৫ আগস্টের পর) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবর্তে বিপ্লবী সরকার গঠন করলেন না।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে এ প্রশ্ন করেন।
পার্থ আরও বলেন, বিএনপিকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। অথচ ট্রেজারি (সংসদের বিরোধী দল) আসনে বসা প্রায় সবাই জেল খেটেছেন, জুলাই যোদ্ধা ছিলেন। মূলত জুলাই সনদ নিয়ে কোনো সমস্যা না, প্রশ্নটা হচ্ছে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে।
তিনি বলেন, ‘কেন যেন প্রথম থেকেই আমাদেরকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার একটা পায়তারা দেখতে পাচ্ছি। জুলাই সনদ নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমাদের সমস্যা প্রক্রিয়া নিয়ে।’
পার্থ বলেন, আপনারা শেষ ৬ বলে যদি ১২ রান করে থাকেন, তবে এর আগের ৩০০ রান আমরা সবাই মিলে করেছি। আমরা ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। অথচ আপনারা জুলাইর পুরো কৃতিত্ব নিজেদের দাবি করেছেন। আপনারা এমন কথা বলবেন না যাতে দেশবাসী বিভ্রান্ত হয়।
এরপর বিরোধী দলকে পার্থ প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা সেসময় বিপ্লবী সরকার করলেন না কেন? নতুন করেই সংবিধান বানাতেন। পুরোনো সংবিধানে থেকে আপনারা সংবিধানটাকেই বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন। এটা আসলে হয় না।’
আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করল। এর ভিত্তি কী। আপনারা তখন সংবিধান রিরাইট করলেন না কেন?
গণভোটের কারিগরি দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলে পার্থ বলেন, ‘আপনারা গণভোটে চারটি বিষয় দিয়েছেন। কিন্তু কোনো ভোটার যদি একটি বিষয়ে একমত না হয়, তবে সে কী করবে? হ্যাঁ-তে ভোট দেবে নাকি না-তে? আপনারা তো ভোটারদের বাধ্য করেছেন। সনদের বাকি বিষয়গুলো কেন গণভোটে দিলেন না?’
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, সংবিধানের ওপর আমাদের শ্রদ্ধা থাকতে হবে। পাশাপাশি জুলাইয়ের স্পিরিটকেও তুলে ধরতে হবে।

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে জাতীয় সংসদের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলকে প্রশ্ন করে বলেছেন, কেন তারা (৫ আগস্টের পর) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবর্তে বিপ্লবী সরকার গঠন করলেন না।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে এ প্রশ্ন করেন।
পার্থ আরও বলেন, বিএনপিকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। অথচ ট্রেজারি (সংসদের বিরোধী দল) আসনে বসা প্রায় সবাই জেল খেটেছেন, জুলাই যোদ্ধা ছিলেন। মূলত জুলাই সনদ নিয়ে কোনো সমস্যা না, প্রশ্নটা হচ্ছে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে।
তিনি বলেন, ‘কেন যেন প্রথম থেকেই আমাদেরকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার একটা পায়তারা দেখতে পাচ্ছি। জুলাই সনদ নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমাদের সমস্যা প্রক্রিয়া নিয়ে।’
পার্থ বলেন, আপনারা শেষ ৬ বলে যদি ১২ রান করে থাকেন, তবে এর আগের ৩০০ রান আমরা সবাই মিলে করেছি। আমরা ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। অথচ আপনারা জুলাইর পুরো কৃতিত্ব নিজেদের দাবি করেছেন। আপনারা এমন কথা বলবেন না যাতে দেশবাসী বিভ্রান্ত হয়।
এরপর বিরোধী দলকে পার্থ প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা সেসময় বিপ্লবী সরকার করলেন না কেন? নতুন করেই সংবিধান বানাতেন। পুরোনো সংবিধানে থেকে আপনারা সংবিধানটাকেই বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন। এটা আসলে হয় না।’
আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করল। এর ভিত্তি কী। আপনারা তখন সংবিধান রিরাইট করলেন না কেন?
গণভোটের কারিগরি দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলে পার্থ বলেন, ‘আপনারা গণভোটে চারটি বিষয় দিয়েছেন। কিন্তু কোনো ভোটার যদি একটি বিষয়ে একমত না হয়, তবে সে কী করবে? হ্যাঁ-তে ভোট দেবে নাকি না-তে? আপনারা তো ভোটারদের বাধ্য করেছেন। সনদের বাকি বিষয়গুলো কেন গণভোটে দিলেন না?’
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, সংবিধানের ওপর আমাদের শ্রদ্ধা থাকতে হবে। পাশাপাশি জুলাইয়ের স্পিরিটকেও তুলে ধরতে হবে।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে