
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তার এ বক্তব্য ‘ব্যক্তি স্বাধীনতার লঙ্ঘন’ অভিহিত করে তা এক্সপাঞ্জ (সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ) ঘোষণা করেন সংসদ অধিবেশনে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। পরে সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম এ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি এ বক্তব্যকে ‘হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচরণের বহির্প্রকাশ’ বলে অভিহিত করেন।
রোববার (১৪ জুন) সংসদ অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনায় দেওয়া বক্তব্যের একপর্যায়ে মনিরুল হক চৌধুরী দুই যুগ আগের একটি ঘটনা তুলে ধরেন। ওই ঘটনাটি সংসদের বর্তমান বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে নিয়ে।
মনিরুল হক চৌধুরী সেই ঘটনাটি তুলে ধরে তার বক্তব্যের একপর্যায়ে জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে কথা বলেন। তাদের হিজাব-নিকাবের দিকে ইঙ্গিত করে পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার কথা বলেন।
মনিরুল হকের এমন বক্তব্যের পরপরই জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির এমপিরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে চিৎকার শুরু করেন। এ সময় অধিবেশন কক্ষে ব্যাপক হট্টগোল দেখা দেয়। ডেপুটি স্পিকার বারবার সংসদ সদস্যদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলেন না।
পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, আমরা সবাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। আমরা যদি নিজেদের ডিসেন্সি ও ডিগনিটি ধরে রাখতে না পারি, তাহলে দেশের মানুষের কাছে আমাদের লজ্জিত হতে হবে। এই মহান সংসদ কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলার চারণক্ষেত্র নয়।
ডেপুটি স্পিকার মনিরুল হকের বক্তব্যের ওই অংশটুকু এক্সপাঞ্জ করেন। মনিরুল হকও তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ছিল না দাবি করে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি নিজেও বক্তব্যটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানান।
এরপর দুই মিনিট সময় চেয়ে নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্য নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, মনিরুল হক চৌধুরী বিভিন্ন সময় সংসদে সূক্ষ্ম রসবোধ ও ইতিহাস চেতনা নিয়ে বক্তব্য দিলেও আজকের বক্তব্যে তিনি সব সংসদীয় রীতিনীতি ও সাংবিধানিক অধিকারের সীমা লঙ্ঘন করেছেন।
বিরোধী দলীয় এই চিফ হুইপ বলেন, তিনি প্রথমত বিরোধী দলীয় উপনেতার স্ত্রীকে নিয়ে ব্যক্তিগত ইতিহাসের দোহাই দিয়ে কটাক্ষ করেছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্বিতীয়ত, তিনি বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে কথা বলে তাদের ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হরণ করেছেন। এ ধরনের বক্তব্য হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
ডেপুটি স্পিকার পরে সংসদে উপস্থিত সব সংসদ সদস্যের উদ্দেশে রুলিং জারি করে বলেন, সংসদে বসে কেউ কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলতে পারবেন না এবং সবাইকে সংসদের মর্যাদা ও নিজস্ব ডিগনিটি বজায় রাখতে হবে।
এর আগে মনিরুল হক চৌধুরী তার বাজেট আলোচনায় দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর দেশ পরিচালনায় তারেক রহমান অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন। কুমিল্লা-ঢাকা রেললাইন প্রকল্প গ্রহণ করায় এবং সিলেট ও নোয়াখালীর দূরত্ব কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তার এ বক্তব্য ‘ব্যক্তি স্বাধীনতার লঙ্ঘন’ অভিহিত করে তা এক্সপাঞ্জ (সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ) ঘোষণা করেন সংসদ অধিবেশনে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। পরে সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম এ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি এ বক্তব্যকে ‘হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচরণের বহির্প্রকাশ’ বলে অভিহিত করেন।
রোববার (১৪ জুন) সংসদ অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনায় দেওয়া বক্তব্যের একপর্যায়ে মনিরুল হক চৌধুরী দুই যুগ আগের একটি ঘটনা তুলে ধরেন। ওই ঘটনাটি সংসদের বর্তমান বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে নিয়ে।
মনিরুল হক চৌধুরী সেই ঘটনাটি তুলে ধরে তার বক্তব্যের একপর্যায়ে জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে কথা বলেন। তাদের হিজাব-নিকাবের দিকে ইঙ্গিত করে পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার কথা বলেন।
মনিরুল হকের এমন বক্তব্যের পরপরই জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির এমপিরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে চিৎকার শুরু করেন। এ সময় অধিবেশন কক্ষে ব্যাপক হট্টগোল দেখা দেয়। ডেপুটি স্পিকার বারবার সংসদ সদস্যদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলেন না।
পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, আমরা সবাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। আমরা যদি নিজেদের ডিসেন্সি ও ডিগনিটি ধরে রাখতে না পারি, তাহলে দেশের মানুষের কাছে আমাদের লজ্জিত হতে হবে। এই মহান সংসদ কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলার চারণক্ষেত্র নয়।
ডেপুটি স্পিকার মনিরুল হকের বক্তব্যের ওই অংশটুকু এক্সপাঞ্জ করেন। মনিরুল হকও তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ছিল না দাবি করে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি নিজেও বক্তব্যটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানান।
এরপর দুই মিনিট সময় চেয়ে নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্য নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, মনিরুল হক চৌধুরী বিভিন্ন সময় সংসদে সূক্ষ্ম রসবোধ ও ইতিহাস চেতনা নিয়ে বক্তব্য দিলেও আজকের বক্তব্যে তিনি সব সংসদীয় রীতিনীতি ও সাংবিধানিক অধিকারের সীমা লঙ্ঘন করেছেন।
বিরোধী দলীয় এই চিফ হুইপ বলেন, তিনি প্রথমত বিরোধী দলীয় উপনেতার স্ত্রীকে নিয়ে ব্যক্তিগত ইতিহাসের দোহাই দিয়ে কটাক্ষ করেছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দ্বিতীয়ত, তিনি বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের পোশাক নিয়ে কথা বলে তাদের ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হরণ করেছেন। এ ধরনের বক্তব্য হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
ডেপুটি স্পিকার পরে সংসদে উপস্থিত সব সংসদ সদস্যের উদ্দেশে রুলিং জারি করে বলেন, সংসদে বসে কেউ কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলতে পারবেন না এবং সবাইকে সংসদের মর্যাদা ও নিজস্ব ডিগনিটি বজায় রাখতে হবে।
এর আগে মনিরুল হক চৌধুরী তার বাজেট আলোচনায় দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি ও তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর দেশ পরিচালনায় তারেক রহমান অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন। কুমিল্লা-ঢাকা রেললাইন প্রকল্প গ্রহণ করায় এবং সিলেট ও নোয়াখালীর দূরত্ব কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার এবং চট্টগ্রামের দোহাজারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে মাতামুহুরী নদী বান্দরবানের লামা পয়
৩ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত চলতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
৯ ঘণ্টা আগে