
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক আদর্শ ‘পরিবর্তনে’র তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
তিনি বলেন, আপনারা সারা জীবন ভারতের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে ভারতের সঙ্গে গোপনে মিটিং করেছেন। আপনারা সারা জীবন ইসলামের নামে রাজনীতি করে লাস্টে এসে বলছেন, শরিয়া আইন চান না। আপনারা তো ভোটের জন্য এটা করে ফেলেছেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার নোটিশের ওপর মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত ইসলামের প্রতি ইঙ্গিত করে পার্থ বলেন, কী একটা প্রক্রিয়া, সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দাও। সংবিধানকে ছুড়ে ফেলব কেন? সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয়, এটা পরাজয়ের দলিল? আমি সংবিধান কেন ছুড়ে ফেলে দেবো? এই সংবিধান দেখলে গাত্রদাহ কেন হবে?
পার্থ বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক করে বলেন, আপনারা ‘জেনজি’ জেনারেশন হোন, কিন্তু কোনোভাবেই ‘জামাত জেনারেশন’ হয়ে যাবেন না। ভোটের প্রয়োজনে আদর্শ বিসর্জন দেওয়া রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছু নয়।
সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, পুরোনো সংবিধানের ভেতরে থেকে সেই সংবিধানকেই ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা সঠিক পদ্ধতি নয়। বরং সংবিধানকে সম্মান জানিয়েই জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
বক্তব্যের শেষে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, আবু সাঈদ থেকে শুরু করে ওয়াসিম আকরাম, সবার আত্মত্যাগেই এই পরিবর্তন এসেছে। তাই কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী যেন আন্দোলনের একক কৃতিত্ব দাবি করে অন্যদের ওপর আক্রমণাত্মক না হয়।
তিনি বলেন, সংবিধানটাকে আমরা রেসপেক্ট করি, জুলাই সনদকেও আমরা রেসপেক্ট করি। সিন্স উই হ্যাভ দ্য গুড স্পিরিট, উই হ্যাভ গুড ইনটেনশন, আমরা পজিটিভ ও ভালো কিছু নিয়ে আসব। এবং আমি আপনাকে বলে দিচ্ছি, যদি জুলাই সনদের বিরুদ্ধে আমরা স্ট্যান্ড করি, আমাদের ঐক্য স্ট্যান্ড করে, আমি আন্দালিব রহমান পার্থ তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলব।

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক আদর্শ ‘পরিবর্তনে’র তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
তিনি বলেন, আপনারা সারা জীবন ভারতের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে ভারতের সঙ্গে গোপনে মিটিং করেছেন। আপনারা সারা জীবন ইসলামের নামে রাজনীতি করে লাস্টে এসে বলছেন, শরিয়া আইন চান না। আপনারা তো ভোটের জন্য এটা করে ফেলেছেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার নোটিশের ওপর মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত ইসলামের প্রতি ইঙ্গিত করে পার্থ বলেন, কী একটা প্রক্রিয়া, সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দাও। সংবিধানকে ছুড়ে ফেলব কেন? সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয়, এটা পরাজয়ের দলিল? আমি সংবিধান কেন ছুড়ে ফেলে দেবো? এই সংবিধান দেখলে গাত্রদাহ কেন হবে?
পার্থ বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক করে বলেন, আপনারা ‘জেনজি’ জেনারেশন হোন, কিন্তু কোনোভাবেই ‘জামাত জেনারেশন’ হয়ে যাবেন না। ভোটের প্রয়োজনে আদর্শ বিসর্জন দেওয়া রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছু নয়।
সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, পুরোনো সংবিধানের ভেতরে থেকে সেই সংবিধানকেই ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা সঠিক পদ্ধতি নয়। বরং সংবিধানকে সম্মান জানিয়েই জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
বক্তব্যের শেষে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, আবু সাঈদ থেকে শুরু করে ওয়াসিম আকরাম, সবার আত্মত্যাগেই এই পরিবর্তন এসেছে। তাই কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী যেন আন্দোলনের একক কৃতিত্ব দাবি করে অন্যদের ওপর আক্রমণাত্মক না হয়।
তিনি বলেন, সংবিধানটাকে আমরা রেসপেক্ট করি, জুলাই সনদকেও আমরা রেসপেক্ট করি। সিন্স উই হ্যাভ দ্য গুড স্পিরিট, উই হ্যাভ গুড ইনটেনশন, আমরা পজিটিভ ও ভালো কিছু নিয়ে আসব। এবং আমি আপনাকে বলে দিচ্ছি, যদি জুলাই সনদের বিরুদ্ধে আমরা স্ট্যান্ড করি, আমাদের ঐক্য স্ট্যান্ড করে, আমি আন্দালিব রহমান পার্থ তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলব।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে