
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়েছিলেন ঝালকাঠী-১ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। তার সে বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন রংপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। পালটা প্রশ্নও রেখেছেন— জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে বিএনপি একদলীয় শাসন কায়েম করতে চায় কি না।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমন প্রশ্ন তোলেন। এ সময় বিএনপির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ছায়া দেখার কথাও বলেন তিনি।
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
বিএনপির সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাদৃশ্য এবং সরকারের কার্যক্রমে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিতও দেখছেন জামায়াতের এই নায়েবে আমির। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চাচ্ছেন? আমি মনে করি, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চাচ্ছেন। কারণ চার মাস আপনারা একজন লোক খুঁজে পেলেন না যে প্রেসিডেন্ট কে হবে?’
এ টি এম আজহার আরও বলেন, ‘আপনাদের ফ্যাসিস্ট সরকারের লোক পছন্দ হয়, তাকেই রাখার চেষ্টা করতেছেন। বিএনপি দল এত বড়, তাকে এত পছন্দ হয় কেন? কোন দিক থেকে ইঙ্গিত পেয়েছেন যে তাকে রাখতে হবে?’
এর আগে গত ২২ জুন (সোমবার) ঝালকাঠী-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল; মহান সংসদে দাবি করব— তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না। তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।’
এদিকে বিএনপি সরকার প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সমালোচনা করে আজহার বলেন, এই বাজেট অতি উচ্চাভিলাষী ও ঋণনির্ভর এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতায় আক্রান্ত। প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি প্রায় দুই লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। এ বিশাল আকারে বাজেট বাস্তবায়নই হবে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সুদমুক্ত আর্থিক উপকরণ চালুর কথা তুলে ধরে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো— পরিচালন ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান চাপ। বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধু সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে এক লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই সুদ সরকারের আর্থিক সক্ষমতায় গুরুতর চাপ তৈরি করবে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সুদমুক্ত আর্থিক উপকরণ (ফিন্যান্সিয়াল ইনস্ট্রুমেন্ট) চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের বিকল্প বিবেচনার প্রস্তাব দেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, যদি বাংলাদেশকে আমরা সুদ থেকে মুক্ত করতে চাই, এক বছর-দুই বছরে পারব না। তবে যদি প্রচেষ্টা শুরু করি, ধীরে ধীরে বাংলাদেশ সুদমুক্ত হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে, যা সবার জন্য কল্যাণকর হবে।

সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়েছিলেন ঝালকাঠী-১ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। তার সে বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন রংপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। পালটা প্রশ্নও রেখেছেন— জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে বিএনপি একদলীয় শাসন কায়েম করতে চায় কি না।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমন প্রশ্ন তোলেন। এ সময় বিএনপির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ছায়া দেখার কথাও বলেন তিনি।
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
বিএনপির সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাদৃশ্য এবং সরকারের কার্যক্রমে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিতও দেখছেন জামায়াতের এই নায়েবে আমির। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চাচ্ছেন? আমি মনে করি, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চাচ্ছেন। কারণ চার মাস আপনারা একজন লোক খুঁজে পেলেন না যে প্রেসিডেন্ট কে হবে?’
এ টি এম আজহার আরও বলেন, ‘আপনাদের ফ্যাসিস্ট সরকারের লোক পছন্দ হয়, তাকেই রাখার চেষ্টা করতেছেন। বিএনপি দল এত বড়, তাকে এত পছন্দ হয় কেন? কোন দিক থেকে ইঙ্গিত পেয়েছেন যে তাকে রাখতে হবে?’
এর আগে গত ২২ জুন (সোমবার) ঝালকাঠী-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল; মহান সংসদে দাবি করব— তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না। তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।’
এদিকে বিএনপি সরকার প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সমালোচনা করে আজহার বলেন, এই বাজেট অতি উচ্চাভিলাষী ও ঋণনির্ভর এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতায় আক্রান্ত। প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি প্রায় দুই লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। এ বিশাল আকারে বাজেট বাস্তবায়নই হবে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সুদমুক্ত আর্থিক উপকরণ চালুর কথা তুলে ধরে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো— পরিচালন ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান চাপ। বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধু সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে এক লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই সুদ সরকারের আর্থিক সক্ষমতায় গুরুতর চাপ তৈরি করবে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সুদমুক্ত আর্থিক উপকরণ (ফিন্যান্সিয়াল ইনস্ট্রুমেন্ট) চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের বিকল্প বিবেচনার প্রস্তাব দেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, যদি বাংলাদেশকে আমরা সুদ থেকে মুক্ত করতে চাই, এক বছর-দুই বছরে পারব না। তবে যদি প্রচেষ্টা শুরু করি, ধীরে ধীরে বাংলাদেশ সুদমুক্ত হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে, যা সবার জন্য কল্যাণকর হবে।

রোববার (২৮ জুন) পিএসসি আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করে। এর আগে কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশের আশা প্রকাশ করেছিলেন। তবে প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হওয়ায় আজই ফল প্রকাশ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম কার্যদিবসে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেওয়ার সময় বিষয়টি নিয়ে দুই দফা বিতর্ক হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
বিরোধী দলের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বিরোধী দল মাঝে মাঝেই সংস্কারের কথা বলেন। জুলাই সনদের কথা বলেন। ওনারা শুধু সেই সংস্কারের কথা বলেন, যেই সংস্কার ওনাদেরকে ক্ষমতার ভাগ দেবে। ওনারা স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার নিয়ে একদিনও আজ পর্যন্ত কথা বলেননি”
৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৬১৯ জন।
৬ ঘণ্টা আগে